বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

কঙ্গো ডে. রিপাবলিক: আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত সহসাই হতে পারে

স্থানীয় বেতার কবর দিচ্ছে যে গোমার নিকটস্থ নায়ামুলাগিরা আগ্নেয়গিরি বেশ জীবন্ত হয়ে গেছে যা নির্দেশ করছে আসন্ন অগ্ন্যুৎপাতের। সেডরিক ক্যালোঞ্জি আগেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারন সম্পর্কে একজন প্রতিবেশীর দেয়া তত্ত্ব তুলে ধরেন:

Bien que la ville de Goma ne soit pas directement menacée, tout le monde s’y prépare. Face aux éruptions volcaniques et aux dégâts qu’elles entraînent, chacun a sa théorie. La plus folle, c’est celle d’un de mes voisins, un vieillard qui a vécu plusieurs éruptions. « Les ancêtres sont mécontents, il faut trouver un moyen de les calmer », affirme-t-il. Le vieux va jusqu’à qualifier de maudit le quartier Office, le plus touché lors de l’éruption du Nyarangongo du 17 janvier 2002. « Ce quartier a été totalement rasé et englouti par la lave à cause de la prostitution, des vols, escroqueries, et autres dépravations de mœurs qui y avaient élu domicile. Cela ne plaisait plus aux ancêtres, d’où la décision de le nettoyer », soutient-il.

গোমা অঞ্চল সরাসরি হুমকির মুখে না থাকলেও সবাই নিজেদের প্রস্তুত রাখছে। আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এর ফলে যে সব ক্ষতি হতে পারে সে বিষয়ে সকলের নিজস্ব তত্ত্ব আছে। আমার প্রতিবেশীদের মধ্যে বহু অগ্ন্যুৎপাত দেখেছে এমন একজন বৃদ্ধ দিয়েছে সবচেয়ে উত্তেজনা পূর্ণ তত্ত্ব। “আমাদের পূর্বপুরুষেরা অতৃপ্ত, তাদের শান্ত করার উপায় খুঁজতে হবে”, সে বলে। বৃদ্ধটি এই অভিশাপের কারন ব্যাখ্যা করতে বহু আগের ঘটনায় চলে যায় – আশেপাশের এলাকা সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২০০২ সালের ১৭ই জানুয়ারী নারায়ণগঙ্গার অগ্ন্যুৎপাতে। “ঐ পাশ্ববর্তী এলাকা বেশ্যাবৃত্তি, জোচ্চুরি, প্রতারণা এবং অন্যান্য নৈতিক অবক্ষয়ের জন্য লাভার দ্বারা সম্পূর্ণ বিদ্ধস্ত হয়ে যায়। এসব অনাচার পূর্বপুরষদের তৃপ্ত করেনা এবং সে জন্যেই শুদ্ধির নির্দেশ আসে সেখান থেকে”, সে বলে।

Suivant le raisonnement de ce vieux voisin, je me pose une question : Si ces ancêtres existent réellement et s’ils peuvent punir ceux qui se comportent mal , pourquoi n’interviennent-il pas afin d’alléger un tant soit peu la souffrance de cette population ?

এই বৃদ্ধ প্রতিবেশীর বিবৃতির কারনগুলো অনুসরণ করে, আমি আমার নিজেকে একটি প্রশ্ন করি: যদি সেইসকল পূর্বপুরুষ সত্যি থেকে থাকে এবং যদি তারা তাদের শাস্তি দিতে পারে যারা খারাপ আচরণ করে, তাহলে কেনো তারা একটু হলেও সেইসব মানুষের কষ্ট লাঘব এ সহায়তা করে না?

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .