বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ভারত: ভারতে বেড়ে ওঠার সময় তৈরী হওয়া দৃষ্টিভঙ্গি

এ্যাডোব ইয়োথ ভয়েস লোগো

এ্যাডোব ইয়োথ ভয়েস লোগো

এ্যাডোব ইয়োথ ভয়েস অনুষ্ঠানকে ধন্যবাদ, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণদের এতে অডিওভিজুয়াল বা ছবি তৈরীর যন্ত্রপাতি নিয়ে পরীক্ষা করার সৌভাগ্য এবং নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থেকে গল্প বলার সুযোগ হয়েছে। যেমন ভারতের ক্ষেত্রে, সেখানে বিভিন্ন স্কুল ও বস্তির তরুণরা ভিডিও তৈরি করেছে। যে বিশ্ব তাদের ঘিরে রেখেছে সেই বিশ্বকে দেখানোর জন্য এবং ভিডিওতে তারা তাদের চিন্তা ভাবনা এবং সচেতনতা তুলে ধরেছে। প্রথমে, একটি ভিডিও দেখাচ্ছে ভারতের ছেলে এবং মেয়েদের প্রতি আলাদা যে ব্যবহার করা হয় তার চিত্র। অন্য আরেকটি ভিডিও একটা মেয়ের ছবি আঁকছে যে ঘরের কাজ করতে গিয়ে কঠিন বাস্তবতার মধ্যে পড়ে। ঘরের কাজ করার ফলে তার পক্ষে স্কুলের দেওয়া বাড়ীর কাজ করা সম্ভব হয়ে উঠে না। এবং শেষ ভিডিওতে একটি ছেলের গল্প রয়েছে যার বাবা মা স্কুলের একটি কোর্স পরীক্ষায় খারাপ করার ফলে তাকে শাস্তি দেয়। এরপর সে সমবয়সী একই ধরনের ছেলেদের পাল্লায় পড়ে ধুমপান করা শুরু কর।

প্রথম ভিডিও, স্বাধীনতাতে মীরা সিংহ তার ব্লগ ভারতে এক বছরে ভিডিওর বর্ণনা করেন:

এখানে এক কৌতুহলী ভিন্নধাচের লেখা রয়েছে: স্বাধীনতা ১৭ বছর বয়স্ক মুবিনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ, যার কথা আমি এর আগেও লিখেছিলাম এখানে (এবং সে এই তথ্যে চিত্রের প্রধান চরিত্র)। ভিডিওর শেষে পর্যায়ে একটি বয়স্ক মহিলার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। তাতে সে বলছে কেন সে তার ছেলেকে মেয়ের চেয়ে বেশী ভালোবাসে। এটা মাথায় রাখতে হবে পরস্পরে মিলিতভাবে আলোচানার মাধ্যমে এই সাক্ষাৎকার নিয়েছে মুবিন নিজে। আর যার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে সে তার মা।

যদিও এর আগের ভিডিওর সাক্ষাৎকার আমাদের একটি মেয়ের জীবন সমন্ধে ক্ষণিকের এক ধারনা দেয় একটা মেয়ে দুটি দায়িত্ব পালন করে স্কুল এবং বাসার, তাহলে পরবর্তী ভিডিও যা দিল্লীর বৈদিক কন্যা স্কুলের তোলা যেখানে তারা তাদের একাডেমিক বা শিক্ষাগত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে মেয়েদের দুটির সংসারের অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয় এবং তাদের সময়ের কত অভাব। তারা স্কুলের দেওয়া বাড়ীর কাজ করতে পারে না যা তাদের পরীক্ষার ফলাফলের উপর প্রভাব ফেলে:

শেষ ভিডিওটি দিল্লীর নইদা পাবলিক স্কুলের। এটি আমাদের ভারতে জন্ম নেওয়া একটি ছেলের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে। ছেলেটির কিশোর বয়সে ধুমপান করা, আমাদের মনোযোগ দেওয়ায় কি ভাবে সে বাসায় ও সমবয়সী একই দলের চাপে ভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়ে।

আপনারা এ্যাডোব ইয়োথ ভয়েসের তরুণ তারকাদের তোলা এ রকম আরো অনেক ভিডিও দেখতে পাবেন। সেখানে আপনারা এলাকাভিত্তিক খোঁজ করে যে কেবল ভারতের উপর শিক্ষা লাভ করতে পারবেন তা নয়, সেনেগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং যথারীতি আমেরিকা, কানাডা এবং ইংল্যান্ডের বিষয়েও জানতে পারবেন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .