বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মিশর: আরো কর্মী এবং ব্লগার গ্রেফতার

philipমিশরের ব্লগাররা ক্রমাগত পুলিশ ও কতৃপক্ষের টার্গেটে পরিণত হচ্ছেন। এক সপ্তাহের কম সময়ে আরো দুজন ব্লগার গ্রেফতার হয়েছেন। আমাদের প্রথম গল্পটির শুরু যখন মিশর, আমেরিকা, বৃটেন, স্পেন, প্যোলান্ড ও ফ্রান্স থেকে আগত ১৪ জনের একদল কর্মী গাজার দিকে যাত্র শুরু করে। তাদের এই যাত্রারা উদ্দেশ্য ছিল প্যালেস্টাইনের প্রতি একত্বতা প্রকাশ করা। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী এই যাত্রা ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং কর্মীদের আটক করে। এই সব কর্মীদের মধ্যে কিছু বিদেশী সাংবাদিকও ছিল। তাদের কায়রোয় একটি বাহনে উঠিয়ে নেওয়া হয়। তারপর তাদের কোন মরুভূমি এলাকা অথবা পুলিশ থানায় নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

গ্রেফতারকৃত সকল কর্মীকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, ব্যাতিক্রম কেবল মিশরীয়- জার্মান কর্মী ও ব্লগার ফিলিপ রিজক। কতৃপক্ষ তাকে কোন অভিযোগ ছাড়াই গ্রেফতার করে। কাউকে জানানো হয়নি সে কোথায় আছে। তাকে তার আইনজীবি, পরিবার ও বন্ধুদের সাথে দেখা করা বা কথা বলার কোন সুযোগ দেওয়া হয়নি।

বেশি দিন আগের কথা নয় পুলিশ ফিলিপের বাবা ম্যাগডি রিজকে তাদের সাথে নিয়ে যেতে চেয়েছিল, কিন্তু তিনি তাদের সাথে যেতে অস্বীকার করায় জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনী প্রকৃতপক্ষেই ফিলিপদের বাসা ভেঙ্গে দেয়।

durabi

এ সমন্ধে আরো তাজা খবর জাইকুতে পোষ্ট করেছেন দ্রুবি

রিজকে কিডন্যাপ করার ঘটনাটি সমন্ধে বিস্তারিত পড়তে পারবেন একজন প্রত্যক্ষদর্শী সারা কার এর লেখায়। এবং প্রতিদিন এ সমন্ধে হালনাগাদ তথ্য ও অন্য ঘটনা সমন্ধে জানতে পারবেন। এর জন্য দেুখন ডিলিসিয়াস বুকমার্ক, বেনহোয়াইট, ফ্রি ফিলিপ ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক গ্রুপ। আরো হালনাগাদ সংবাদ পেতে পারেন টুইটার থেকে এখানে

প্যালেস্টাইনী ব্লগার লায়লা এল হাদাদ, রিজক -এর গ্রেফতার হওয়া নিয়ে মন্তব্য করেছে।

এখানে সবচেয়ে খারাপ ধারণা তৈরী হচ্ছে কারণ গ্রেফতার হবার সময় ফিলিপ একাই ছিল না। প্রতিদিন প্রায় ডজনখানেক করে প্রতিবাদকারী গ্রেফতার হয়। তাদের সেখান থেকে অজানা জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের উপর মিশরীয় গুপ্ত পুলিশ নির্যাতন করে। সম্প্রতি ঘটা এক ঘটনা যেটি গত সপ্তাহেই ঘটেছিল, সেদিন মুসলিম ব্রাদ্রারহুড নামের এক সংগঠনের ৫০ জন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। গাজা বিষয়ক শোভাযাত্রার শেষে তাদেরও ধরা হয়। আর গতমাসে ধরা হয়েছিল ৫০০ জনকে।

কারিম আতেভ (আরবী ভাষায়) এবং আরব নেটওয়ার্ক ফর হিউম্যান রাইট ইনফরমেশন এবং গ্লোবাল ভয়েস এ্যাডভোকসির মতে দ্বিতীয় দফা গ্রেফতার এর সময় দিয়া গাদ-কে টার্গেট করা হয়। তাকে ফ্রেবুয়ারীর ৬ তারিখে তার বাসা থেকে আটক করা হয়।

মিশরীয় পুলিশ ব্লগারদের আক্রমন করছে এবং গ্রেফতার করছে বা অপহরন করছে।

যারা গাদের বাসা ভেঙ্গে হামলা চালিয়ে ঢোকে, তারা বাসায় ঢোকার আগে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর মালিকানাধীন গাড়িতে বসে ছিল। দিয়াউদ্দিন গাদ ছিলেন সোয়াত গাদিব বা একটি রাগত স্বর নামের ব্লগের লেখক (http://soutgadeb.blogspot.com )। পুলিশ এখনও জানায়নি তাকে আটক করার পিছনে কি কারন ছিল অথবা কখন তাকে আটক করা হয়।

মিশরীয় কর্মী এবং ব্লগার এখন রিজক এবং গাদ এর মুক্তির দাবীতে নতুন নতুন ভাবে আওয়াজ তুলেছে এবং তাদের পেছনে অন্য ব্লগাররাও আছে। তারা এই কাজটি করছে এক নতুন এবং সৃষ্টিশীল ভাবে। তারপরেও ঘটনা একই রকম রয়ছে এবং ব্লগারদের উপর আক্রমন চলছেই।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .