বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

সুদান: দারফুর গণহত্যার উপরে অপরাধীদের ভিডিও স্বীকারোক্তি

এজিস ট্রাস্ট কর্তৃক সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ভিডিও দেখিয়েছে চারজনের স্বীকারোক্তি যারা জানিয়েছে তারা দারফুরের সংঘর্ষ আর গণহত্যায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করেছে, আর যারা এটাকে গণহত্যা বলে অভিহিত করতে ভীত না। দ্যা হাবে ভিডিওটি আপলোড করা হয় আর আশা করা হচ্ছে যে তথ্যকে প্রচারের জন্য মানুষ এটাকে অন্যদের কাছেও পাঠাবে:

এই লোকরা- যাদের পরিচয় ঘোলাটে- ভূতপূর্ব সুদানী সেনা আর জাঞ্জাউইদ মিলিশিয়ার ভূতপূর্ব সদস্য: একজন সুদান সেনার বেতনে সিনিয়র অফিসার ছিলেন, একজন উচ্চপদস্থ জাঞ্জাউইদ কমান্ডার, আর একজন জাঞ্জাউইদ পদাতিক সেনা, আর শেষের জন সুদানী সেনা।

ভিডিওতে আপনি ওদের স্বীকারোক্তি শুনতে পাবেন যে কি করে সুদানী সরকার জাঞ্জাউইদ মিলিশিয়াদের নিযোগ করেছিল, তাদেরকে অস্ত্র আর সাপ্লাই দিয়েছিল আর যখনি তারা গ্রামে হামলা করতো, সরকার তা ধামাচাপা দিত আর জানাতো যে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সেনা আক্রমণ হয়েছে, সাধারণের বিরুদ্ধে মিলিশিয়ার আক্রমণ এটা না।

ভিডিওটা জার্মান, আরবী আর ফরাসী সাবটাইটেলসহ আছে।

হিউমান রাইটস ফার্স্ট সম্পর্কে এজিস ট্রাস্টের প্রেস রিলিজ অনুসারে, এই ভিডিও আন্তর্জাতিক ক্রিমিনাল কোর্টের সুদানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ওমর আল-বাশিরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে সাহায্য করতে পারে:

২০০৩ থেকে, দারফুরে অন্তত ৩ লাখ সাধারন মানুষ মারা গেছে আর কোটি কোটি জন তাদের বাড়ী ঘর থেকে স্থানচ্যুত হয়েছে, অনেকে ‘জাঞ্জাউইদ’ (ঘোড়ার পিঠে শয়তান) নামে মিলিশিয়ার হাতে। বার বার বেঁচে যাওয়ারা বলেছেন- আর আন্তর্জাতিক অব্জারভাররা নিশ্চিত করেছেন- তারা যখন হত্যা, ধর্ষন, লুট আর গ্রামের পরে গ্রাম পুড়িয়েছে, জাঞ্জাউইদকে সুদানী সেনা আর বিমান বাহিনী সহায়তা করেছে। তারপরো সুদানী সরকার লাগাতার দারফুরের অনাচারের দায় অস্বীকার করেছে আর আজ পর্যন্ত, বলে যে জাঞ্জাউইদের সাথে তাদের কোন সম্পর্ক নেই।

তবে এই চলচিত্রের অংশগ্রহনকারীরা – যারা জনসম্মুখে হয়তো প্রথমবার কথা বলছে- অন্য একটা গল্প শুনিয়েছে।

ভিডিওটা এখানে দেখা যাবে:

থাম্বনেইল ছবি ব্যবহার করা হয়েছে নিকোলাস রোস্ট/ইউএনএইচসিআর এর সৌজন্যে যা এইচডিপিটিসিআরে আপলোড করা হয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .