বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

সিঙাপুরে চিকুঙ্গুনিয়া রোগ

গত বছরে সিঙাপুরে ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ কমেছে কিন্তু চিকুঙ্গুনিয়া রোগ রেড়েছে। গত মাসে আরও চিকুঙ্গুনিয়া রোগীর খবর পাওয়া গেছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সাপ্তাহিক ছোঁয়াচে রোগ সংক্রান্ত বুলেটিনে এর সত্যতা স্বীকার করা হয়েছে।

এখন ধারনা করা হচ্ছে যে সিঙাপুরে চিকুঙ্গুনিয়া রোগ ছোঁয়াচে আকারে ছড়াতে পারে:

এবছর সিঙাপুরে স্থানীয়ভাবে ছড়ানো চিকুঙ্গুনিয়া রোগের প্রকোপ ছোঁয়াচে রোগ সংক্রান্ত গবেষকদেরও চিন্তিত করেছে। যদিও কেউ এই রোগে মারা যায়নি, কিন্তু ডেঙ্গু রোগের চেয়েও এই রোগ দ্রুত রোগীর অবস্থাকর অবনতি ঘটাতে পারে। এই রোগ মহামারীর মত ছড়িয়ে পরার আশংকা রয়েছে কাজেই বোঝা যাচ্ছে যে এটি সহজে যাবার নয়।


দ্যা গিগামোল ডায়রিজ
অবশ্য চিন্তিত নয় যদি এটি আদতেই মহামারীর মত ছড়ায়:

ডেঙ্গু এবং চিকুঙ্গুনিয়া রোগের মধ্যে বেশ কিছু সাদৃশ্য রয়েছে, তাই সন্দেহ থাকা উচিৎ নয় যে এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলের মত এই রোগ সমাজে গেড়ে বসবে না। সিঙাপুরে এটিকে মহামারী ঘোষণা করাটি সময়ের ব্যাপার মাত্র।

আমাকে কি এটি চিন্তিত করে? না, কারন ডেঙ্গুর মত এটি মারনঘাতি নয়। আমরা যদি সিঙাপুরে মশার উপদ্রব কমাতে পারি তবে উভয় রোগকেই ঠেকাতে পারব।

চিকুঙ্গুনিয়া রোগে আক্রান্ত হবার পর সিঙাপুর এক্সপ্যাটকে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল:

তেমন জটিলতা ছাড়াই আমি হাসপাতালে খর্তি হতে পেরেছিলাম এবং ডেঙ্গু আর চিকুঙ্গুনিয়া উভয় রোগকেই সন্দেহ করা হচ্ছিল। যদিও এদের কোনটিই অপরটি থেকে কম যায় না, আমি সান্তনা পেয়েছিলাম এই ভেবে যে আমার চিকুঙ্গুনিয়া হয়েছে, ডেঙ্গু হয় নি। জ্বর ছিল ৩-৪ দিন কিন্তু হাড়ের গিট ফোলা এবং শরীরে ঘায়ের মত ছিল আরও বেশ কিছু দিন। আমর মনে হয় আরও এক দুই সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে পুরোপুরি সুস্থ হবার জন্যে।

মালয়েশিয়ায়ও চিকুঙ্গুনিয়া রোগ দেখা গেছে। পুরো দক্ষিণ এশিয়া ধরেই এর প্রকোপ দেখা গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের রিপোর্টে বলেছে:

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বেশ কিছু দেশে চিকুঙ্গুনিয়া রোগের প্রকোপ দেখা গেছে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক দুর্বলতা এবং গণস্বাস্থ্য ব্যবস্থার অপ্রতুলতার কারনে এই রোগ বেড়েই চলেছে। এখন প্রয়োজন হয়ে পড়েছে জাতীয়ভাবে একে মোকাবেলা করা এবং বিভিন্ন উপায়ে এর প্রসার বন্ধ করা। এই ছোঁয়াচে রোগকে থামানোর জন্যে সমাজের লোকদের সচেতনতা ও এগিয়ে আসা জরুরী।

থাম্বনেইল ছবিটি নেয়া হয়েছে জেমস জর্ডানের ফ্লিকার পাতা হতে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .