বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

প্যারাগুয়ে: প্রেসিডেন্ট লুগো বেতন নেবেন না

ফারনান্ডো লুগো তার রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ শুরু করেছেন এই ঘোষণা দিয়ে যে তিনি তার মাসিক বেতন নেবেন না। “আমি সেই বেতন চাই না যা গরীবদের বেশী দরকার,” বলেছেন লুগো। স্থানীয় বিভিন্ন ব্লগাররা ব্যাপারটা বিভিন্ন ভাবে দেখছে, একজন এর প্রশংসা করেছে আর একজন চিন্তা করেছে যে লুগো নিজের খরচ কি করে চালাবেন।

রেস্কাতার (স্প্যানিশ ভাষায়) এর কার্লোস রড্রিগেজ প্রচার মাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকজনের প্রতিক্রিয়ার সারসংক্ষেপ করেছেন। কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তকে ছোট করে দেখিয়েছেন এই বলে যে ভুতপূর্ব এই পুরোহিতের স্ত্রী বা সন্তান নেই ভরনপোষনের জন্য, আর অন্যরা ভাবছে যে তিনি কি তার অধীনে থাকা সংরক্ষিত ফান্ড থেকে খরচ করবেন কিনা। রড্রিগেজ ব্যাপারটা অবশ্য অন্যভাবে দেখেন:

En ese contexto, el anuncio de Lugo de renunciar a su salario, nosotros lo interpretamos como un mensaje de “no vengo por el dinero”.

Trascendente y crucial mensaje en una nación en la que un elevado porcentaje de políticos, elevadísimo más bien, se lanza al ruedo en busca de poder político para alcanzar lo más pronto posible el poder económico, justamente robando.

লুগোর বেতন ছেড়ে দেয়ার এই ঘোষনার প্রেক্ষাপটে, আমরা তার বানীকে এভাবে দেখতে পাই “আমি এখানে টাকার জন্য আসি নি।” এটা একটা অতি উৎকৃষ্ট আর গুরুত্বপূর্ণ বানী একটা দেশে যেখানে বেশ উঁচু হারে রাজনীতিবিদরা রাজনৈতিক ক্ষমতার অন্বেষন করেন দ্রুত অর্থনৈতিক সম্মৃদ্ধি পাওয়ার জন্য, চুরির মাধ্যমে।

ডেট্রাস ডেল পাপেল এর জজ টোরেস রোমেরো এভাবে ব্যাপারটি দেখেন না আর মনে করেন যে এটি বিচক্ষণতার কাজ হয়নি:

Al día siguiente de este anuncio de Lugo, algunos medios de prensa lanzaron la pregunta si quien se animaba seguir el ejemplo del presidente. Obviamente, nadie. Federico Franco, por ejemplo, aclaró que tiene una familia que mantener y vaya razón más que suficiente para no desprenderse de ese derecho legítimo de cobrar su salario.

¿De qué va vivir el presidente?¿Quién pagará por su ropa, su comida y otros gastos que pueda tener?¿Es tanto el ahorro que tiene?¿Vivirá de la renta de sus inmuebles?¿Estará pagando sus impuestos? ¿O esperará la colaboración, los regalos e invitaciones de los amigos?

লুগোর ঘোষণার পরের দিন, প্রচার মাধ্যমের কয়েকজন জানতে চায় যে কারা কারা প্রেসিডেন্টের পদাঙ্ক অনুসরন করতে চায়। অবশ্যই কেউ না। যেমন নতুন ভাইস প্রেসিডেন্ট ফেডেরিকো ফ্রাঙ্কো, বলেছেন যে তার একটা পরিবারকে ভরনপোষণ করতে হয় আর তিনি তার জীবিকা অর্জনের আইনসিদ্ধ অধিকার ত্যাগ করবেন না।

প্রেসিডেন্ট কিসের উপর বাঁচবেন? তার কাপড়, খাদ্য আর অন্যান্য খরচ যা তার হবে তা কে দেবে? তার কি এত টাকা সঞ্চিত আছে? তিনি কি তার সম্পত্তির ভাড়া থেকে বাঁচবেন? তিনি কি ট্যাক্স দেবেন? নাকি তিনি বন্ধুদের কাছ থেকে সাহায্য, উপহার আর নিমন্ত্রণের জন্য অপেক্ষা করবেন?

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .