বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

পর্তুগীজ ব্লগ: ৮৫ বছর বয়সী সারামাগো, নোবেল বিজয়ী ব্লগার

Mexendo nuns quantos papéis que já perderam a frescura da novidade, encontrei um artigo sobre Lisboa escrito há uns quantos anos, e, não me envergonho de confessá-lo, emocionei-me. Talvez porque não se trate realmente de um artigo, mas de uma carta de amor, de amor a Lisboa. Decidi então partilhá-la com os meus leitores e amigos tornando-a outra vez pública, agora na página infinita de internet e com ela inaugurar o meu espaço pessoal neste blog.

কিছু পাতা ওল্টানোর সংস্কৃতি এখন অনেকের কাছে আর কৌতূহলোদ্দীপক কোন কাজ নয়। বেশ কয়েক বছর আগে রচিত লিসবন সমন্ধে একটি লেখা সম্প্রতি আবিষ্কার করেছি। আর আমি স্বীকার করতে লজ্জিত নই যে আমি অভিভূত হয়েছিলাম এটি পড়ে। কারণ এটি আসলে কোন বিষয়বস্তুর বর্ণনা ছিল না, ছিল এক প্রেম পত্র। লিসবনকে ভালোবেসে লেখা এক চিঠি। কাজেই আমি ঠিক করলাম আমি লেখাটি আমার পাঠক আর বন্ধুদের সাথে ভাগাভাগি করে নেব এবং জনগনের মাঝে তাকে ছড়িয়ে দেব। এখন ইন্টারনেটের জগৎ যেখানে লেখার জন্য পাতা কখনও ফুরোয় না সেখানে নিজের জন্য এক জায়গা তৈরী করে নিজেকে সম্পৃক্ত করলাম।

এই লেখাগুলো পর্তুগীজ এবং নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হোজে সারামাগোর ব্লগ ‘ও কাদেরনো ডে সারামাগো‘ (সারামাগোর নোটবই, যা পর্তুগীজ এবং স্প্যানিশ ভাষায়ও পড়া যায়) এর প্রথম কয়েকটি লাইন। এর যাত্রা শুরু হয় গত ১৫ই সেপ্টেম্বর, যা প্রথমে সারামাগো ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে ছিল এবং এখন এটি ওয়ার্ড প্রেস প্লাটফর্মে পাওয়া যাচ্ছে। তারপর থেকে সারামাগো তার ইন্টারনেটের অসীম পাতায় ব্লগ লিখে চলছেন। তার লেখার বিষয়বস্তুর মধ্যে রয়েছে ডারউইনের কাছে ক্যাথলিক চার্চের ক্ষমা প্রার্থণা, জর্জ বুশ এবং ঋণের সংকোচন, বার্লুসকোনির সৌভাগ্য, পুলিনা (গ্রানাডা প্রদেশের এক কবরস্থান) এবং পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি। তার গতকালের পোস্টে (সেপ্টেম্বর ২৩, ২০০৮) তিনি পারিবারিক গ্রন্থাগার গুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে লিখেছেন যেখানে পরিবারগুলোতে বিবাহ বিচ্ছেদ বাড়ছে।

Saramago

এগুলো সবই চমৎকার রচনা এবং পর্তুগীজ ভাষীদের জন্যে আনন্দের: এই ভার্চুয়াল বা নেটের পরিবেশের সকল পর্তুগীজ ভাষী দেশ এই ব্লগের জগৎে তাকে স্বাগত জানিয়েছে (তারা তার পোষ্টের লিন্ক প্রচার করেছে, অথবা তার লেখা তাদের ব্লগে পোষ্ট করেছে)। মোজাম্বিক থেকে এলাইন (পর্তুগীজ ভাষায়) বলেছেন, তিনি এই ব্যাপারে সামান্য সর্তকতা দিয়ে শুরু করেছেন, আসলেই কি এটি সেই ১৯৯৮ সালের নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক -ব্লগের এই সমস্ত লেখা কি তারই শব্দ?

Fiquei confusa… será que é mesmo o JOSÉ SARAMAGO??? Isso não é dele… muito estranho! Fui conferir: era ele mesmo! Imaginem o autor de A Caverna e todos aqueles outros livros maravilhosos virando um blogueiro, como um simples mortal, como nós! Como não tive tempo de ler tudo ontem, hoje acordei e, sem tirar o pijama, liguei o computador. Tomei café lendo o Caderno de Saramago. Fantástico! Ele promete escrever diariamente. E está cumprindo a promessa, desde segunda-feira já são três posts.

আমি দ্বিধান্বিত ছিলাম—- সত্যিই কি সে হোজে সারামাগো? নাকি সে নয়— ভারী অদ্ভুত ব্যাপার! আমি ঐ ব্লগে প্রবেশ করলাম- আসলেই সে! কল্পনা করুন ‘দি কেভ’ এবং অন্য সব চমৎকার বইয়ের লেখক একজন ব্লগারে পরিণত হয়েছেন। অনেকটা মাটির কাছে, অনেকটা আমাদের মতো! গতকাল পর্যন্ত আমার সকল কিছু পড়ার মতো সময় ছিল না। তাই আজ আমি সকালে উঠে পায়জামা বদলানোর আগেই আমি কম্পিউটার চালু করি। কফি পান করতে করতে আমি সারামাগোর নোটবুক পড়ে ফেলি, অসাধারণ! তিনি প্রতিজ্ঞা করেছেন তিনি প্রতিদিন লিখবেন। এবং তিনি তার প্রতিজ্ঞা রেখেছেন। সোমবার পর্যন্ত তিনি তিনটি লেখা পোষ্ট করেছেন।

এবং এরপর তিনি এখন পর্যন্ত মোট ২৭ টি লেখা পোস্ট করেছেন। পর্তুগাল থেকে ভাস্কো করিস্কো (পর্তুগীজ ভাষায় লেখা) বিশ্বাস করেন এই ব্লগের পেছনে যে লেখক রয়েছে তাকে তিনি চিনতে পেরেছেন:

Na secção O Caderno de Saramago temos acesso à escrita de opinião do autor na primeira pessoa, no tom marcadamente político ao qual estão acostumados aqueles que conhecem os seus escritos.

সারামাগোর নোটবুক –এ মতামত প্রদান করা বিভাগে আমাদের নিজের ভাষায় মত প্রকাশ করার অধিকার রয়েছে। তার ব্লগে রয়েছে উচ্চ মাত্রার রাজনৈতিক বক্তব্য সম্বলিত লেখা সাধারণত যে ভাবে তিনি লিখে থাকেন বলে সবাই জানে।

পর্তুগাল থেকে হোয়াইও ব্লগ জগৎে সারামাগোর আগমনে খুবই আনন্দিত:

Embora desconfie que é um blogue completamente diferente deste, porque será certamente um lido por muita gente, fica a sensação de que Saramago se juntou cá ao grupo dos que têm um cantinho algures na Internet para escrever desabafos. Não deixa de ser estranho ter ouvido contar, há bem pouco tempo, que Saramago terá dito que jamais escreveria sem ser à mão. Depois passou a só escrever numa máquina e, agora, desconfio que utilize um computador para o fazer.

যদিও আমি ধারণা করি তার ব্লগ আমারটার থেকে পুরোপুরি আলাদা হবে কারণ অনেক লোক তার ব্লগ পড়বে। এ ব্যাপারে এক বিশেষ অনুভুতি রয়েছে যে সারামাগো এমন একদল লোকের সাথে যোগ দিয়েছেন যারা ইন্টারনেটের এক কোণায় বাস করে কঠিন বাস্তবতাকে তাদের লেখায় তুলে আনছেন। একটা সংবাদ আমি তার সমন্ধে শুনেছি যে সারামাগো বলেছেন তিনি আর হাত দিয়ে লিখবেন না। এরপর তিনি টাইপরাইটারে লেখা শুরু করেন। আর এখন আমি সন্দেহ করি তিনি লেখার জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করেন।

কাবো ভার্দের (কেপ ভার্দে) নয় লোপেজ ব্লগে নতুন। সে সারামাগোর নতুন বই সমন্ধে সবাইকে বলে বেড়াবার সুযোগ নিয়েছে। সারামাগোর নতুন বইয়ের নাম দি এলিফ্যান্টস জার্নি (হাতির ভ্রমণ)। আশা করা হচ্ছে এ বছরের শেষের দিকে বইটি বাজারে আসছে। তুলনামূলকভাবে তার লেখার ভক্ত নন এমন একজন কেপভার্দের ব্লগার মিগুয়ে বারবোসা (পর্তুগীজ ভাষায়) দুই লাইন লিখেছেন তার ব্লগ সমন্ধে। সেটি হচ্ছে:

Vamos torcer para os posts não serem tão chatos quanto os livros, hehehe…

আশা করা যায় তার পোষ্ট করা লেখাগুলো তার বইয়ের মতো অতটা রসকষহীন হবে না…..( হে হে হে)

ব্রাজিলের ব্লগস্ফেয়ারের দিকে এবার দৃষ্টি দেই। হেমিটেরিয়া সামান্য হতাশা ব্যক্ত করেছেন এই কারনে যে সারামাগো অনলাইনে (সাধারণ) লেখকদের দলে যোগ দিয়েছেন, কিন্তু সাথে সাথে আনন্দিত তার কিছু তীক্ষ লেখনী অনলাইনে পড়ে। এই সমস্ত লেখা তিনি ছেপেছেন এবং বাসের মধ্যে রেখে গেছেন যাতে অন্য লোকেরা পড়তে পারে এবং পাঠকেরা আবার পর তা যেন বাসে রেখে যায় যাতে অন্য বাসযাত্রী আবার তা পালাক্রমে পাঠ করে।

Achava que o venerável escritor português era avesso à tecnologia, que defendia o arcaísmo de sua labuta em máquinas de escrever como o japonês perdido numa ilha distante, que devotara sua vida a proteger o forte, anos depois da guerra ter acabado.

আমি মনে করতাম করি এই শ্রদ্ধেয় পর্তুগীজ লেখক প্রযুক্তি বিমুখ একজন লেখক যে তার ভিন্ন রীতি অনেক পরিশ্রমে টিকিয়ে রাখে। সে তা টিকিয়ে রেখেছে একদল জাপানীর মতো যারা এক নির্জন দ্বীপে হারিয়ে যায়। তারা যুদ্ধে শেষ হবার অনেক পরেও তাদের দুর্গ রক্ষার জন্য তাদের জীবন বাজী রেখেছিল।

হেমেটেরিওর লেখা

উলুবনে মুক্তো ছড়ানো? ব্রাজিলিয়ান ব্লগার হেমেটেরিও সারামাগোর (উপরের চিত্রের) প্রেসিডেন্ট বুশকে নিয়ে লেখাটি ছেপেছে, যিনি “সত্যকে পৃথিবী থেকে বিদায় করে দিয়ে তার বদলে মিথ্যার বসত গড়েছেন”, যা বাসের সীটে রেখে তিনি প্রচার করেছেন।

অন্যদিকে লারা (পর্তুগীজ ভাষায়) ভাবছেন, এটা বেশ কৌতুহলজনক যে একজন নামকরা লেখক এই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা শুরু করেছেন। ভদ্রমহিলা তার ব্লগে লিখেছেন:

É um bom sinal de que a comunicação pela internet não está apenas ganhando espaço por sua agilidade, mas também pela facilidade e amplitude com que atinge o público. Comentaram comigo, inclusive, que fazer um blog pode ser só uma tentativa de Saramago de ser cool. Mas, minha gente, Saramago tem 85 anos. Uma pessoa de 85 anos não liga para ser cool.

এটা ভালো লক্ষণ যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ কেবল দ্রুত বাড়ছে তাই নয় তার সাথে তার সূক্ষ্মতা এবং প্রাচুর্যও বৃদ্ধি পাচ্ছে যে ভাবে এটি জনগণের কাছে পৌঁছাচ্ছে। কেউ একজন আমাকে বললো যে তার ধারণা সারামাগোর ব্লগ খোলার কারণ সে আসলে লোক দেখানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু বন্ধুগণ, সারামাগোর বয়স এখন ৮৫ বছর। এই বয়সের কোন ব্যক্তি জনপ্রিয়তা নিয়ে মোটেও মাথা ঘামায় না।

সম্ভবত সারামাগোর লোক দেখানোর কোন প্রয়োজন নেই। কিন্তু তার এই সাইবারস্পেসে যোগদান করার উত্তেজনাটি আসলে এক ধরনের মার্কেটিং বা তার বাজার তৈরী করা। মূল উদ্দেশ্য তার বাজারে আসা বই, তার বিখ্যাত পরিচিত উপন্যাস ব্লাইন্ডনেস (অন্ধত্ব) এর প্রচার যা অচিরেই চলচ্চিত্র আকারে আসছে ফার্নান্ডো মেরিলেস (তিনিও পর্তুগীজ ভাষার এক ব্লগার) এর পরিচালনায়। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন মার্ক রুফালো ও জুলিয়ান মুর। পর্তুগীজ ব্লগার মিগুয়েল ড্রুমন্ড ডে ক্যাস্টো জনতাকে স্মরণ করিয়ে দেন যে এমনকি কোন নোবেল পুরস্কার জয়ী ব্যক্তিও রাতরাতি জনপ্রিয় ব্লগারে পরিণত হতে পারে না।

Há aqui uma confusão antropo-cibernética de primeiro grau. A de crer que a utlização de uma maquineta – no caso o computador ligado à rede – transforma imediatamente a pessoa num “verdadeiro” blogger. A maquineta, qual deus, confere de imediato a graça divina. A pessoa que no dia anterior não sabia nada de blogs, que não fazia a menor ideia dia sobre o que é um template ou um Html, de repente, por infusão divina da santíssima técnica, já se comporta como um “verdadeiro blogger”. De um momento para outro adquiriu todas as competências.

তথ্য প্রযুক্তি বা প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে অনেকের মধ্যে বেশ ভালো রকমের ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকে বিশ্বাস করে যে যন্ত্র সমন্ধে সামান্য দক্ষতা বা তার ব্যবহার – এ ক্ষেত্রে বলা যায় কম্পিউটার যদি ইন্টারনেটে সংযুক্ত থাকে – তাহলে দ্রুত সেই ব্যক্তি একজন সত্যিকারের ব্লগারে পরিণত হতে পারে। যন্ত্র যেন অনেকটা ঈশ্বরের মতো তখনই আর্শীবাদ করে দেয়। যে ব্যক্তিটি তার জীবনে এর আগে ব্লগ সমন্ধে কোন কিছু জানেনি, যার টেমপ্লেট বা এইচটিএমএল নামক নেটের প্রযুক্তিগুলো সমন্ধে কোন ধারণা নেই হঠাৎ এক পবিত্র যন্ত্রের ইচ্ছায় সে নিজেকে একজন সত্যিকারের ব্লগারের মতো আচরণ করতে শুরু করে। (অনেকের ধারনা) মুহুর্তেই যেন সে এই বিষয়ে সকল দক্ষতা অর্জন করে ফেলে।

আসলেই কি তাই ? ডেবোরাহ ইকামবিয়া (পর্তুগীজ ভাষায়) অনলাইনে গুণগত মানসম্পন্ন লেখা পড়ার বিষয়টি পছন্দ করেন।

Que frescor tem sido a leitura do recém-criado blog do Saramago!
Eu já gostava de seus livros e ele virou ídolo quando tornou-se o único escritor de porte a exigir das editoras que seus livros fossem publicados em papel reciclado.
Quando a gente está na net e quer ler algo legal, fica procurando e não acha, vale a pena passar por lá: http://caderno.josesaramago.org/ – tem sempre algo interessante sendo dito de maneira singela e poderosa.

সারামাগোর নতুন তৈরী করা ব্লগ এর লেখা পড়া কত আনন্দের!
আমি তখন থেকেই তার বই পছন্দ করি এবং তার লেখার ভক্ত যখন তিনি একমাত্র বড় লেখক হিসেবে প্রকাশকের কাছে গিয়ে রিসাইকল্ড (পুন:ব্যবহৃত) কাগজে তার বই ছাপতে অনুরোধ করেন।

যখন আমরা নেটে চমৎকার কিছু লেখা পড়তে চাই আমাদের হা পিত্যেশ করে নেটে তাকিয়ে থাকতে হয়, কিন্তু পাই না। তবে ভালো লেখা পড়ার একটা ভালো জায়গা হচ্ছে; http://caderno.josesaramago.org/- যেখানে সবসময় কিছু কৌতুহলজনক কিছু বলা হচ্ছে খুব সাধারণ কিন্তু শক্তিশালী ভাষায়।

Saramago
ছবিটি পেরিওদিসতো ডিজিটালডটকম -এর ক্রিয়েটিভ কমন্স এট্রিবিউশন্স ২.৫ এর আওতায় ব্যবহৃত

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .