বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

সৌদি আরব: উপমহাসাগরীয় অঞ্চলে দাসত্ব

দুই সপ্তাহ আগে বাংলাদেশী শ্রমিকরা কম বেতন আর কাজের অসুস্থ পরিবেশের জন্যে চাকুরিদাতার বিরুদ্ধে সহিংস প্রতিবাদ করেছিল কুয়েতে। এই প্রতিবাদের পরে প্রায় দুইশোরও বেশী শ্রমিককে সে দেশ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। এই লেখায় আমরা দুজন সৌদি ব্লগারের মতামত জানব যে কিভাবে সৌদি আরব এবং অন্যান্য উপমহাসাগরীয় দেশগুলোতে আধুনিককালের দাসত্ব চলছে।

আহমেদ বাবুদ শুরু করেছেন আমেরিকার দাসত্বের ইতিহাস দিয়ে:

أعلن الكونجرس الأمريكي منذ بضعة أيام عن اعتذار رسمي للأمريكيين الأفارقة عن سنوات العبودية الطويلة التي عانوا منها في أمريكا على أمل أن تكون هذه خطوة من أجل محاربة العنصرية و تخفيف جروح الماضي المرة، في نفس الوقت تابعنا الأنباء عن إضرابات العمال الأجانب في الكويت بسبب عدم دفع رواتبهم الضعيفة أصلاً!.

কয়েকদিন আগে ইউএস কংগ্রেস আফ্রিকান-আমেরিকান সম্প্রদায়ের কাছে আনুষ্ঠানিক ভাবে ক্ষমা চেয়েছে তাদের প্রতি বহু যুগ ধরে যে দাসত্ব চালানো হয়েছিল তার জন্যে। কংগ্রেস আশা করে এটি পূর্বের ক্ষত সারাতে সাহায্য করবে ও বর্ণবাদ রোধ করবে। সাথে সাথেই আমরা খবরে পড়ছি যে কুয়েতে বিদেশী শ্রমিকরা তাদের বর্তমানের কম বেতনও ঠিক মত না পাওয়ার কারনে ধর্মঘট করছে।

তিনি তারপর সৌদি আরবের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করছেন:

في مملكة الإنسانية أجد أن صنوف كثيرة من العاملين هنا يعانون من أشكال مختلفة من سوء التعامل و ساعات العمل الطويلة بالإضافة إلى عدم وجود نظام مقنن للإجازات الأسبوعية بصورة مفجعة، و نظراً لعدم وجود الكثير من السعوديين العاملين كبائعين في المحلات لا نجد أن هناك إحساس بحجم المعاملة القاسية التي يعيشها مئات الألوف من العاملين هنا.
أتكلم من خلال معرفة شخصية لأن لي أقارب يعملون كبائعين في محلات أقمشة و بيع ساعات يعملون من الساعة التاسعة صباحاً حتى صلاة الظهر (أي إلى حدود الساعة الثانية عشر ظهراً)، و بعد ذلك يعودون للعمل من الساعة الرابعة و النصف حتى الساعة العاشرة و ربما الحادية عشر مساءً، أي ما مجموعة ثمان ساعات يومياً تقريباً و بشكل يومي من غير أيام إجازة أسبوعية، بل حتى إجازات الأعياد تكون مقصورة في العادة على يوم أو يومان. كما إن الأمور تصل إلى حد غير معقول خلال العشر الأواخر من شهر رمضان حيث تستمر ساعات العمل إلى الساعة الثانية صباحاً.

আমাদের ‘মানবিক রাজত্বে’ আমি দেখি যে বিভিন্ন ধরণের শ্রমিকেরা অতিরিক্ত সময় কাজ করা ছাড়াও অনেক ধরণের নির্যাতন ও নীপিড়নের শিকার হচ্ছে। তাদের অনেককেই সাপ্তাহিক ছুটি দেয়া হয় না। খুব কম সৌদি লোকই দোকানে বিক্রেতার চাকুরী করে তাই তারা হয়ত বুঝতে পারে না যে লাখো লাখো সেলসম্যান কি সমস্যার মধ্যে আছে।

আমি নিজস্ব অভিজ্ঞতার কথা বলছি, কারন আমার কয়েকজন আত্মীয় ঘড়ি ও কাপড়ের দোকানে সেলসে কাজ করে। তারা সকাল নয়টা থেকে জোহরের নামাজের সময় পর্যন্ত কাজ করে। তারপর আবার সাড়ে চারটা থেকে কাজে যোগ দিয়ে রাত দশটা এমনকি ১১টা পর্যন্ত কাজ করে। তার মানে তারা প্রতিদিন আট ঘন্টার বেশী কাজ করে সাপ্তাহিক কোন ছুটি ছাড়া। এমনকি ঈদের সময়ও তারা একদিন বা দুদিনের বেশী ছুটি পায় না। রমজানের শেষ দশদিন তাদের অসম্ভব পরিশ্রম হয় কারন দোকান প্রায় রাত দুটো পর্যন্ত খোলা থাকে।

ساعات العمل الطويلة و انعدام أيام الإجازات تعني انعدام أي حياة اجتماعية حقيقة لأمثال هؤلاء العاملين على الرغم من ضعف الرواتب كل هذا يؤدي من جهة إلى خلق حالة من الانفصال بين هؤلاء العاملين و السعوديين و صنع جو من الحنق و المشاعر السلبية التي تتزايد بسبب سوء المعاملة التي يتعرض لها هؤلاء العاملين خلال أعمالهم اليومية. ما سبق أيضاً يدفع كحاجز واضح و كبير نحو سعوده مثل هذه الوظائف بسبب ساعات العمل الطويلة و ضعف الرواتب على الرغم من وجود عدد معقول من الباعة السعوديين العاملين في بعض شركات التجزئة الكبرى و لكن الأمل أن تصبح كل هذه الوظائف مشغولة بسعوديين.

লম্বা সময়ের কাজ এবং ছুটির অভাবের মানে হচ্ছে এইসব সেলসম্যানদের সামাজিক জীবন বলতে কিছু নেই। তারপরে তাদের বেতনও সৌদিদের থেকে অসম্ভব কম। ফলে তাদের মধ্যে এক ধরণের বৈরিতা তৈরি হচ্ছে। প্রতিদিনের কাজেই শ্রমিকরা এই ধরনের বৈষম্যের স্বীকার হয়ে ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতায় ভুগছে। কিছুদিন আগে পর্যন্ত কম বেতন ও বেশীক্ষণ কাজ করতে হয় বলে এসব কাজ সৌদিদের ইচ্ছে করেই দেয়া হতো না। কিন্তু বর্তমানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রিটেইল কোম্পানিতে সৌদিরা সেলসম্যান হিসেবে কাজ করছে। ভবিষ্যতে সৌদিরা হয়ত এইসব কাজ নিয়ে নেবে।

আরেকজন ব্লগার, আহমাদ, কুয়েতের এসব ঘটনা দেখে বিষ্মিত নয়:

يسجل التاريخ أن التغير الكبير لا يظهر إلا بثورة ، وأبطال هذه الثورات إما أن يتحولون إلى أبطال يذكرهم التاريخ طوال سنوات ويمجدهم في الكتب والمراجع ، أو هم يصبحون ضحايا للثورة فيخسرون كثيراً .. قد يصل الأمر إلى أن يخسرون حياتهم .
تذكرت الكلمات السابقة وأنا أشاهد ردة فعل العمالة في دولة الكويت خلال الاسبوع الماضي ، حيث أضرب عدد كبير من العمال وبعضهم شارك في مظاهرة علنية في الشوارع والميادين مطالبين بتحسين الأنظمة ، بغض النظر عن إشكاليات العمال والجرائم التي انتشرت مؤخراً ، أنا على يقين بأننا في دول الخليج – ليس في الكويت فحسب – لازلنا ننظر إلى العمالة الآسيوية نظرة متدنية وخالية من أي تقدير واحترام أشببها بالنظرة الحيوانية ، فالمواطن ينظر للعامل ويتعامل معه وكأنه ليس انساناً مثله ، ناهيك عن تعامل الشركات التي تقدم رواتب شهرية متدنية جداً ، أعلم بأن 120 دولار (450 ريال) تعتبر مرتباً عالياً جداً للموظف في بنغلادش مثلاً ، لكنها لن تستطع أن تجعل عاملاً في الرياض أو دبي أو الكويت يعيش بأقل التكاليف مع توفير مبلغ نهاية كل شهر ، فلو فرضنا أن جميع وجبات الأكل الثلاث تكلف العامل في اليوم الواحد فقط 12 ريال فهذا يعني بأنه يحتاج إلى 360 ريال شهرياً فقط لوجباته الثلاث ، ناهيك عن الملبس والتنقل والتوفير .

ইতিহাস বলে যে বিপ্লবের মাধ্যমেই পরিবর্তন আসে, এবং এইসব বিপ্লবের বীররা হয়ত সবার দ্বারা প্রশংসিত হয়ে ইতিহাসের পাতায় ঠাই পায় অথবা হয়ত বিপ্লবে অংশগ্রহণের জন্যে তাদের উপর খড়্গ নেমে আসে এবং তাদের সবকিছু হারায়। আমার এই কথাগুলোই মনে হয়েছিল কুয়েতে শ্রমিকদের প্রতিবাদ দেখে। তাদের অনেকেই ধর্মঘটে গিয়েছিল এবং অনেকে রাস্তায় প্রতিবাদে নেমেছিল (শ্রমিক সংক্রান্ত) সরকারী নীতির সংস্কারের জন্যে। এইসব শ্রমিকদের সমস্যা এবং তাদের অপরাধ বিবেচনা করেও আমি নিশ্চিত শুধু কুয়েত নয় গাল্ফ অঞ্চলের আমরা সবাই এশিয়ার শ্রমিকদের নীচু করে দেখি। তাদের কোন ধরনের প্রশংসা বা সম্মান তো করিই না, পশুর মত ব্যবহার করি। আমাদের নাগরিকরা তাদের সাথে এমনভাবে ব্যবহার করে যেন তারা মানুষ নয়, আর কোম্পানিরাতো তাদের সাথে আরও খারাপ ব্যবহার করে, কম বেতন দেয়া থেকে শুরু করে। আমি জানি যে ১২০ আমেরিকান ডলার (৪৫০ রিয়াল) হয়ত বাংলাদেশে উঁচু মাসিক বেতন অনেকের জন্যে, কিন্তু এই বেতনে রিয়াদ, দুবাই বা কুয়েতে কোন শ্রমিক জীবনধারণ করতে পারবে না, কোন টাকা জমানো তো দুরে থাক। আমরা যদি দৈনিক তিন বেলা খাবারের কথা চিন্তা করি, শ্রমিকদের কমপক্ষে ১২ রিয়াল ব্যয় করতে হবে প্রতিদিন। এবং তার মানে তাদের ৩৬০ রিয়াল খাবারের পেছনেই ব্যয় হবে, কাপড়, যাতায়াত ও অন্যান্যর কথা বাদই দিলাম।

الشركات تستغل ضعف وزارات العمل الخليجية وانشغالها بالموظفين المواطنين إلى الضغط على الآسيويين واستغلالهم شر استغلال بما فيها المرتبات المدنية وساعات العمل الطويلة وسوء مكان السكن وانعدام أي مميزات ، من المفترض أن لا يزيد عدد ساعات العامل عن 9 ساعات يومياً لكننا نشاهد العمالة في مواقع البناء والمصانع وحتى المطاعم تعمل على مدار اليوم ثم نغضب عندما تصدر مؤسسات حقوق الانسان الغربية اتهامات بعبودية (البشر) في دول الخليج .
الشركات الكبرى الآن تضغط على الحكومات التي تتأخر في دفع مستحقات المشاريع الكبيرة بعدم دفع رواتب العمال ، فحين يحتج العامل ويوصل صوته للمسؤولين في بلاده يكون رد الشركة بأننا ننتظر (التعميد من الحكومة ) أي استلام جزء من مستحقات المناقصة وهو الذي يتأخر بالأشهر ويصل إلى 7 أو 8 شهور ، الضحية هنا العامل الذي لاعلاقة له بكل ذلك .. يحرم من مرتبه الضئيل فترات تصل إلى 8 شهور .. ثم نغضب حينما يلجأون للجريمة والسرقة .

গাল্ফ অঞ্চলের শ্রম মন্ত্রণালয়রা দেশের নাগরিকদের কাজের ব্যাপারেই শুধু চিন্তা করে এবং এই দুর্বলতাকেই কাজে লাগায় বিভিন্ন কোম্পানি। তারা শ্রমিকদের উপর তাদের শয়তানি চাল চালে কম বেতন, অতিরিক্ত কাজ, নিকৃষ্ট বাসস্থান ইত্যাদি দিয়ে এবং সব ধরণের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে। যদিও কাজের সময় নয় ঘন্টার বেশী হবার কথা নয় আমরা দেখছি যে নির্মানশিল্পে এমনকি রেস্টুরেন্টে সারাদিন ধরে শ্রমিকরা কাজ করছে। তারপরেও আমরা রেগে যাই যখন মানবাধিকার সংগঠনগুলো গাল্ফ অঞ্চলে দাসত্বের অভিযোগ তুললে।

সরকারী বড় বড় প্রকল্পের পাওনা যখন পরিশোধ করতে সরকার দেরী করে, অনেক কোম্পানিরাই শ্রমিকদের বেতন দেয়া বন্ধ রাখে। যখন শ্রমিকরা প্রতিবাদ শুরু করে এবং তাদের কণ্ঠ তাদের দেশের কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে, ঐসব কোম্পানীরা তাদের কাছে বলে যে সরকারের কাছ থেকে টাকা পাচ্ছে না বলে তারা দিতে পারছে না। অথচ হয়ত তাদের প্রাপ্যের কিছু পরিমাণই বাকী আছে যা হয়ত সাত-আট মাস পরে পাওয়া যাবে। এর সাথে শ্রমিকদের কোন সম্পর্ক না থাকলেও তারা এ দিয়ে শ্রমিকদের জিম্মি করে রাখে। তাদের আট মাস ধরে বেতন দেয়া হয় না – তারপরেও আমরা রেগে যাই যখন তারা অপরাধ ও চুরি চামারী বেছে নেয়।

بالنسبة لي عندما أستمع إلى شكاوي العمالة حقيقة يحز في خاطري أن يتم معاملتهم بطريقة فيها من (العبودية) الشيء الكثير .. يكفي أن بعض الشركات تطلب من العامل مرتب شهر نظير تجديد الإقامة ، وشركات أخرى تمنع العامل من التمتع بإجازته الاسبوع ، وأخرى تحرمه من أي استئذان أو إجازة حتى بحجة المرض ، أحد العمال قال لي بأنه يعمل في السعودية منذ 3 سنوات ولم يستطع أداء العمرة لأن الشركة ترفض منحه يومين إجازة.
كل هذه السلبيات تتكرر أيضاً في العمالة المنزلية ، ففي كل دول الخليج تعمل الخادمة أو السائق نحو 18 ساعة يومياً بلا توقف ، وهناك الكثير منهم لا ينعمون بمكان نوم ملائم ، بل هناك من يجبر الخادمة على النوم في المطبخ بين الفرن والثلاجة ! ، في أحد المرات ذكر لي صديق (متفاخراً ) بأنه لا يجعل الخادمة تغسل (حوش) المنزل خوفاً من تلقيها أرقاماً هاتفية من سائقين بالجوار .. لذلك فهي لا تتجاوز حدود المنزل الداخلي وربما لا تنعم بضوء الشمس سوى عند نشر الملابس في سطح المنزل ، وعلى كل حال يؤكد أيضاً بأنها لا تخرج مع العائلة للسوق أو المطاعم حتى يضمن عدم تعرفها لعمال آخرين ، قلته له بالعربي ( هي في سجن ؟) ، فأجاب .. (بس هي راضية!)

যখন আমি শ্রমিকদের দু:খ দুর্দশার আসল ঘটনাগুলো শুনি, আমার এটাই বুঝতে পারি যে তাদের দাসের মতই ব্যবহার করা হচ্ছে। কোন কোন কোম্পানি তাদের রেসিডেন্স পার্মিট নবায়নের জন্যে একমাসের বেতন কাটে, আরেক কোম্পানি শ্রমিকদের সাপ্তাহিক ছুটি থেকে বঞ্চিত করে। তাদের ছুটির জন্যে কোন ওজর শোনা হয় না, এমনকি অসুস্থ অবস্থায়ও তাদের কাজ করতে হয়। একজন শ্রমিক বলেছে যে সে তিন বছর ধরে সৌদি আরবে কাজ করছে কিন্তু একবারও হজ্জ্ব করতে পারেনি কারন তার কোম্পানি তাকে দুদিনেরও ছুটি দেয়নি। 

এইসব খারাপ দিকগুলোর প্রভাব বাসার কাজেও পড়েছে। সমস্ত উপমহাসাগরীয় দেশগুলিতে বাসার কাজের লোক বা ড্রাইভার ১৮ ঘন্টা একনাগারে কাজ করে, এবং এদের অনেকেরই ঠিকমত শোয়ার যায়গা নেই। কারও কারও শোয়ার জায়গা মিলে রান্নাঘরে, ফ্রিজ এবং ওভেনের মাঝামাঝি যায়গায়। একদা আমার এক বন্ধু বলেছিল (গর্ব সহকারে) যে সে তার কাজের মেয়েকে উঠান ঝাড়ু দিতে দেয় না কারন সে হয়ত পড়শীর ড্রাইভারের ফোন নম্বর জেনে যেতে পারে। তাই সে কখনও বাড়ীর বাইরে যাবার সুযোগ পায় নি এবং হয়ত কোনদিন সুর্যরশ্মির স্পর্শ পায় নি ছাদে কাপড় শুকানোর সময় ছাড়া। আমার বন্ধুটি বলেছিল যে তাকে পরিবারের সাথে দোকান বা রেস্টুরেন্টেও যেতে বাধা দেয়া হয় অন্যান্য কাজের লোকের সাথে পরিচিত হবে এই ভয়ে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘সে কি জেলে বন্দী?’ সে বলল, ‘কিন্তু এই কাজের মেয়ে তো সুখেই আছে!’

المشكلة الكبرى فينا وليست في الاسلام بطبيعة الحال ، لكننا نتفاخر بعاداتنا وثقافتنا وروحنا الاسلامية ولا نطبقها على أرض الواقع ، جرب وقف يوماً في إشارة مرور مزدحمة قرب مواقع العمل والمناطق الصناعية ، شاهد كيف تحشر العمالة تحت درجة حرارة 45 في سيارة نقل أعدت لنقل المعدات .. والخراف في أحسن الأحوال .. لكن جشع صاحب المصنع أو الشركة يمنعه من شراء باص قد لا يزيد سعره عن 40 ألف ريال لنقل العمالة من المكانالإقامة للعمل ، ووالله لو كان الأمر بيدي لرفعت قضية ضد أي شركة ينقل عمالتها بسيارات (نقل) وحكمت على المالك بأن يخوض تجربة النقل في ( دينا) لمدة اسبوع (طبعا هذا في الاحلام ).

سل نفسك الآن ، متى آخر مرة أحضرت وجبة خارجية للخادمة أو السائق ، وكم مرة منحت السائق هاتفك الجوال لمحادثة أهله ، ماذا عن الخادمة .. هل مازالت تكتب رسائلها وتبعثها بالبريد ؟
هل لديكم شك بأنها ليست (عبودية) ؟

আমাদের সবচয়ে বড় সমস্যা ইসলাম ধর্ম নিয়ে নয়, অবশ্যই; আমরা আমাদের সংস্কৃতি এবং আমাদের ইসলামিক রীতি নিয়ে গর্ব করি কিন্তু সেগুলো পালন করি না। যে কোন দিন একটি নির্মান স্থানের সামনের ট্রাফিক লাইটে থেমে দেখবেন, কিভাবে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস গরমে, শ্রমিকরা একটি যন্ত্রপাতির (অথবা ভেড়া বহনের) ট্রাকে গাদাগাদি করে আছে। কিন্তু কোম্পানির মালিকের লালসা বড়, তাদের বাসস্থান থেকে কার্যস্থলে আনা নেয়ার জন্যে বাস কেনে না, যা কিনতে হয়ত মাত্র ৪০,০০০ রিয়াল খরচ হত। যদি এই বিষয়টি আমার হাতে থাকত, ট্রাকে করে শ্রমিক বহনকারী কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করতাম, এবং বিচারে রায় হত মালিককে এক সপ্তাহ এভাবে যাতায়াত করতে হবে। (শুধুই আমার স্বপ্নে!)

আপনারাই বলেন, কখন আপনি আপনার ড্রাইভার বা কাজের লোকের জন্যে রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার এনেছেন? এবং আপনি ড্রাইভারকে কি আপনার মোবাইল ফোন দেন তার পরিবারের সাথে কথা বলার জন্যে? আর আপনার কাজের মেয়ের বেলায় কি হয়? সে কি এখনও পরিবারকে চিঠি লিখে পোস্টে পাঠায়?

এটি যে দাসত্ব এ ব্যাপারে আপনার কোন সন্দেহ আছে?

2 টি মন্তব্য

  • সত্যি ভয়াবহ ব্যাপার, আন্তর্জাতিক শ্রম আইন বলে কোনো কিছু নাই?

  • পান্থ রহমান রেজা

    লেখাটি পড়ে মন খারাপ হয়ে গেল। আমাদের অনেক প্রবাসীদের সইতে হচ্ছে এমন নরক যন্ত্রণা। হায়, ইশ্বর কী শুনছেন নির্যাতিতদের আর্তনাদ।

আলোচনায় যোগ দিন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .