বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মিশর: পবিত্র রমজান মাসকে স্বাগতম

Ramadan Fanoosসোমবার থেকে আরম্ভ হওয়া মুসলিমদের পবিত্র রমজান মাসের আলাদা মর্যাদা আছে মিশরে, যেখানে এ উপলক্ষে রাস্তাঘাট সাজানো হয়। একজন ব্লগার আমাদেরকে সেখানকার বাস্তবিক অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে উৎসবটি কেমন হয় তা তুলে ধরেছে।

মিশরী ব্লগার সাসা তার ব্লগ স্টোরীজ ফ্রম দা পাস্ট এ মাস্রাউই নামের একটি মিশরী ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটা রিপোট থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন যেখানে ইরানে সাম্প্রতিক একটি প্রকাশিত সংবাদে ব্যাখ্যা করা হয়েছে মিশর কিভাবে এই পবিত্র মাসকে আহ্বান করে:

القاهرة- ذكر تقرير لوكالة الانباء الايرانية أن لرمضان في مصر طعم خاص نظرا لعادات متوراثة حافظت عليه الاسر المصرية لمئات السنين ويعود بعضها الي ايام الدولة الفاطيمة
فلايوجد شارع واحد في مصر حاليا يخلو من الزينات باستقبال الشهر الكريم ويقول
التقريرمع بداية شهر رمضان ينقلب حال الشارع المصري تماما..اطفال صغار يتسابقون
لوضع الزينات والاعلام بشوراعه في مسابقة سنوية بين الاطفال للوصول الي الشكل
الاجمل لشارعه ليكونوا حديث المارة

কায়রো- ইরানি সংবাদ সংস্থার একটি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে মিশরে রমজানের আলাদা মজা, বিশেষ করে বংশপরষ্পরায় পাওয়া ঐতিহ্য যা রক্ষা করা হয়েছে আর মেনে চলা হয়েছে মিশরী পরিবার দ্বারা শত শত বছর ধরে। এদের মধ্যে কিছু ঐতিহ্য ফাতিমিদদের সময়কার। মিশরের মনে হয় একটা রাস্তা পাওয়া যাবে না যা সাজানো হয়নি পবিত্র মাসকে স্বাগত জানিয়ে। আর মাসের শুরুর দিকে মিশরের রাস্তার চেহারা হয় অন্যরকম, যেখানে বাচ্চারা প্রতিযোগীতায় নামে এলাকার সব থেকে সুন্দর রাস্তা সাজানোর জন্য, বিভিন্ন সজ্জা আর রঙ্গীন পতাকা দিয়ে।

সে আরো বলেছে:

كذلك لا يخلو شارع مصري من تجمع لبيع “الفوانيس ” وآخر لبيع مستلزمات الشهر الكريم الغذائية خاصة ما يعرف حاليا ب”شنطة رمضان ” وهي عبارة عن حقيبة تحوي مستلزمات غذائية ويشتريه الميسورون لتوزيعه علي الفقراء واصحاب الدخل المحدود في ظاهرة تتزايد سنويا لتكون مع موائد الرحمن خير تعبير عن التضامن بين ابناء الشعب المصري في ظل ظروف اقتصادية صعبة تمر بها الطبقات الفقيرة بمصر
وفي جولة بعدد من الشوارع لرصد مظاهر الاحتفال كانت البداية في منطقة “الجيزة” التجارية حيث انتشرت محلات بيع الفوانيس بكثرة وسط اقبال جماهيري

প্রায় সব দোকানেই পাওয়া যাবে ফাওয়ানিস [ফানুসের বহুবচন- ঐতিহ্যবাহী লন্ঠন] এবং অবশ্যই রমজানের খাদ্য (ইফতার) যাকে রমজানের ব্যাগ বলা হয়। এমন ব্যাগে গরীব বা স্বল্প আয়ের লোকদের মাঝে বড়লোকদের বিতরন করার জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য থাকে। ‘দয়ার টেবিলে’ পাশাপাশি থাকার [গরীবদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা] এই রীতিটি প্রতি বছর আরও বেশী লোকে আপন করে নিচ্ছে যেখানে মিশরীয়দের মধ্যে ঐক্য প্রতিফলিত হয়, গরীবদের কষ্টকর দীনতা সত্তেও তাদের দুরে ঠেলা হয় না।

গিজা থেকে শুরু করে আমি বেশ কিছু মিশরী রাস্তা দিয়ে গেলাম এইসব ব্যাপার দেখার জন্য যার সবগুলোতেই ফাওয়ানিসের দোকান ছড়িয়ে আছে আর বেশ বিক্রি হচ্ছে।

মিশরীয় দম্পতিদের মধ্যের একটা নতুন প্রবণতার কথাও সে বলছে:

والجديد هذه الايام ان الفوانيس لم تعد قاصرة علي لهو الصغار بل امتدت الي الكبار ايضا حيث اصبحت عادة لدي الشباب الخطوبين، فكل خطيب يحرص علي شراء فانوس لخطيبته
كهدية لها وكنوع من انواع التفائل لاتمام زواجهم السعيد

এই বছরের নতুন রীতি হলো, ফাওয়ানিস শুধুমাত্র ছোট বাচ্চারাদের পছন্দ নয়, বড়রাও করছে, যেখানে বাগদত্তা দম্পতিরা একটা ফানুস [ফাওয়ানিসের একবচন] তাদের বাগদত্ত বা বাগদত্তাকে দিতে চায়, আনন্দের একটা বিয়ের দিকে ধাবিত হবার চিহ্ন হিসাবে।

ছবি: উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .