বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ফ্রান্স কি তৈরি একজন কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতির জন্যে?

মার্টিনিকের ব্লগার লো ব্লগ দো [মোয়া] লিখছেন আমেরিকান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ওবামার বিজয় ফ্রান্সের জাতিগত বৈচিত্রের পরিচয়ে কি প্রভাব ফেলেছে।

En effet, dès le lendemain de l’élection du 44ème Président des Etats-Unis, la France s’est découverte multiculturelle ou plus précisément multiethnique. Elle a semblé se souvenir qu’il puisse y avoir des Français “de couleur” (on va se la jouer pudique) et pire parmi eux des Français Noirs ou métissés. La belle affaire !

আমেরিকার ৪৪তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবার পর ফ্রান্স নিজেকে পূন:আবিস্কার করেছে যে এটি মাল্টিকালচারাল (মিশ্র সংস্কৃতির) এবং সঠিকভাবে বললে বহুগোত্রীয়। তার মনে পড়ে যায় যে ফরাসীরা অন্য বর্ণেরও হতে পারে (কৃষ্ণাঙ্গ ফরাসী বা মিশ্র বর্ণের ফরাসীরা)।

Non, j’exagère un peu. Ca lui arrive de temps en temps à la France de se souvenir de sa réalité. Au gré d’un événement marquant (victoire mémorable, commémoration ou mort d’un homme célèbre) par exemple. La problème c’est que ça ne dure qu’un temps et “ils” redeviennent vite des étrangers ou pire des immigrés (comprendre ici des boucs émissaires voleurs, profiteurs de tous poils, preneurs de job des “vrais Français qui se lèvent tôt”).

আমি হয়ত বাড়িয়েই বলছি। ফ্রান্স মাঝে মাঝেই তার বাস্তবতাকে স্মরণ করে – যেমন ধরুন যখনই একটি বড় ঘটনা ঘটে (যেমন একটি স্মরণীয় জয় বা একজন নামকরা ব্যাক্তির মৃত্যু)। সমস্যা হচ্ছে যে এই স্মৃতি তাদের মাঝে বেশীক্ষণ থাকে না এবং অতি দ্রুতই “এই সব মানুষ” তাদের কাছে বিদেশীতে পরিণত হয় অথবা খারাপ অর্থে অভিবাসী (এখানে এ শব্দটার মানে বোঝায় চোর, যে কোন ছোট কাজ করে, বা যারা আসল ফরাসীদের কাজ কেড়ে নেয়)।

লো ব্লগ দো [মোয়া] লিখছে যে এই প্রশ্নটা প্রচার মাধ্যমে ঘুরে ফিরছে, “মানবাধিকারের এই দেশে কি ওবামার মত সাফল্য দেখা যেতে পারে? ফরাসীরা কি একজন কৃষ্ণাঙ্গকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে প্রস্তুত?”

এই ব্লগার লিখছে যে তাকে এই প্রশ্নটি করলে সে বলত ‘কোন দ্বিধা ছাড়াই’, “মস্করা করছেন আমার সাথে?”

তাই সে ফরাসী সংবাদপত্র লো ফিগারোর একটি পোল পড়ে অবাক হয়েছিল যে নির্বাচনের পরের দিন সার্ভের ৬১.৩০% লোক জানিয়েছিল তারা একজন কৃষ্ণাঙ্গকে ভোট দিতে রাজী। এছাড়াও, এমাসের প্রথম দিকে ফরাসী রাষ্ট্রপতি নিকোলাস সারকোজী পলিটেকনিকে (ফরাসী উচুমানের প্রকৌশল বিদ্যালয়) ভাষণ দিতে গিয়ে ঘোষণা করেছিলেন যে রাজনৈতিক বৈচিত্রতা আনতে একটি কমিশন গঠন করা হবে। তিনি বলেছিলেন, “আরও বৈচিত্রতা আনতে আমাদের রাজনৈতিক শ্রেণীর মধ্যে একটি আমূল পরিবর্তন আনতে হবে।”

“এই কথোপকথন সঠিক দিকেই আগাচ্ছে,” মন্তব্য করেছে লো ব্লগ দো [মোয়া]

এলাইন মাবান্কুর ব্লগে অতিথি ব্লগার হিসেবে লিখেছেন ইউজিন ইবুদে যে তিনি অতটা আশাবাদী নন। তিনি বর্ণ বৈচিত্রতা নিয়ে ফরাসীদের মনোভাবকে সমারোচনা করেছেন। উদাহরণস্বরুপ তিনি দেখিয়েছেন যে “বৈচিত্রের উদাহরণ” যে সব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যেমন মানবাধিকার মন্দ্রী রামা ইয়াদে (সেনেগালীজ বংশোদ্ভুত) এবং আইন মন্ত্রী রাচিদা দাতি(মরোক্কান বংশদ্ভুত) তারা তাদের প্রভাব হারাচ্ছেন।

“Le refus français de poser la question raciale sur la table est une politique de l’autruche. Il faut constater, dans les tourments ressentis hier par Azouz Begag, ministre délégué à l’égalité des chances du gouvernement Villepin et les déboires de Rama Yade et de Rachida Dati d’aujourd’hui, le goût des organisations politiques françaises pour les « coups médiatiques ». Ils devraient pourtant veiller sur l’implantation locale de la diversité. Les blocages des notables, encouragés par un racisme rampant et par des préjugés entretenus, ne servent pas la cause de l’unité nationale. Le débat entre éthique et statistique opacifie aussi en France les enjeux.”

ফরাসীদের বর্ণবাদের প্রসঙ্গটা এড়িয়ে যাওয়া যেন মাথা বালিতে গুঁজে রেখে দায় এড়ানোর চেষ্টা। যেমন ধরুন আজুগ বেগাগের সমস্যাটি, যিনি ভিলিপ্পিন সরকারের আমলে সমঅধিকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন, এবং বর্তমানে মানবাধিকার মন্দ্রী রামা ইয়াদে এবং আইন মন্ত্রী রাচিদা দাতির সমস্যাটি যে ফরাসী রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিয়ে মিডিয়া শো করতে ব্যস্ত। তাদের বরং স্থানীয় ভাবে রাজনীতিতে আরও বৈচিত্র আনার চেষ্টা করা উচিৎ। ব্যক্তিত্বের উত্থানে বাধা, ব্যপক দূর্ণীতি, চিরস্থায়ী বৈষম্য ইত্যাদি সমস্যা জাতীয় একাত্ববোধকে তৈরি করে না। নৈতিকতা এবং পরিসংখ্যান নিয়ে কাঁদা ছোড়াছুড়ি করা ফ্রান্সে নিয়ম হয়ে দাড়িয়েছে।

এই পোস্টে সাহায্য করেছেন মিয়ালী আন্দ্রিয়ামানানজারা

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .