বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মিশর: কায়রো শরণার্থীদের চলচ্চিত্র উৎসব

আ হোলহার্টেডলি সুদানিয়া আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কায়রো শরণার্থীদের চলচ্চিত্র উৎসব ব্লগ পড়তে যেখানে আমি দারুণ কিছু তথ্য পেয়েছি মিশরের শরণার্থীদের সম্পর্কে:

গত তিন দশকে, মিশর আফ্রিকা, এশিয়া আর মধ্য প্রাচ্য থেকে আসা শরণার্থীদের জায়গা দিচ্ছে যারা সংঘর্ষ আর হত্যার ভয় থেকে পালিয়ে আসছে। অনেক শরণার্থী মিশরকে তাদের বাড়ি বানিয়েছেন আর মিশরীদের মধ্যে অনেক ধরনের শরণার্থী গোত্র বাস করেন, যারা মিশরীয় সমাজে অবদান রাখছেন। যদিও মনে করা হয় যে সুদানিরা সব থেকে বড় সংখ্যার শরণার্থী, কিন্তু বেশ কিছু সংখ্যক সোমালি, ইরিত্রিয়ান, ইথোপিয়ান, উত্তর আফ্রিকান আর আরো বেশী সংখ্যক মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার আর ইরাকী আছেন। মধ্য আর দূর প্রাচ্য থেকেও শরণার্থীরা মিশরে আশ্রয় চায়। এর সাথে প্রায় ৭০,০০০ ফিলিস্তিনি আছে। এইসকল শরণার্থী প্রায় ভুলভাবে অর্থনৈতিক অভিবাসনকারী হিসাবে সনাক্ত হয়, একটা বিপদ্গ্রস্ত জনগোষ্ঠির পরিবর্তে যারা তাদের আবাসস্থল ত্যাগ করে পালিয়েছেন রাজনৈতিক সমস্যা আর সংঘাতের কারনে।

কায়রো শরণার্থী চলচ্চিত্র উৎসব শরণার্থীদের তাদের নতুন দেশে আত্মীকরনের একটি উদ্যোগ:

যেহেতু শরণার্থীদের বিশাল অংশ কখনো পুনর্বাসিত হবে না, মিশরে আত্মীকরনে খুবই চিন্তার ব্যাপার আর এই মুহূর্তের প্রয়োজন। এটা তখনই সম্ভব যখন গ্রাহক সমাজ আর শরণার্থী সমাজের মধ্যে থাকা ভুল ধারণা লোপ পাবে আর অন্যের পরিস্থিতি সম্পর্কে বোঝা আর মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।

এই পরিস্থিতিতে আর শরণার্থী আর মিশরীয় সমাজকে একত্র করার লক্ষ্যে, চলচ্চিত্র উৎসবের ধারণার জন্ম।

জুনের ১৬ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য শহরতলী কায়রোর রায়াবেত থিয়েটারে, উৎসব অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ব শরণার্থী দিবসের উপলক্ষ্যে যা চাচ্ছে:

জীবন, সংগ্রাম, আর শরণার্থীদের প্রাপ্তি একত্র কররে বিশ্বব্যাপী ১৯৩০ থেকে এখন পর্যন্ত। আমরা চেষ্টা করছি মিশরীয় ধারণা ভাঙ্গতে যে শরণার্থী সংগ্রাম আফ্রিকা কেন্দ্রিক বিষয় আর শরণার্থীরা সব সময়ে আফ্রিকান হয়ে থাকে। চলচিত্র মাধ্যমের মধ্য দিয়ে, আমরা মিশরীয় সমাজকে বোঝাতে চাচ্ছি শরণার্থীদের গল্প, বাধা আর সহ্যের বিষয়টা।

ব্লগ আরো তালিকা দিচ্ছে স্পন্সর, সাহায্যকারি আর আয়োজকদের, সময়সূচী আর ওয়ার্কশপের যা এই অনুষ্ঠানের সাথে মিল রেখে অনুষ্ঠিত হবে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .