বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

জাপান: হে জ্বরের সময় এসেছে

যদি এমন হতো যে বাতাসে শুধু ভালোবাসা থাকতো। বসন্ত ধীরে ধীরে আসছে, আর জাপানী সেডার গাছ থেকে পরাগরেণু ভাসছে। জাপানে আনুষ্ঠানিকভাবে কাফুনশো (হে জ্বর) ঋতু শুরু হয়েছে। পড়ে থাকা ভ্যালেন্টাইনের চকোলেট একধারে করা হয়েছে দোকানে কাফুনশো সংশ্লিষ্ট জিনিষের জন্যে জায়গা করতে: টিস্যু, ডাক্তারি মুখোশ, মিন্টের ফোটা আর আরো অনেক কিছু।

পুরানো রুগীরা তাদের ঔষধ এনে রাখে আর নতুনরা প্রত্যেক হাঁচি পরিক্ষা করে এই ভেবে যে এই বছরে তার ‘কাফুনশো শুরু’ হবে কিনা।

মুখোস পরা
“হে জ্বর ঋতু শুরু হয়েছে” কালান্দ্রাকাস এর তোলা ছবি

অনেক হিসাব আছে যে জনসংখ্যার কত ভাগ কাফুনশোতে আক্রান্ত হয়- সংখ্যাটি ১৫-৩০% এর মধ্যে ওঠানামা করে আর বড় শহরে বেশী দেখা যায় এটি। অর্থনীতির উপরে কাফুনশোর প্রভাব বেশ জোরালো বলে শোনা যায়” দায়-ইচি জীবন গবেষনা ইন্সটিটিউট এর একটা জনপ্রিয় রিপোর্ট অনুসারে কাফুনশো জিডিপির বাড়ার হার ০.৬% কমিয়ে দিয়েছিল ২০০৫ সালে। ব্যক্তিগত খরচ কমে যায় এ রোগের প্রকোপ হলে কারন মানুষ ঘরের ভিতরে থাকতে চায় আর মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা কমে যাওয়ার কাজের ক্ষমতা হ্রাস পায়।

১৩ই ফেব্রুয়ারি আবহাওয়া এজেন্সি ঘোষণা দিয়েছিল বছরের প্রথম জোরালো দক্ষিণা বাতাস “হারু ইচিবান” যা বাতাসের আগমনী জানায় তার আসার খবর। অনেক ব্লগার কাফুনশোর আগমনকে ভয়ের সাথে দেখছিলেন।

ইটারনাল নেম এর একটা ব্লগ পোস্ট তার উদাহরণ:

今年もこの時期がやってきました。一年間で最も憂鬱になる時期が春、花粉症の時期です。目だけ、鼻だけ、両方の人といるみたいですが、俺は両方なんでかなり辛いです。また目薬、マスク、漢方薬、ヨーグルト、色々と買い集めないといけないな…。

এখন বছরের ওই সময় আবার। আমার জন্য বছরের সব থেকে মন খারাপ করা ঋতু – কাফুনশোর সময়। কিছু মানুষ নাক বা চোখে আক্রান্ত হয়, কিন্তু আমার দুইটাই হয় আর এটা সহ্য করা বেশ কঠিন। আমাকে বাইরে গিয়ে চোখের ড্রপ, মুখোশ, ঔষধ, দই কিনতে হবে…

উচ্চ মাধ্যমিক ছাত্রী মিজুকা ইউকিজাওয়া, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিক্ষার জন্য পড়ছে, হাহাকার করেছেন:

もう花粉飛んでるのか・・・ずーん。
もし入試の日に花粉酷かったら泣きますよ。
花粉症の人はそれを考慮してもらえるとかないんですかね。
この世界で花粉症じゃないってもう凄いアドバンテージだろうな。

এরই মধ্যে পরাগরেণু উড়ছে… আমি কাঁদবো যদি আমার পরীক্ষার দিন এর প্রকোপ আরও বেশী হয়। যদি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কাফুনশোকে বিবেচনায় নিত। কাফুনশো থেকে না ভোগা পৃথিবীতে থাকা কতো বড় সুবিধার হতো…

সো এর মন খারাপ কিন্তু একে সে মেনে নিয়েছে:

2年前からこの季節に外に出ると、目がしょぼしょぼすると思っていたのだが、今年も先日外に出た時に同様の症状になった。折しも花粉飛び始めの日。考えたくないので考えていなかったが、やっぱり花粉症か。

দুই বছর আগে, আমি যখনি এই সময়ে বাইরে যেতাম আমার চোখে পানি চলে আসত। এই বছরও এমন হলো, আর ঠিক যে দিন পরাগরেণু ওড়া শুরু হলো। আমি এটা নিয়ে চিন্তা করিনি কারন আমি এটাকে হিসাবে নিতে চাইনি, কিন্তু আমার এখন মনে হয় এটা অবশ্যই কাফুনশো।

চিরো মামা ভাবছেন যে তার কুকুরের কাফুনশো হয়েছে কিনা। ইয়ুমিইয়ুমি ব্যাখ্যা করেছেন দই এর প্রভাব সম্পর্কে যে বিশ্বাস সেটাকে। উসাবুতা যে ঔষধ তিনি এই বছর ব্যবহার করবেন তা সম্পর্কে জানিয়েছেন আর ফলাফল জানাবার কথা দিয়েছেন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .