বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

জর্ডান: আরব প্রযুক্তি আবিষ্কারকদের জন্য ডেমো

গত মাসে আমি আরব ক্রাঞ্চ ডেমো এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। এর আয়োজনে ছিল আরব ক্রাঞ্চ ব্লগ নামে একটি পেশাগত ব্লগ যা আরব বিশ্বে প্রযুক্তির উদ্যোগের ব্যাপারে নিবেদিত এবং কুইন রানিয়া সেন্টার ফর অন্ত্রপ্রেনিউরশীপ (রাণী রানিয়ার উদ্যোগ সহায়তা কেন্দ্র) এর সহযোগিতায় রাজকুমারী সুমাইয়া প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিএসইউটি) গঠিত।

এটি উৎসাহব্যাঞ্জক ছিল যে তরুণ আরব প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। ই-স্পেস আর আল-খাওয়ারিজমি এর মতো প্রতিষ্ঠান মিশর থেকে, ইশকি আর মেইলপ্যাক্স জর্ডান থেকে, এবং আরো অল্প কয়েকজন তাদের প্রকল্প মঞ্চে উপস্থাপন করেছিল উৎসাহী শ্রোতাদের লক্ষ্য করে।

Arab Crunch
আরব ক্রান্চের সৌজন্যে

আরব ক্রাঞ্চের সম্পাদক ঘায়েত সাকের লিখেছেন:

আরব ক্রাঞ্চ ডেমোর প্রথম সংস্করণ একদিনের একটি অনুষ্ঠান ছিল যা ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ জর্ডানের আম্মানে সুমাইয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠান আরব বিশ্বের নতুন উদ্ভাবন করা প্রযুক্তি আর সেবাকে প্রকাশ ও প্রচার করার জন্য একমাত্র বিনামূল্যের প্লাটফর্ম। স্টার্ট আপ ডেমো ছাড়াও অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্যের সেশনে ছিল ই-মার্কেটিং, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল আর আইটি কোম্পানি থেকে আগত আঞ্চলিক আর বিশ্ববিখ্যাত বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য।

অনুষ্ঠানে জর্ডান থেকে ইশকি তাদের ওয়েবসাইটের ডেমো দেখিয়েছে। এটি প্রথম আরবী ওয়েবসাইট যার মাধ্যমে জর্ডানের মানুষ তাদের অভিযোগ বা চিন্তা অনলাইনে জানাতে পারবে আর সমাধান খুঁজতে পারবে। ওয়াবসাইটটি চাচ্ছে সরকারি, ব্যক্তিগত আর ব্যবসায়িক সমস্যার ক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিকদের কন্ঠ হতে। ইশকির সহ-প্রতিষ্ঠাতা আহমাদ খারবাত বলেছেন “আরব বিশ্বে কাজ করা প্রত্যেকটি কোম্পানির জন্য আমরা চ্যানেল যোগ করবো, যাতে মানুষ তাদের চিন্তা আর মতামত জানাতে পারে।” তিনি আরো আরব দেশের জন্য ওয়েবসাইটের স্থানীয় সংস্করণ যোগ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

মিশরের আলেকজান্ড্রিয়া থেকে ইস্পেসের সহ- প্রতিষ্ঠাতা হামদি খালিল দেখালেন উইনিয়ার নামে একটি লোকেশন বেইজড (স্থান সংশ্লিষ্ট) কাঠামো যা ইয়াহু এর ফায়ার ইগলের সাথে প্রতিযোগিতা করে। প্লাটফর্মটি ডেভেলপারদের লক্ষ্য করে করা যাতে তারা এর এপিআই ব্যবহার করে স্থান সচেতন মোবাইল প্রযুক্তি তৈরি করতে পারে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা যাবে আইফোন, এন্ড্রোয়েড আর সিম্বিয়ান প্রযুক্তিতে চালিত মোবাইলে।

অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়েছে সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী যেমন দ্যা কালচারাল কানেক্ট এর প্রতিষ্ঠাতা সুমাইয়া কাজী এবং দুবাইয়ের ই-মার্কেটিং এর প্রতিষ্ঠাতা আর সিইও খালেদ জাবাসিনিকে।

তারুণ্য উদ্ভাসিত আর উদ্বুদ্ধ করা বক্তব্য ছিল শেষ কি নোট যা পরিবেশন করেছিলেন সুমাইয়া কাজি। তিনি দ্যা কালচারালকানেক্ট এর নির্বাহী পরিচালক আর প্রধান সম্পাদক এবং ফরচুন ৫০০ কোম্পানি সান মাইক্রোসিস্টেমস এর সিনিয়র সোস্যাল মিডিয়া ম্যানেজার। তিনি কালচারালকানেক্ট তৈরিতে তার অভিজ্ঞতার কথা বলেন। সুমাইয়া উপস্থাপন করেন তিনি আগে সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এমন সফল ব্যবসায়ীদের যারা সফল স্টার্ট আপ শুরু করেন অন্যান্য সামাজিক মিডিয়া উদ্যোক্তাদের সাথে। তিনি উপস্থিত শ্রোতাদেরকে স্টার্ট আপের ৮টি সফল উপায় বলেন যার মধ্যে ছিল “নিজের থেকে বুদ্ধিমান লোক আর যারা মহান চিন্তার উপরে বসে থাকে তাদের দ্বারা নিজেকে ঘিরে রাখুন, তাদের একজন হবেন না।”

এই অনুষ্ঠান যা ৩০০ এর বেশী অংশগ্রহনকারীকে আকৃষ্ট করেছিল আর শেষ হয়েছে উল্লেখিত স্টার্টাপের আর দর্শকের পক্ষ থেকে উৎসাহ আর উদ্দীপনা নিয়ে। অনুষ্ঠান শেষে সাকির বলেছেন যে তিনি পরিকল্পনা করছেন আগামী কয়েক মাসে বা আগামী বছরে ডেমোর আর একটা সংস্করণের আয়োজন করতে। তিনি কথা দিয়েছেন যে পরের অনুষ্ঠানটি আরো বড় হবে আর আরব বিশ্বের প্রযুক্তির স্টার্টআপগুলোর জন্য আরো বড় সুযোগ উন্মোচিত হবে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .