বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

পাকিস্তান: “আমেরিকা কর্তৃক আরেকটি কাপুরুষোচিত আক্রমণ”

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে পাকিস্তানী অঞ্চলের ভেতরে ঢুকে হামলা চালায় সেটি কারো অজানা নয়। কয়েকদিন আগে দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের আড্ডা অঞ্চলে এরুপ একটি আক্রমণে ২০ পাকিস্তানী মারা গেছেন। কিন্তু এই শেষ নয়। এটি সাম্প্রতিক কালে পঞ্চম আঘাত। এই মৃতরা সবাই নিরপরাধ ছিলেন। তারা সন্ত্রাসী বা তাদের সাপোর্টার ছিলেন না, তবুও ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে’ তাদের মরতে হলো।

ব্রিগেডিয়ার (অব:) জুনায়েদ রহমান দ্যা পাকিস্তানি স্পেক্টেটর এ লিখছেন:

আমেরিকার সৈন্যদের রক্তপিপাসা এখনও মেটেনি এবং তারা আরও (মৃত্যু) চাইছে। এবং তাদের পাগলামী তারা পাকিস্তানী ভুমিতেও সম্প্রসারিত করেছে। তারা ওয়াজিরিস্তানের এন্গোর আড্ডায় আক্রমণ দিয়ে শুরু করেছে এবং সেখানেই থেমে যায়নি। চারটি সিএইচ-৪৭ পরিবহন হেলিকপ্টারে করে এসে অনেক আমেরিকান সৈন্য অবতরন করে এবং যে সমস্ত পুরুষকে তারা পেয়েছে গুলি করে মেরেছে। যারা মারা গেছে তারা সবাই পরবর্তী দিনের রোজা থাকার জন্যে সেহেরী বানাতে ব্যস্ত ছিল। মৃতদের মধ্যে মহিলা এবং শিশুরাও ছিল। অন্যরা ঘটনাস্থলে এসে দেখে যে তারা তাদের বাড়ীর বাইরে পড়ে আছে মাথায় বুলেটের আঘাত নিয়ে।

সব ধরনের মানুষ এবং বিভিন্ন ব্লগাররা জোর কন্ঠে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেগুপ্পু ব্লগের ফারহান এই আক্রমণকে লজ্জাজনক, কাপুরুষোচিত এবং পাকিস্তানের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে হুমকি বলে অভিহিত করেছে।

পাকিস্তানী পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশী জোর কন্ঠে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং বলেছেন যে এই আঘাতের জবাব দেবার অধিকার পাকিস্তানের আছে। জামাতে ইসলাম দলের নেতা কাজী হুসেইন আহমেদও বলিষ্ঠ কণ্ঠে এর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে যে পাকিস্তান সরকারের শুধু প্রতি আক্রমণ করার অধিকার রয়েছে এমন নয় তাদের এটি করা উচিৎ কারন এটি প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। পাকিস্তানের তেহরিক-ই ইনসাফ পার্টির নেতা ইমরান খান বলেছেন যে আমেরিকান সেনারা সরকারী কর্মকর্তাদের অনুমতিতেই এই আক্রমণ করেছে যারা রাষ্ট্রপতি মুশাররফের নীতি এখনও চালিয়ে যাচ্ছে।

সাধারণ মানুষ সরকারের কার্যক্রমে খুবই হতাশ।

বাজভাইনসনিয়া এই বলে তার রাগ ঝাড়ছে পাকিস্তান সরকারের উপর:

“কিভাবে কেউ পাকিস্তানকে এভাবে আক্রমণ করতে পারে, যেখানে আক্রমণকারীরা প্রথমে পাকিস্তানী সৈন্যদের ভাড়া করেছে তাদের দেশবাসীদের হত্যা করার জন্যে এবং পরে একসাথে মিলে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান ইতিমধ্যে চালিয়েছে। সেনাবাহিনী এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীর জন্যে এটি খুবই লজ্জাজনক!!!

ওদিকে চৌরঙ্গির ফাহাদ এই কথাগুলো দিয়ে তার মনোভাব ব্যক্ত করছে:

আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ“পাকিস্তান নাকি জাতিসঙ্ঘের দুত অ্যান ডাব্লিউ প্যাটারসনকে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে ডেকে পাঠিয়েছে অ্যাঙ্গুর আড্ডা ঘটনার জন্যে। এখনও এটি সত্যি পরিস্কার নয় যে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ প্যাটারসনের কাছে অভিযোগ করেছে নাকি তিনি পাকিস্তানিদের ভৎসর্ণা করেছে অ্যাঙ্গুর আড্ডায় বেশী রক্ত বয়ে যায়নি এই জন্যে।”

অনেক ব্লগার এই আক্রমণের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে উপরের এই ব্যাজ ধারন করে যা বলে “আমরা পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমনের প্রতিবাদ করছি”।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .