বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

কোরিয়া: ১০০ দিন আটক থাকার পরে মিনার্ভার মুক্তি

একজন ব্লগার, যিনি তার ছদ্মনাম মিনার্ভা নামে পরিচিত, মুক্ত হয়েছেন ১০০ দিন বন্দী থাকার পরে। নতুন কোরিয়া সরকারের অর্থনৈতিক নীতির সমালোচনা করে তার যে ২৮০টি পোস্ট আর অর্থনৈতিক মন্দা নিয়ে তার যে ভবিষ্যৎবানী এগুলো খুবই জনপ্রিয় হয়েছে যৌক্তিক ব্যাখ্যার কারনে।

তাকে বিচারিক কর্তৃপক্ষ গ্রেপ্তার করেছিল ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে আর অর্থনৈতিক ক্ষতি ঘটানোর কারনে। তার গ্রেপ্তারের পর থেকে নেটিজেন আর নাগরিক সংস্থা সরকারের এই কাজের সমালোচনা করেছে আর চিন্তিত হয়েছেন যে এই ঘটনা বাকস্বাধীনতার পথ রুদ্ধ করবে। তার মুক্তি (বাদীপক্ষ আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে) ইন্টারনেটে অনেক মতের জন্ম দিয়েছে।

১)

[…]미네르바의 글을 다는 읽지는 않았지만 그가 잡혀들어가야 하는 이유를 전혀 찾아 볼 수가 없다. 검찰 측의 입장은 있지도 않은 사실을 허위로 작성하여 유포시킨 죄가 성립된다고 하는데 누리꾼들의 대부분이 미네르바의 글을 읽으며 공감을 했고 또 한국의 경제상황을 누구보다 미리 예측하였던 것이 어떻게 ‘있지도 않은 사실을 허위로 작성하여 유포시킨’ 것으로 일단락시킬 수 있는 것인가. 만약 저 부분이 미네르바의 잘못이라면 한국의 경제를 예측한 것을 책으로 써서 서점에 유포시킨 대부분의 경제학자들에게도 똑같이 적용시킬 수 있는 대목이다. 그러나 과연 그럴까. 이번 사건은 단순히 익명성이라는 문제를 부각시킨 정부의 힘의 논리였다. 인터넷 상에서 익명성을 제거하기 위해 한 사람을 ‘마녀사냥’ 한 것에 지나지 않는 것이다.[…]

তিনি যা লিখেছেন তার সব আমি পড়িনি, কিন্তু আমি বুঝতে পারি না কেন তাকে গ্রেপ্তার করা হলো। বাদীপক্ষ বলেছেন যে তিনি মিথ্যা প্রচার করেছেন। তবে নেটিজেনরা বুঝেছে তিনি কি লিখেছেন আর তার সাথে একমত হয়েছে। তিনি যে অর্থনৈতিক অবস্থা অন্য সবার আগে ভবিষ্যৎবাণী করতে পেরেছেন তাকে মিথ্যা বলা যায়না। এটা যদি তার অপরাধ হয়, অর্থনীতিবিদ যারা অর্থনীতি নিয়ে ভবিষ্যৎবাণী করে বই লিখেছেন সবাইকে গ্রেপ্তার করা উচিত। সরকার আসলে ইন্টারনেটের বেনামী প্রকাশের বিষয়টি এখানে আনতে চেয়েছে। ইন্টারনেটে তারা বেনামীতে লেখা বন্ধ করতে চায় আর তাই তারা ‘ডাইনি খোঁজা’ শুরু করেছে…

২)

[…]처음 글이 올라올때까지만 해도 미네르바는 단순히 자신의 추측을 인터넷에 올린 그저 많은 포털 사용자 중 한 명일 뿐이었습니다. 미네르바에 관심이 증폭된 것은 미네르바가 구속된 사건이었습니다. 사건의 중심에 있었던 것은 미네르바가 정확한 추측이 정부에 영향을 미쳤느냐와 허위사실 유포가 맞느냐라는 것입니다. 그런데 이런 논의에 의해 오랜시간 의견이 분리되고 흥분되어 있을 쯤에 누리꾼들의 관심은 정부에서 내세운 죄목보다는 이번 사건이 인터넷 포털 사용자에 대한 MB정부의 탄압에 더 중요한 이슈였습니다.

인터넷이라는 자유를 인정받던 공간에 올린 글 때문에 구속이 되는 어처구니 없는 일이 벌어진 것 때문이지, 미네르바 글의 진실성 때문도 아니고 그렇다고 미네르바가 대단하거나 인터넷 이용자를 대변하는 사람이였기 때문은 더더욱 아니였습니다. 그가 경제 대통령으로 불린 것 또한 우리 경제의 문제점을 정확히 짚고 대책을 내놓아서가 아니라 경제희생 기대에 출범한 MB정부에 대한 실망에 맞물린 역효과의 수혜를 입은 것 외에 더 높게 평가 받을 이유는 없어 보입니다.

이번 미네르바 사건이 우리에게 주는 교육은 극히 당연한 것입니다. 자유롭게 말할 수 있는 권리 인정과 보장!!! 그외에 더 큰 의미는 없습니다.[…]

তার লেখা যখন প্রথম আসে, মিনার্ভা সেই সব নেটিজেনের মধ্যে ছিলেন যিনি তাদের মতামত নিয়ে পোস্ট দিতেন। যখন তিনি গ্রেপ্তার হন, তখন তার প্রতি মনোযোগ বিশাল হয়। বিষয় হলো যে যে সকল ভবিষ্যৎবাণী মিনার্ভা করেছে তা সঠিক হওয়ায় সরকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না এবং সেগুলো মিথ্যা প্রচারণা হিসাবে গণ্য কিনা। এইসকল বিষয় যখন অনেক মতামত আর বিতর্ক সৃষ্টি করছে, নেটিজেনরা যা নিয়ে উৎসুক তা হলো এই কাজ এমবি সরকারের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের দাবিয়ে রাখা হিসাবে ধরা যাবে কিনা।

যেহেতু একস্থানে লেখা হয়েছে যেখানে স্বাধীনতা আছে ইন্টারনেটে, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আর এই অযৌক্তিক কাজ আমাদেরকে ক্রুদ্ধ করেছে। তার লেখা সত্যি কি না আর সে আমাদের নায়ক কি না তা আসল বিষয় না। তাকে অর্থনীতির প্রেসিডেন্ট নাম দেয়া যে কারনে হয়েছে তা এই জন্য না যে তিনি অর্থনৈতিক সমস্যার কথা তুলে ধরে তার সমাধান দিয়েছেন, বরং মানুষ এমবি সরকারের প্রতি হতাশ হয়েছে যাদের উন্নয়নশীল অর্থনীতির প্রত্যাশা আছে (লি মুং- বাক নিজেকে অর্থনৈতিক প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময়ে)।

আমরা এই ‘মিনার্ভা কেলেন্কারী’ থেকে যা শিক্ষা পেয়েছি তা খুব সোজা। বাকস্বাধীনতা স্বীকার আর প্রদান করা!! অন্য কিছু না…

৩)

[…]눈에 띄는 기사가 몇가지 있었는데 바로 몇일전 “미네르바 무죄”와 관련된 기사였습니다. 기사는 한국의 기사와 별반 다를것이 없었는데 기사 밑에 달린 일본 네티즌들의 반응 이었습니다. 역시나 한국 네티즌들의 반응과도 크게 다르지 않았습니다. 이는 비단 한국과 일본 뿐 아니라 이 기사를 접한 대다수 나라의 네티즌들도 같을 것입니다.

একজন নেটিজেন জানিয়েছেন জাপানী নেটিজেনরা কিভাবে প্রতিক্রিয়া করেছেন।

বেশ কয়েকটা মজার খবর ছিল আর তার মধ্যে একটা ছিল ‘মিনার্ভার নির্দোষ’ হওয়া নিয়ে। জাপানের এইসব রিপোর্ট কোরিয়ার রিপোর্টের থেকে অনেক আলাদা। অবশ্য জাপানী নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া কোরিয়ান নেটিজেনদের থেকে খুব আলাদা না। আমি নিশ্চিত যে অন্য দেশের নেটিজেনদের একই মত।

[…]무죄는 당연! 왜, 사실을 말해 재판받지 않으면 안 되는 것인지? 게다가, 아마추어의 예측이 한국 정부나 한국 씽크탱크의 예측보다 올바랐던 것이 아닌가?

전체주의 국가는 곤란하다…



죄가 되면 그야말로 비자유주의.

재판관이 상식을 가지고 있었던 일에 놀랐다


언론 탄압인가? 일본의 매스컴도 썩고 있지만요.



한국의 검찰은 바보?

일부러 재판까지 일으켜~나라가 한 명의 네티즌이 그렇게 무서운 것입니까?


이것으로 유죄가 되면, 경제계의 블로그는 쓸 수 없지 않을까?



아직 착실한 재판소가 있어 좋았다.[…]

নির্দোষ হওয়া ঠিক আছে! কেন তাকে আদালতে যেতে হবে সত্যি কথা বলার জন্য? তার ভবিষ্যৎবাণী কি কোরিয়ার সরকার আর চিন্তাবিদদের থেকে সঠিক ছিল? সমগ্রতাবাদী বেশ ভালনা…

যদি তিনি দোষী হতেন তাহলে সেটা অপ্রসারতা হতো।

এটা কি প্রেসকে দাবিয়ে রাখা না? জাপানী মিডিয়াও তো দূর্নীতিগ্রস্ত।

কোরিয়ার বাদী পক্ষ কি বোকা?

এমন কি বিচার করা…দেশ কি একজন নেটিজেনকে এতোই ভয় পায়?

যদি তিনি দোষী হতেন, তাহলে কি কেউ অর্থনীতি নিয়ে তাদের ব্লগে লিখবে না?

এটা ভালো যে এখনো অকপট বিচারক আছেন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .