বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মিশর: ধর্ষকদের কি টিভিতে ফাঁসি দেয়া উচিত?

মিশরে একজন যৌন অপরাধীর জীবনালেখ্য পরীক্ষা করা আর যৌন আক্রমণকারীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার ডামাডোলের মধ্যে একজন মিশরীয় সংসদ সদস্য প্রস্তাব করেছেন একটা আইন পাশের যা ধর্ষকদের ফাঁসি টেলিভিশনে দেখাতে দেবে।

তাহহিএস ব্লগের নাওয়ারা নেগমের কাছে এই ধারনাটা ভীতিজনক মনে হয়েছে:

اولا: اخشى ما اخشاه ان يكون فيه تعمد ترويع للمصريين وتضخيم لظاهرة ماهياش ظاهرة ابدا في المجتمع ولا حاجة
انا اقصد لما الجرنال يكتب، انشالله كل يوم، عن حداثة اغتصاب في بلد تعدادها تمانين مليون نسمة، دي ما اسمهاش ظاهرة
كل شيء نسبة وتناسب، فيه احصائية بتقول عشرين الف حالة اغتصاب سنويا في مصر معظمهم مش بيرضوا يبلغوا
طب احنا تمانين مليون، اقسم عشرين الف على تمانين مليون يطلع النسبة: 0.025 في المية
كده مش اسمها ظاهرة ناهيك عن انها تكون ظاهرة مرضية
واستكمالا لحالة الترويع عايزين يروعوا الناس مش بس بالايحاء ان اي واحدة ح تمشي في الشارع ح تغتصب، دول كمان عايزين يروعوهم في تنفيذ العقوبة على الجاني
مين من مصلحته يروع الناس بالطريقة المزدوجة دي؟ وايه الهدف؟
আমার প্রথম আর প্রধান ভয় হলো যে একটা অদৃশ্য হাত তিলকে তাল করতে জোর করছে আর প্রথমত: মিশরে ধর্ষণ নামক কোন মহামারি নেই। আমি বলতে চাচ্ছি যে ৮ কোটি লোকের দেশে পত্রিকা যদি প্রতিদিন একটা করে ধর্ষণের ঘটনার কথা লেখে তাহলে এটাকে বিষ্ময়কর ঘটনা বলা যায়না। হিসাব অনুযাযী মিশরে প্রতি বছর ২০০০০ জন ধর্ষণ কবলিত হয়, যাদের বেশীরভাগ কোন মামলা করতে অস্বীকার করে। আপনি যদি ২০০০০ কে ৮ কোটি দিয়ে ভাগ করেন তাহলে শতকরা ০.০২৫ ভাগ হয় আর এটাই বিষ্ময়কর ঘটনা আর সামাজিক ব্যাধির ধারণাকে না করে দেবে। মনে হয় যেন মিডিয়া মানুষকে ভয় দেখিয়ে কাবু করেনা, এখন তারা তাদেরকে পুরোপুরি পাগল করে দিতে চায় ধর্ষকদের ফাঁসি সরাসরি দেখিয়ে। কার ভালোর জন্য এটা হবে?

নাওয়ারা আর একটা বিষয় জানিয়েছেন:

الناس ح تتعاطف اكيد مع المغتصب
لا مش الفكرة انه يصعب عليهم وبس
الفكرة انه ممكن يخلق حالة غضب داخل شباب كتير، وفجأة تحصل ثورة المغتصبين، يطلع عشرتلاف واحد، وللا ميت الف عيل يقولوا طب احنا بقى ح نغتصب كل الستات، ورونا بقى ح تموتونا كلنا ازاي
اه
ماهم ح يعملوا كده عشان هم بني ادمين مش كلاب، ماهي دي بقى صفات البني ادمين، البني ادم لما تنتهك انسانيته وتذله وتقهره بالشكل ده بيعمل ردود افعال كده عشان هو بني ادم، مش كلب
ثم ايه حكاية: ردع الناس ردع الناس
كأن الناس، اللي هم تمانين مليون دول، شوية بهايم لا تشتريهم الا والعصا معهم، ان المصريين لانجاس مناكيد
فين حل مشاكل الناس؟
فين تقويم المجرمين؟
মানুষ অবশ্যই ধর্ষকের ব্যাপারে সমবেদনা জানাবে…আর এটাই শেষ না; এই ধারণা হাজার হাজার তরুণকে ক্ষিপ্ত করে তুলতে পারে যারা হাজার হাজার মেয়েকে ধর্ষণ করবে রাগ আর প্রতিরোধে… এটাই মানুষের হয় যখন আপনি তাদের মানবতা কেড়ে নিয়ে তাদের সাথে কুকুরের মতো ব্যবহার করেন। আর মানুষকে শৃঙ্খলা শেখানোর পিছনের কারন কি? কেন মনে হয় যে এই ৮ কোটি লোক কেবলমাত্র একপাল গরু…মানুষের সমস্যার সমাধান আর অপরাধীদের পুনর্বাসনের কি হলো?

বর্তমানে মিশরের মেয়েরা ধর্ষকের সাথে বিয়ে করতে রাজী থাকবে লজ্জায় থাকার চেয়ে এ তথ্য সম্পর্কে হায়াত লিখেছেন যে :

أنقذت عاملة بمنطقة العامرية بمحافظة الاسكندرية ذئبين بشريين من “حبل المشنقة” بعد أن تنازلت عن اتهامها لهما باغتصابها لزواجها بأحدهما. كانت تحقيقات النيابة تحقق فى بلاغ من عاملة بأنه أثناء عودتها لمنزلها ليلاً فوجئت بشخصين يشهرا في وجهها أسلحة بيضاء وأجبراها علي السير بصحبتهما إلي حجرة بمنطقة مساكن الناصرية الجديدة حيث تناوبا اغتصابها. تبين من تحريات المباحث أن المتهمين عاطلين والقي القبض عليها في كمين حيث اعترفا بالواقعة. فوجيء وكيل النيابة بالمجني عليها تغير أقوالها ضد المتهمين بعد أن تزوج المتهم الأول بها زواجاً شرعياً فقررت النيابة إخلاء سبيل المتهمين.
هذا الخبر نشر باحد الجرائد وان كانت هذه الفتاة تنازلت عن حقها فى القصاص من هولاء الذئاب بالموافقة على الزواج من احدهما مع الملاحظة انهم عاطلين فكيف لعاطل ان يتزوج الا للهروب من العقاب !!
وهل لو تم الطلاق بعد ذلك هل هناك عقوبة على الشخص؟؟
واين حق المجتمع من هولاء المنحرفين فكل شخص يغتصب انثى يتزوجها للهروب من الاعدام ويصبح شعار اغتصبنى واتزوجنى !!!!
আলেকজান্দ্রিয়ার আমরেয়া জেলার একটা মজুর মেয়ে দুইটা মানুষরুপী নেকড়েকে ফাঁসি থেকে বাঁচিয়েছে তাদের একজনের সাথে বিয়ে করতে রাজী হয়ে আর তাদের দুইজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের সকল অভিযোগ তুলে নেয় সে। তদন্তকারীরা প্রমান করে দেয় যে ওই দুই বেকার লোক তাকে অপহরণ করে ধর্ষণ করে, আর গ্রেপ্তারের পরে তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করে নেয় যতক্ষণ না বাদী নিজেই তার অভিযোগ পালটিয়ে তাদের একজনের সাথে বিয়ে করে।

[হায়াত ভেবেছেন] এই মেয়ে কি করে এমন একটা কাজ করলো আর কি করে একজন বেকার ধর্ষক স্বামী হওয়ার যোগ্য হতে পারে? যদি সে পরে তারে তালাক দেয় তখন কি হবে? আর জনগনের অধিকার কোথায় নিরাপদ সমাজের যদি ধর্ষকরা তাদের আক্রান্তদের বিয়ে করতে থাকে বিচারকে ফাঁকি দেয়ার জন্য? এটা কি ‘ধর্ষণ করে আমাকে বিয়ে করো” প্রতারনা?

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .