বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইরান: ড: হেশাম ফিরোজী, আরেকজন কারাবন্দী ব্লগার

জেলে থাকা চিকিৎসক ও ব্লগার ড: হেশাম ফিরোজী তার উকিলের মাধ্যমে সর্বপ্রথম বাইরে খবর দিয়েছেন যে ব্লগার ওমিদ রেজা মীর সায়াফি তেহরানের এভিন জেলে মারা গেছেন। তিনি বলেছেন যে তিনি জেল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছিলেন মৃতপ্রায় বন্দীকে হাসপাতালে নেয়ার ব্যাপারে কিন্তু তারা অস্বীকার করে।

হিউমান রাইটস ওয়াচ এর সংবাদ অনুসারে, হেশাম ফিরোজি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বন্দীদের বিশ্বস্ত চিকিৎসক হিসাবে কাজ করছেন যার মধ্যে আছে আহমাদ বাতেবি, আকবর গান্জি, আয়াতুল্লাহ বুরুজিরদি, আবুলফজল জাহান্দার, মৃত আকবর মোহাম্মাদি সহ আর আরো অনেকে।

বিদ্রোহী আদালতের ৬ষ্ট শাখা অনুসারে তার অপরাধ হল রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কাজসহ, জনসাধরণের মতামতকে উস্কিয়ে দেয়া, মিথ্যাচার ছড়ানো, রাজনৈতিক বন্দীদের আশ্রয় আর চিকিৎসা দেয়া।

ফিরোজি ১৫ মাসের জেল খাটছেন। জেলে যাওয়ার কিছুদিন আগে তিনি তার শেষ ব্লগ পোস্ট প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন যে তিনি ইরানের স্বাধীনতার আশা করেন আর তার মেয়ের একটা ছবি প্রকাশ করেন।

ডঃ হেশাম ফিরোজির সাত বছরের মেয়ে আভা নীচের কবিতাটি লিখেছে তাদের উদ্দেশ্যে যারা তার বাবাকে জেলে নিয়ে গেছে:

“আমরা আসল পৃথিবী চাই। এটা আমাদের আসল পৃথিবী না কারন এখানে অনেক সংঘর্ষ আছে। এখন ৫টা বাজে, কষ্ট দিয়ে শেষ। এই কবিতা আমার বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদকারীদের জন্য কারন আমি চাইনা তারা তাকে আবার গ্রেপ্তার করুক।”

একজন ব্লগার আর মানবাধিকার কর্মী, বেহজাদ মেহরানি তার নিজের ব্লগে আভার অন্য একটা চিঠি প্রকাশ করেছেন:

شاید در مدرسه به تو بیاموزند که زندان جای انسان های خطا کار است. به تو دروغ نگفته اند اما همه ی حقیقت را نیز نگفته اند. پدرت زندانی است چون انسانی شرافتمند است،

হয়তো স্কুলে তোমাকে শেখানো হয় যে যারা ভুল করে তাদের জায়গা হল জেল। তারা তোমাকে মিথ্যা বলেনি, কিন্তু তারা সত্যিটাও তোমাকে বোঝায়নি। তোমার বাবা বন্দী কারন উনি একজন সম্মানজনক ব্যক্তি।

ড: ফিরোজিকে সমর্থনের জন্য একটা পিটিশন শুরু করা হয়েছে। অনেক ব্লগার, মানবাধিকার কর্মী আর ছাত্র- সংস্থা এরই মধ্যে স্বাক্ষর করেছে।

দুই বছরের বেশী সময় আগে, ফিরোজি প্রায় তিন সপ্তাহের জন্য জেলে যান। তখন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল একজন পলাতক রাজনৈতিক বন্দীকে লুকানো আর বিদেশী মিডিয়াতে সাক্ষাৎকার দেয়ার।

মুক্তি পাওয়ার পরে জেলে তার অভিজ্ঞতা তিনি তার ব্লগে জানান সরকারী কর্তৃপক্ষের কাছে খোলা চিঠি দিয়ে। তিনি লিখেছিলেন যে তাকে একটা ১৫ থেকে ২০ বর্গ মিটারের কামরায় রাখা হয়েছিল যেখানে আরো ১৯ থেকে ২০ জন বন্দী ছিল। তিনি বলেছেন যে জেলের কিছু অংশে মাদক বিশেষ করে গাঁজা সহজে কিনতে পাওয়া যায়।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .