বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ভেনিজুয়েলা: বলিভারের মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ

প্রত্যেক ১৭ ডিসেম্বর, যে সকল দেশ সিমোন বলিভারকে তাদের জাতীয় নায়ক মনে করে তারা তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী পালন করে। ভেনিজুয়েলায় মানুষ তাঁর দরজার বাইরে পতাকা রাখে, আর বলিভিয়ার শিক্ষক আর বুদ্ধিজীবিরা প্রত্যেক বলিভার স্কোয়ারে থাকা এই মুক্তিকামীর মুর্তিতে ফুল দেয়। গত ডিসেম্বরের এই অনুষ্ঠানে একটা ছায়া পড়েছিল যখন প্রেসিডেন্ট হুগো শাভেজ বলিভারের মৃত্যুর কারন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন, যেটা বিশ্বাস করা হয় যক্ষার কারনে ঘটেছিল। তবে শাভেজ দাবী করেছেন যে এটা বিষক্রিয়ার কাজ আর তিনি এই ব্যাপারে তদন্তের নির্দেশ দেন। এক বছর পরে, বলিভারের মৃত্যুর ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে আর ইতিহাসের বইতে যেসব পরিবর্তন দেখা গেছে সে সব নিয়ে ব্লগাররা মন্তব্য করেছেন।

ফেলিক্স তাপিয়া লিখেছেন মৃত্যুর কারন কিভাবে ঠিক করা যায় সে সম্পর্কে:

Nuestra opinión es que la detección del ADN en la osamenta del Libertador, sobretodo si es el del Mycobacterium tuberculosis, podrá confirmar la muerte por tuberculosis. De lo contrario no se podrá confirmar el envenenamiento con este simple examen. Lo único viable sería confirmar trazas del veneno en los huesos, una vez estos sean confirmados como pertenecientes al Libertador, lo cual es bastante difícil pues no hay descendientes directos vivos de Bolívar.

আমাদের মত হলো যে বলিভারের হাড়ে যে ডিএনএ পাওয়া যাবে, বিশেষ করে মাইক্রোব্যাক্টেরিয়াম নিশ্চিত করতে পারে যক্ষায় মৃত্যুর ব্যাপারে। অন্যদিকে বিষ প্রয়োগের ব্যাপার এই সহজ উপায়ে পরীক্ষা করা যাবে না। একমাত্র উপায় হবে হাড়ে বিষের লক্ষণ সনাক্ত করা, আর একবার এগুলো বলিভারের বলে নিশ্চিত হওয়া যায়, এটা একটা কঠিন কাজ কারন তাঁর জীবিত কোন বংশধর নেই।

মেগারেসিস্টেন্সিয়া ব্লগ এই নিয়ে সংবাদপত্রের একটা প্রতিবেদন পুন:প্রকাশ করেছে, যার থেকে বেশ মজার সব মন্তব্য উঠেছিল, যার মধ্যে কেউ কেউ বিচলিত ছিল যে এটা আলোচনার একটা বিষয় হতে পারে আর অন্যরা কৌতুহল দেখিয়েছে অন্য একধরনের মৃত্যুর রহস্য নিয়ে।

কোরকরো ফ্রিটো লিখেছেন:

La gente común se pregunta: ¿Cuantos dólares va a costar esta investigación? Cuanto costó?:
.-El cambio de nombre a Venezuela.
.-El cambio de nombre de los ministerios.
.-El cambio de la moneda.
.-El cambio de los timbres fiscales
Cuantos dolares necesitados en los hospitales y escuelas se han gastado encosas no prioritarias?

সাধারন মানুষ ভাবছে যে এই তদন্তে কতো খরচ হবে?
নীচের জিনিষগুলোর জন্য কতো খরচ হয়েছিল?
* দেশের নাম পরিবর্তন
* মন্ত্রনালয়ের নাম পরিবর্তন
* টাকা পরিবর্তন
* স্ট্যাম্প পরিবর্তন

হাসপাতাল আর স্কুলের জন্য জরুরী কতো টাকা এমন কম গুরুত্বপূর্ন কাজে ব্যবহৃত হয়েছে?

এল ব্লগো একটা মজার ইমেজ তৈরি করেছেন (পোস্টে দৃশ্যটা দেখেন) যা যারা এই সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন তাদের কাছ থেকে অনেক বিতর্ক জন্ম দিয়েছে:

বলিভারিয়ানো লিখেছেন:

Más alla de la retorica, creo que el presidente chavez tiene razon en desconfiar de la historia, y en este momento tiene la oportunidad y el poder para emprender una investigacion como esta, que no solo es criminalistica o cientifica, si no que tambien es una evaluacion e investigacion historica que seguramente puede revelar muchos mas detalles de la vida y muerte de el Libertador.

সব অলঙ্করণ বাদ দিয়ে, আমার মনে হয় যে প্রেসিডেন্ট ঠিক করেছেন ইতিহাসকে বিশ্বাস না করা আর এখন তাঁর সেই সুযোগ আর ক্ষমতা আছে এই ধরনের একটা পরীক্ষা চালানোর মতো, যেটা শুধুমাত্র অপরাধ নির্ধারণ বা বৈজ্ঞানিক না, বরং একটি মূল্যায়ন আর ঐতিহাসিক গবেষনা যেটা অবশ্যই বলিভারের জীবন আর মৃত্যু সর্ম্পকে অনেক বিস্তারিত জানাবে।

আমারিলিস যোগ করেছেন:

Si hoy en dia investigan el cómo murieron los egipcios, los noruegos, los dinosaurios, las especies estinguidas, por qué no pueden averiguar cómo murió uno de los hombres más visionarios e importantes de la historia de América.

আজকাল মানুষ যদি তদন্ত করে যে মিশরীয়রা কিভাবে মারা গেছে, আর নরউইজিয়ানরা, ডাইনোসেরাস আর বিগত প্রজাতিরা, তাহলে কেন তারা আমেরিকার ইতিহাসের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ আর দূরদৃষ্টিসম্পন্ন লোকের মৃত্যুর আসল কারন তদন্ত করতে পারবে না?

ভেনিজুয়েলান কম্পাসের আন্দ্রিয়াস লিখেছেন বলিভারের মাহাত্মের উপর সরকারের নির্ভরতা সম্পের্কে আর কেন এটা তাদের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ:

Nadie negará a Bolívar en la historia, pero su memoria debe servir como fuente de inspiración, no de oráculo que otorga respuesta a todos los problemas del país.

La Bolívar-dependencia pone de manifiesto los visos militaristas, mesiánicos y de caudillismo que aún hoy asolan nuestra tierra. Ningún hombre tiene el poder de los dioses para saber qué es lo que le conviene siempre, en toda circunstancia (…) Máximo cuando esa divinidad está muerta. Esta es una de las grandes tragedias de nuestra nación.

ইতিহাসে বলিভারের অবস্থান কেউ নাকচ করতে পারবে না, কিন্তু তাঁর স্মৃতি উৎসাহের উৎস হিসাবে কাজ করবে, একটা দৈববাণী হিসাবে না যেখানে দেশের সব সমস্যার উত্তর থাকবে।

বলিভার-নির্ভরতা দেখিয়েছে মিলিটারি আর দৈব চিন্তার উপরে যা আজকেও আমাদের দেশকে ধ্বংস করতে পারে। কোন মানুষের ইশ্বরের সমান ক্ষমতা নেই জানার যে সব সময়ে কোনটা সুবিধাজনক, প্রত্যেক পরিস্থিতিতে… আরো বেশী যখন এই ‘ঐশ্বরিক’ ক্ষমতাধারী মৃত হয়। আমাদের জাতির জন্য এটা একটা প্রধান ট্রাজেডি।

পরিশেষে অ্যান জুলিয়া জাতার সামনের দিকে দেখতে চান আর লিখেছেন:

প্রায় ২০০ বছর আগে কি সমস্যা হয়েছিল তার পরোয়া আমরা করিনা। আজকের সমস্যার সমাধান আমরা চাই।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .