বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

অ্যার্ন্টাকটিকা: বিশ্বের সবচেয়ে শীতলতম স্থান থেকে ল্যাটিন আমেরিকার ব্লগাররা

সম্পাদকের নোট: এই পোষ্টটি দুই খন্ডে লিখিত। এর প্রথম খন্ডের লেখাগুলো ল্যাটিন আমেরিকান ব্লগার লিখেছে অ্যার্ন্টাকটিকায় বসে।

চারপাশে জমে থাকা বরফ দেখে অ্যার্ন্টাকটিকাকে কেউ হয়তে ভাবতে পারে যে সেখানে ব্লগার খুঁজে পাওয়ার একেবারে অসম্ভব। তবে বেশ কিছু ল্যাটিন আমেরিকান ব্লগার সেখান তাদের ভ্রমণ ও কাজের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছে, সেই এক বিচ্ছিন্ন মহাদেশের কথা।

এদের কেউ সরাসরি অ্যার্ন্টাকটিকা থেকে লিখেছে। সেখান থেকে তাদের ছবি, ভিডিও পোস্ট করেছে। পাঠকদের বিষয়গুলো মনে করিয়ে দেয় যে তারা ঘর থেকে অনেক দুরে। অন্যরা অবশ্য দক্ষিণ আমেরিকার মহাদেশ থেকে ফিরে এসে নিজেদের ব্যক্তিগত ও গ্রুপে ব্লগ লেখার জন্য অপেক্ষা করেছে।

অ্যার্ন্টাকটিক ব্লগস্ফেয়ারে বেশ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি ছিল। চিলি তাদের চিলিয়ান এ্যার্ন্টাটিক ইনিস্টিটিউট (স্প্যানিশ ভাষায়) ওয়েবসাইট ছাড়াও তাদের অ্যার্ন্টাকটিকা এয়ার বেস প্রেসিডেন্ট ই.ফ্রাই এম (স্প্যানিশ ভাষায়) ব্লগের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই ব্লগে কেবল একটি মাত্র লেখা পোস্ট করা হয় এবং এই ব্লগ প্রধানত: রেডিও যোগাযোগ মাধ্যমের প্রতি উৎসর্গকৃত। টেরা অস্ট্রালিস ইন্কগনিটা ব্লগের মাধ্যমে রবার্ট ব্রাভো ভিডাল অ্যার্ন্টাকটিকা সমন্ধে তথ্য ও সংবাদ প্রদান করছেন।

পেরু প্রায় ২০ বছর যাবত মাচুপিচ্চু সায়েন্টিফিক বেস থেকে কাজ করে যাচ্ছে এবং গবেষণা করে যাচ্ছে। এই সেন্টারের প্রশাসনিক দায়িত্বে রয়েছে পেরুভিয়ান অ্যার্ন্টাকটিকা ইন্সিস্টিটিউট (স্প্যানিশ ভাষায়) এবং যার পুর্ণাঙ্গ বৃত্তান্ত তৈরী করা হয় ব্লগ ভিদা ইয়ে ফিউচুরোতে। সবশেষে পেরুর চলচিত্র নির্মাতা হুমবার্তো সাকো তার নিজের ব্লগে এক তথ্যচিত্র প্রকাশিত করেছে অ্যার্ন্টাকটিক মহাদেশে পেরুর উপস্থিতি সমন্ধে (স্প্যানিশ ভাষায়)।

উরুগুয়ের এমন অনেক ব্লগার রয়েছেন যারা অ্যার্ন্টাকটিকার প্রতি উৎসর্গকৃত। এর মধ্যে একজন নিজেকে অ্যার্ন্টাকটিক ফিলিংস (স্প্যানিশ ভাষায়) বলে ডাকেন। তিনি এই মহাদেশকে নিয়ে তার লেখা কবিতা প্রকাশ করেছেন। অন্য আরেকজন তার ব্লগের নাম দিয়েছেন অ্যার্ন্টাকটিক এসোসিয়েশন (স্প্যানিশ ভাষায়)। উভয় অবশ্য বরফের চারপাশে বসে লেখা লেখেন না, কিন্তু অভিযাত্রিক দলের সাথে অ্যার্ন্টাকটিক ভ্রমন সেরে এসেছেন। এ্যান্টারকোস ২৩ (স্প্যানিশ ভাষায়)ও এ্যান্টারকোস ২৫ (স্প্যানিশ ভাষায়) নামের দুটি অভিযান কিছুদিন আগে সম্পন্ন হয়। এখানে এক কৌতুহলজনক বস্তু (স্প্যানিশ ভাষায়) যাকে বলা হয় আইস প্রিজম তার বর্ণনা দেওয়া হচ্ছে।

Ice Prism
আইস প্রিজমের ছবি এ্যান্টারকোস ২৩ এর তোলা এবং অনুমতি নিয়ে প্রকাশিত

En la noche del 5 de setiembre de 2007, tuvimos el privilegio de observar un Hidrometeoro poco común, llamado “Prisma de hielo”. Este fenómeno consiste en la precipitación de cristales de hielo que tienen forma de agujas, placas o columnas, normalmente muy tenues y que dan la sensación de estar en suspensión en la atmósfera los cuales al observarlos sobre un foco de luz, producen reflejos como el que se aprecia en la foto. Estos cristales de hielo pueden caer de una nube o con una situación de cielo despejado y se producen a temperaturas inferiores a -10ºC.

২০০৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসের পাঁচ তারিখে আমাদের এক অস্বাভাবিক দৃশ্য দেখার সুযোগ হয়। এটি হলো হাইড্রোমিটার বা বরফের এক অবস্থা যাকে আইস প্রিজম নামে ডাকা হয়। এই ঘটনা ঘটে তখন যখন বরফের জলকনা (কুয়াশা) সুইয়ের মত স্বচ্ছ ছোট্ট বরফ টুকরা বা বড় আকার ব্লকস বা কলামে পরিণত হয়। এটি সাধারণত খুব হালকা হয় এবং বিশেষ আবহাওয়ায় তা নীচে নেমে আসে। একটা হালকা আলোর বাল্বের ভিতর দিয়ে তাকালে এটি একটি প্রিজমের মত প্রতিচ্ছবি তৈরী করে, যা উপরের ছবির মধ্যে দিয়ে দেখতে পাবেন। এই ধরনের আইস ক্রিস্টাল বা স্বচ্ছ বরফ মেঘের থেকে অথবা পরিস্কার আকাশ থেকেও পড়তে পারে। এই ঘটনা ঘটে যখন তাপমাত্র -১০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে নেমে আসে।

উরুগুইয়ান ভাল্ডেমার ফন্তেস নামক দ্বিতীয় ব্লগে জানা যাচ্ছে যে এই অভিযান কর্মীরা কিভাবে আর্টিগাস সাইয়েন্টিফিক বেইজে বড়দিন উদযাপন করেছে

Christmas dinner
আর্টিগাস সায়েন্টিফিক বেস-এ বড়দিনে ডিনার করার ছবি। এই ছবিটি এ্যান্টারকোস ২৫ দল কর্তৃক তোলা এবং অনুমতি নিয়ে ছাপানো হলো

El 24 de diciembre de 2008, la dotación Antarkos 25, más un grupo de científicos alemanes y uruguayos, celebramos la Navidad en familia. Compartimos una cena con turrones, pan dulce y tortas alemanas y degustamos un delicioso lechón al horno. A las doce la noche, sin distinción de origen o nacionalidades, levantamos las copas y brindamos. Lo mejor de la velada, fue la llegada de Papá Noel, que viajando en la pala del tractor de la Base, llegó hasta nuestro comedor y uno a uno, fue entregando regalitos a quienes se habían portado bien.

২০০৮ -এর ডিসেম্বরের ২৪ তারিখে এ্যান্টার্কোস ২৫ নামের অভিযাত্রীর দলটি যাদের অ্যার্ন্টাকটিকাকে বড়দিন উদযাপন করেন। দলটির মধ্যে মধ্যে জার্মান এবং উরুগুয়ের বিজ্ঞানীরা ছিলেন। তারা একটি পরিবারের মতো করে এই উৎসব উদযাপন করেন। আমরা ভাগাভাগি করে রাতের খাবার খাই। এর মধ্যে ছিল ঐতিহ্যবাহী ক্যান্ডি, মিষ্টি পাউরুটি, জার্মান কেক, এবং সুস্বাদু ওভেনে সেঁকা শুকরের মাংস। ঠিক রাত ১২ টায় কোন ব্যক্তি শেকড় বা জাতীয়তার পার্থক্য ছাড়াই আমরা আমাদের কাপ ও টোস্টগুলো তুলে ধরলাম। এই অনুষ্ঠানের সবচেয়ে সেরা দিকটি ছিল সান্তাক্লজের আগমন। তার কাজের মধ্যে ছিল ঘাটির একটি ট্রাক্টরে চড়ে বরফ ফেলার বেলচা নিয়ে ঘোরা, আমাদের খাবার ঘরে আগমন এবং যারা ভালো ছিল একে একে তাদেরকে উপহার বিতরন করা।

দ্বিতীয় পর্বে থাকবে আর্জেন্টিনার ব্লগারদের অ্যার্ন্টাকটিকা সমন্ধে অভিজ্ঞতা যা পরবর্তী সপ্তাহে প্রকাশিত হবে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .