বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

এ্যাঙ্গোলা: ফিরে আসা ব্যাক্তিদের সুখ দু:খ

ফিরে আসা
১৯৭৫ সালে যখন এ্যাঙ্গোলা স্বাধীন হয় তখন অনেক প্রাক্তন পর্তুগীজ বাসিন্দা সে দেশ থেকে পর্তুগালে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। কিন্তু পালিয়ে যাবার মধ্যে কেবল তারাই ছিল না, তাদের সাথে এ্যাঙ্গালার অনেক লোকও পালিয়ে যায়। পর্তুগীজবাসী হোক আর না হোক তারা জিনিষপত্রে বোঝাই বাড়ি, গাড়ী, চাকুরী সব ফেলে চলে যায় এবং তাদের অনেকেই একবস্ত্রে সেখান থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এমনকি তাদের অনেকের কাউকে বিদায় জানানোর সময় পর্যন্ত ছিল না। কারো কাজের পদত্যাগপত্র জমা দেবার সময় ছিল না, যে ঘরটির তারা মালিক ছিল, তার সামনের দরজা খোলা রেখেই তারা ঘরটিকে শেষ বিদায় দিয়েছিল।

অনেক বছর পর এই সমস্ত ঘরের মালিকরা তাদের হারিয়ে যাওয়া জিনিষ ফিরে পেতে আবার এ্যাঙ্গোলায় ফিরে এসেছে। তারা পিছনে যা রেখে গিয়েছিল তার কিছুই আর ফিরে পায়নি। তারা যে বসতবাড়ী ফেলে রেখে গিয়েছিল সে সমস্তর বেশীর ভাগই শহরের থেকে আসা লোকেরা দখল করে নিয়েছিল অথবা এ্যাঙ্গোলার সরকার সেগুলো কাউকে দিয়ে দিয়েছিল। যে লোকগুলো এই ঘর দখল নিয়েছিল তারা এগুলোকে পরিত্যক্ত হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিল।

এই সব লোকেরা কোন আশা ছাড়াই আবার ফিরে এসেছে। তারা তাদের সন্তানের হাত নিজেদের হাতে রেখে উদভ্রান্তের মতো চারদিকে তাকাচ্ছিল। তাদের বর্তমান অনিশ্চিত আর ভবিষ্যৎ ধুসর। পর্তুগালে তাদের ডাকা হয় রিটার্নি বা ফেরত আসা ব্যক্তি বলে; এমন এক বিদ্রুপযুক্ত নাম যা সময়ের সাথে সাথে বাহুল্য হয়ে এসেছে। কিন্তু এই বিদ্রুপটি এখনও যারা তাদের নিজের দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল তাদের হৃদয়ে আঘাতের চিহ্ন হিসেবে থেকে গেছে।

ফিরে আসা

২৫ ডে আব্রিল – ও আনতে ও আগোরা (এপ্রিল ২৫- অতীত এবং বর্তমান) ব্লগ এর লেখক, যারা তাদের সবকিছু ছেড়ে একদিন এ্যাঙ্গোলা থেকে পালিয়ে গিয়েছিল তাদের একজনের কাহিনী বর্ণনা করেছে:

“Entre essa massa anónima de pessoas de destino incerto encontrava-se Ribeiro Cristovão, a sua mulher e os três filhos menores. “Mantive-me em Angola quase até à independência. Acreditava que apesar das alterações radicais haveria lugar para todos. Enganei-me.” No final de 1975 abandona o seu emprego na cervejaria Cuca e a sua casa em Nova Lisboa. O homem do desporto da Rádio Renascença confessa que os primeiros três meses passados em Lisboa foram os mais difíceis da sua vida. E sem o abrigo na casa da irmã em Alcochete, a sua história estaria hoje pintada em tons ainda mais negros. “Recordo-me de calcorrear a cidade à procura de emprego, sem sorte nenhuma. Estava mesmo desesperado. No primeiro Natal na capital, Ribeiro Cristovão afundou-se numa tristeza profunda. Ali estava ele rodeado com a sua família mas com a árvore despida de presentes. O rótulo de retornado teimava em fechar-lhe as portas”.

একদল মানুষ যাদের ভাগ্য অনিশ্চিত ছিল তাদের মধ্যে একজন ছিলেন রিবেইরো ক্রিষ্টোভায়ো, তার স্ত্রী এবং তার তিনটি ছোট সন্তান। তিনি বলেন, আমি স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত এ্যাঙ্গোলায় ছিলাম। আমি বিশ্বাস করি আমূল পরিবর্তন সত্বেও সেখানে আমাদের সকলের জন্য জায়গা ছিল। আমি ভুল চিন্তা করেছিলাম। ১৯৭৫ সালের শেষের দিকে তিনি কুকা ব্রিউয়ারীর (মদ প্রস্তুতকারক কোম্পানী) চাকুরী এবং নোভা লিসবোয়ায় তার বাসা দুটোই ছেড়ে দেন। রাডিও রেনাসেন্কা (একটি রেডিও স্টেশন) এর এই ক্রীড়াভাষ্যকার স্বীকার করেন তিনি লিসবোয়াতে যে প্রথম তিন মাস ছিলেন সেটি ছিল তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়। এমনকি যদি তিনি আলকোচেতে তার বোন এর বাড়ীতে আশ্রয় না পেতেন তাহলে এই কাহিনী হতো আরও বিষাদময়। আমার মনে আছে আমি পুরো শহর চষে বেড়িয়েছি একটা কাজের জন্য, কিন্তু কোন কাজ মেলেনি। আমি সে সময় ছিলাম হতাশ। পর্তুগালের রাজধানীতে তার প্রথম বড়দিনে রিবেইরো এক গভীর বেদনায় ডুবে ছিলেন। সেখানে তিনি তার পরিবারে পাশে ছিলেন কিন্তু তাদের পাশে যে ক্রিসমাস ট্রি ছিল যেখানে কোন উপহার ছিল না। রিটার্নী বা ফেরত আসা শব্দটি তার নামের সাথে যুক্ত হবার ফলে সকল দরজা তার জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

ফাদো ফালাদো ব্লগের জেপিএফ এর এই বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি অন্যদের চেয়ে আলাদা:

”Tenho contudo a ideia – e a convicção – de que por cá, os retornados foram na generalidade bem acolhidos. Pelo Estado e pelas pessoas em geral. Aliás a maioria e a sua descendência está por aí em situação identica à dos casos dos que já cá estavam e nas respectivas descendencias. Dir-me-ão que conhecem um caso X e outro Y diferentes. Provavelmente, há casos desses. Como os há de retornados que, não necessitando de nada, se fizeram e beneficiaram de toda a prebenda”.

আমার এ বিষয়ে একটা ভিন্ন ভাবনা রয়েছে -এবং স্বীকারোক্তি এখানে রিটার্নী বা ফেরত আসা ব্যাক্তিদের রাষ্ট্র এবং সাধারণ জনগণ উভয়ই ভালভাবেই স্বাগত জানিয়েছিল। ঘটনাক্রমে তারা এবং তাদের বংশধর যারা এখানে আছেন তারা এখন সেভাবেই আছেন অতীতে তারা যেভাবে ছিলেন। অনেকে হয়তো এর বা ওর বেদনার গল্প বলবেন, কিন্তু সেগুলো ব্যাতিক্রম ঘটনা। এবং সম্ভবত এই গল্পগুলো সেইসব ফেরত আসা ব্যাক্তিদের যারা কোন প্রয়োজন ছাড়াই দানকৃত টাকার সুবিধা গ্রহন করেছে।

বিমানবন্দর

কিউবাতাঙ্গোলা(পর্তুগীজ ভাষায়) ব্লগ – এক কৌতুহলজনক ঘটনার কথা জানাচ্ছে:

“Ontem tive a certeza que uma grande maioria dos antigos habitantes de Agola, não enjeita serem chamados de “retornados”. Tenho um familiar que devido a graves problemas de saúde, ACV já por mais de quatro anos se encontra internado num lar para idosos. Recentemente conseguimos arranjar um novo lar com umas condições bastante melhores e uma assistência mais completa, para o mudamos ontem. Quando umas das empregadas soube que este novo utente tinha vivido bastantes anos em Angola e tinha regressado na leva de 75, chegou-se a ela e disse simplesmente, EU TAMBÉM SOU RETORNADA! Uma frase simples, mas tão cheia de significado que foi suficiente para acalmar esta pessoa idosa, arrancando-lhe um sorriso, aqueles sorrisos de cumplicidade que trocamos com as pessoas que já conhecemos há muitos anos. Sim, mais do que nunca continuo a acreditar que esta palavra “RETORNADOS”, identifica um povo, povo esse que não se deve envergonhar de assim ser chamado, mesmo que alguns o achem pejorativo”.

গতকাল আমি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছি যে প্রাক্তন এ্যঙ্গোলাবাসী ব্যাক্তিকে রিটার্নী বা ফেরত আসা বলে ডাকলে তারা রাগ করে না। আমার এক আত্মীয় রয়েছে যার বেশ বড় ধরনের শারীরিক সমস্যা রয়েছে। চার বছর আগে সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়। সে এক কেয়ার হোমে বা বিশেষ হাসপাতালে থাকতো। সম্প্রতি আমরা তার জন্য এক নতুন জায়গা খুঁজে পেয়েছি যেখানকার অবস্থা আগেরটার চেয়ে ভালো এবং তারা রোগীদের আরো যত্ন নেয়। গতকাল আমরা তাকে নতুন স্থানে নিয়ে আসি। তাকে যারা বহন করছিল তাদের একজন জানতে পারে যে, তাদের নতুন রোগী অনেক বছর এ্যাঙ্গোলায় বাস করেছে এবং ৭৫ সালে চলে যাওয়া অনেকের মতোই দেশে ফিরে এসেছে। সেই ভদ্রমহিলা এসে হেসে জানান, তিনিও একজন রিটার্নী! একটা সাধারন উপমা, কিন্তু তার মানে অনেক গভীর, যা এই বৃদ্ধ মানুষটিকে শান্ত করে এবং তার মুখে হাসি বয়ে আনে। এটি ছিল এমন এক হাসি যা অনেক ভিন্ন, এই হাসি কেবল তাদের সাথে আমরা বিনিময় করি যাদের আমরা অনেক দিন থেকে চিনি। আসলে আমি কখনওই বিশ্বাস করতে পারতাম না যে একটি মানুষ রিটার্নী নামে পরিচয়ে লজ্জিত হয় না। এমনকি যদিও অনেকে ভাবে এটি একটি নিন্দাসুচক পরিচয়।

জাহাজে ফেরত আসা লোকেরা

সত্য হচ্ছে যে পর্তুগীজ রাষ্ট্র বা তার নাগরিক কেউ এইসব রিটার্নীদের জীবনকে সহজ করেনি। জেপিএফ এটি নিশ্চিত করছে:

“Tenho família que fugiu de Angola em 75. Foi terrível para muita gente, para muitas famílias. Pelo que apreendi na altura e sei hoje, o Estado português, na época, não lhes prestou lá o apoio que deveria. Abandonou-os, mesmo. Mas isso é uma questão que têm de colocar aos responsavéis políticos de então. Basicamente, militares barbudos, alguns comunistas, muitos revolucionários e oficiais-generais, como Rosa Coutinho, Vasco Gonçalves e Costa Gomes. E outros de quem não conhecemos os nomes”.

আমার পরিবার ৭৫ সালে এ্যাঙ্গোলা থেকে পালিয়ে আসে। এটা অনেক মানুষের জন্য, অনেক পরিবারের জন্য বিপদ বয়ে আনে। এটি আমি সে সময় এবং এই সময়েও উপলদ্ধি করতে পারি। পর্তুগাল সরকার তাদের কোন সাহায্য করেনি যা সে সময় তাদের প্রয়োজন ছিল। সে সময় তারা ছিল পরিত্যক্ত। কিন্তু প্রশ্নটি ছিল সে সময়ের রাজনীতিবিদরা কোন পথে বিষয়টিকে চালনা করছিল? আসলে তারা ছিল শুশ্রূমন্ডিত সামরিক সৈনিক, যাদের মধ্যে অনেকে ছিল সাম্যবাদী; অন্যরা ছিল বিপ্লবী এবং সাধারণ কর্মচারী, যেমন রোজা কুটিনহো, ভাস্কো গনজালভেস, কোষ্টা গোমেজ এবং তাদের সাথে আরো অন্যরা যাদের নাম আমরা জানি না।

এটি সত্যি যে বেশীরভাগই পুরোন শহর ছেড়ে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কিন্তু অনেকে ঠিক করলো তারা থেকে যাবে। এটি এমন কোন স্থান ছিল না যা একটা পরিবারের মতো, যেখানে স্বপ্ন এবং এক আশাবাদী ভবিষ্যৎ একসাথে মিশে থাকে। জেপিএফ তার ব্লগে মাতৃভূমির জন্য সাহস এবং ভালোবাসার এক গল্প বলছে।

“Há uns anos, li na revista Pública, uma excelente reportagem com “o mais velho português de Angola”. Era um tipo com quase 90 anos. Tinha nascido lá, por volta de 1910. O seu avô tinha ido para Angola na primeira metade do século XIX.
O homem relatava a história da sua vida. Em 74 ou 75, quando rebentaram a sério as hostilidades em Angola, desfez a casa, carregou carros e camionetas e rumou, da cidade onde vivia, a caminho de Luanda, para se pirar com a família. Chegado a meio do percurso, de muitas centenas de quilómetros e milhares de perigos, parou o carro e pensou: vou fugir para onde? Porquê? Esta é a minha terra! Esta é a terra que eu gosto!
Voltou para trás com a família e ficou. Hoje terá perto de cem anos. Ou já morreu – na terra onde nasceu e que sempre amou. E onde foi enterrado pelos seus familiares.
Não tenho dúvidas de que este velhote amava mesmo de Angola”.

বেশ কয়েক বছর আগে আমি এ্যাঙ্গোলার সবেচেয়ে বয়স্ক পর্তুগীজ লোক সম্বন্ধে এক অসাধারণ গল্প পড়েছি। এটি পুবলিকা ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছিল। ৯০ বছর বয়স্ক ব্যাক্তিটির জন্ম হয়েছিল পর্তুগালে, ১৯১০ সালের দিকে। বিংশ শতকের প্রথম ভাগে তার দাদা এ্যাঙ্গোলায় যায়। এই মানুষটি তার গল্প বলছিল। ৭৪-৭৫ সালে যখন এ্যাঙ্গোলায় ভয়াবহ আক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে, সে তার বাড়ীঘর গুছিয়ে ফেলে ও ঘরের যাবতীয় জিনিষ তার গাড়ীতে ভরে ফেলে। সে যে লূয়ান্ডা শহরে বাস করত সেখান থেকে বেরিয়ে পড়ে তার পরিবার নিয়ে। উদ্দেশ্য শহর থেকে পালিয়ে যাওয়া। অর্ধেক পথ পার হওয়ার সময় সে শত মাইল পথ অতিক্রম করে এবং হাজার বিপদ মোকাবেলা করার পর নিজেকে প্রশ্ন করে, “এখান থেকে পালিয়ে আমি কোথায় যাচ্ছি? কেন পালাচিছ? এটি আমার মাতৃভুমি! যে মাটিকে আমি ভালোবাসি”। সে তার পরিবার সহ যেখান থেকে এসেছিল আবার বাড়ীতে ফিরে গেল এবং সেখানেই বাস করতে লাগলো। আজকাল সে প্রায় শতবর্ষ ছোয়ার পথে রয়েছে অথবা সে যদি মারা গিয়ে থাকে, এমন এক ভুমিতে মারা গেছে যেখানে তার জন্ম এবং বাস এবং সেখানে তাকে সমাহিত করা হয়েছে তার আত্মীয়দের পাশে। আমার কোন সন্দেহ নেই এই বৃদ্ধ এ্যাঙ্গোলাকে খুবই ভালোবাসতো।

শেষে মেনুস এসকেপস (আমার পলায়ন) ব্লগের কার্লোস পেরেইরা একটি ভিডিও এখানে যোগ করেছেন। এই ভিডিওটি নির্মাণ করা হয়েছিল ১৯৭৫ সালে লুয়েনাতে। ভিডিওর বিষয়বস্তু সে সময়কার পলায়নপর জনগোষ্ঠীকে নিয়ে। এই ভিডিওকে তিনি “কলোনী উচ্ছেদে তৈরী হওয়া এক ধবংসাত্বক নাটকীয়তার শিকার মানুষদের মুহুর্ত” নামে অভিহিত করছেন।

এই লেখার চমৎকার সব ছবিগুলো উপরের ভিডিও থেকে নেয়া যা আপলোড করেছেন ডেইলী মোশন ব্যবহারকারী কুতেম্বা

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .