বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মেক্সিকো: জুতাপালিশওয়ালা ব্যবসা বাড়ানোর জন্য ইউটিউব ব্যবহার করছেন

সম্পাদকের মন্তব্য: মেক্সিকোর মন্টারের জুতাপালিশওয়ালার এই ছবি তুলেছেন ইসসা ভিলারিয়েল। এই জুতাপালিশওয়ালা নিজের প্রচারণা করছেন ইউটিউব দ্বারা এবং সংবাদটি প্রথম প্রকাশ হয়েছিল ওচো কুয়েরতুস ব্লগে। ইসসা এটা নিয়ে লিখেছেন তার নিজের ব্লগে যেখানে তিনি জুতাপালিশওয়ালার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করেছেন তার ব্যবসার সাহায্যের জন্য নাগরিক মিডিয়া ব্যবহারের ব্যাপারে। এটা একটা ভাষান্তর আর লেখকের অনুমতি নিয়ে প্রকাশিত।

mexico shoeshiner
ছবি ইসসা ভিলারিয়েলের সৌজন্যে। সাইনবোর্ডে লেখা আছে “ইউটিউব বা গুগলে সার্চ করুন ‘দুই ব্রাশসহ জুতাপালিশওয়ালা’ শব্দগুলো দিয়ে”।

মেক্সিকোর শহরতলী মন্টারেতে জুতাপালিশওয়ালা জুয়ান লুনাকে চেনা সহজ। এস্কোবেদো আর পাদ্রে মিয়ারের সংযোগস্থলে অবস্থিত তার কাজের জায়গায় একটি ছোট সাইনবোর্ড আছে যা যাতাযাতকারীদেরকে আমন্ত্রন জানায় ইউটিউব আর গুগুলে তার ভিডিও দেখার জন্য যেটার নাম, ”দুই ব্রাশসহ জুতাপালিশওয়ালা।”

“এটা আমার চিন্তা,” সে ব্যাখ্যা করলো একজন খদ্দেরের কাজ করতে করতে। ”ধারণাটা হলো বেশী লোকের কাছে পৌঁছানোর জন্য নিজেকে তুলে ধরা। পুরোনো রীতি থেকে বেরিয়ে আসা।”

জুয়ান সব্যসাচী; সে দুই হাতে দুইটা ব্রাশ নিয়ে প্রত্যেকটা দিয়ে জুতা পালিশ করে। সে নিজেকে যোগ্য আর উদ্ভাবন শক্তি সম্পন্ন মনে করে: সে পালিশে টেফ্লন যুক্ত করে যাতে জুতা থেকে পানি আর ধুলা পিছলে পড়ে যায়। এইভাবে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত পালিশ থাকে আর তার পরেও তিনি বাকী সবার সমান দাম নেন।

তার ইউটিউবের ভিডিওতে, একজন দেখতে পারেন তিনি কেমন করে দুইটা ব্রাশ ব্যবহার করেন, আর তার সাথে তার দৈনিক প্রেরণা: তার পরিবারের একটা ছবি। এই সংক্ষিপ্ত ক্লিপ -এক মিনিট ব্যাপী- ছয় মাস ধরে অনলাইনে আছে আর মে ২০০৮ থেকে এরই মধ্যে ৪৫০০ বার তা লোকে দেখেছে।

জুতাপালিশওয়ালা হিসাবে তার ১০ বছরের অভিজ্ঞতা আছে। কয়েক মাস আগে তিনি একজন স্পন্সর খুঁজে পেয়েছিলেন (মন্টেরের একটা বিয়ে আয়োজনকারী কোম্পানী) তার শহরের কেন্দ্রের স্ট্যান্ডের ভিডিওকে ধারন আর সম্পাদনা করার জন্য। এই স্থানে তিনি এক বছর ধরে কাজ করছেন।

“আমার গ্রাহকরা আমাকে উৎসাহিত করেন কারন অন্য কেউ দুই হাত দিয়ে পালিশ করতে পারে না কারন এবং আমি সব্যসাচী। আমরা আরো কয়েক ধরনের ভিডিও করবো আর শুধু ইউটিউবে থাকা মজার ধরনের না,” বলেছেন জুয়ান।

“আমাকে ইন্টারনেটে দেখে গ্রাহকরা এসেছেন, তিনি ব্যাখ্যা করলেন যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো ভিডিও প্রচারণার ফলাফল সম্পর্কে। “কেউ (ভিডিওটি) সুপারিশ করেছে বা তারা এমনিতেই দেখেছে আর এর পর তাকে চাক্ষুস দেখতে চেয়েছে।”

“বিশ্বের সব থেকে ভালো জুতাপালিশওয়ালা” হচ্ছে তার প্রচারণার স্লোগান। তিনি বললেন যে তিনি সপ্তাহে এক দুইবার অনলাইন হন। এছাড়া তিনি ইউটিউবে অন্যান্য মজার ভিডিও দেখেন।

তার এই আধুনিক পদ্ধতি নিয়ে কথা বলতে জুয়ান লজ্জিত না আর ডিজিটাল মিডিয়া নিয়ে তার যে আত্মবিশ্বাস আছে তা প্রকাশ করেন অকপটে। “(ভিডিওর) একটা কারন হলো যে যাদের নিয়ে ইউটিউবে ভিডিও প্রচারিত হয় তাদের সাথে হয়ত কোনদিনই আপনার দেখা হবে না,” তিনি বললেন, ”আর আমি একমাত্র যার সাথে আপনি দেখা সাক্ষাত করতে পারেন।”

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .