বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

কঙ্গো ডে. রিপাবলিক: কিনশাশায় একটা ‘গুমোট’ ক্রিসমাস

Kinshasha

সেড্রিক কালোন্জি কিনশাশায় তার গুমোট ক্রিসমাসের কথা জানিয়েছেন:

Pour la première fois, j’ai vécu un Noël tranquille à Kinshasa. Pas de guirlandes dans les rues, aucune décoration, pas de musique, bref rien. Les habitants de ma ville natale semblent fatigués et rompent avec l’habitude de se dépasser pour célébrer avec faste la nativité. Dans mon quartier, la SNEL a eu la magnifique idée de nous priver d’électricité. Décidés à faire la fête malgré tout chez moi, nous avons donc renoué avec notre bonne vielle méthode de cuisson des aliments au feu de bois. Pour la musique, mon voisin a utilisé la radio de sa voiture.

প্রথমবারের মতো আমি একটা চুপচাপ ক্রিসমাস কাটিয়েছি কিনশাশায়। রাস্তা কোন মালা দিয়ে সাজানো নেই, কোন ধরনের সাজানোই না, কোন বাজনা না, এক কথায় কিছুই নেই। আমার শহরের বাসিন্দাদের মনে হলো সবাই মিলে বাইরে গিয়ে যিশুর জন্মদিনের বৈভব পালন করতে গিয়ে ক্লান্ত আর কপর্দকহীন। আমার এলাকায়, স্নেল [বিদ্যুত কোম্পানি] এর চমৎকার বুদ্ধি এসেছিল বিদ্যুত সংযোগ কেটে দেয়ার। আমার বাড়িতে সব কিছু সত্ত্বেও আমরা উৎসব করতে সিদ্ধান্ত নেই, আর তাই আমরা রান্না করি পুরোনো উপায়ে, কাঠের আগুন ব্যবহার করে। বাজনার জন্য, আমার পড়শী গাড়ীর রেডিও ব্যবহার করে।

Je me souviens des années de mon enfance où les parents étaient obligés d’acheter des vêtements neufs à leurs enfants et de leur offrir des cadeaux pour Noël. En ce qui concerne la bouffe, le 25 décembre, c’était l’occasion de changer les habitudes culinaires et d’offrir des plats spéciaux à la famille. Les choses se passent différemment aujourd’hui. La pauvreté qui touche la majorité des foyers congolais change les habitudes. Ce qui me surprend c’est que les congolais, ne se plaignent toujours pas.

আমার মনে আছে আমি যখন বাচ্চা ছিলাম, আমার বাবা মাকে বাচ্চাদের জন্য নতুন কাপড় কিনতে হতো আর তাদেরকে ক্রিসমাসের জন্য উপহার দিতে হতো। খাবারের ব্যাপারে, ২৫ এ ডিসেম্বরের রোজকার খাবারের অভ্যাস থেকে বেরিয়ে পরিবারে উন্নত খাবার রান্না করা হতো। আজকে পরিস্থিতি আলাদা। বেশীরভাগ কঙ্গোলীজ পরিবারকে যে দারিদ্রের সম্মুখীন হতে হচ্ছে তা আমাদের জীবনধারণকে পাল্টিয়ে দিয়েছে। আমাকে যা অবাক করে তা হলো যে আমরা কঙ্গোবাসীরা এখনো অভিযোগ করছি না।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .