বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মরোক্কো: ওয়েবসাইট এবং সংবাদপত্র

সারা বিশ্ব ডিজিটাল প্রযুক্তিকে বরণ করে নিচ্ছে। অনেক সংবাদপত্রই এখন ডিজিটাল চ্যালেন্জ মোকাবেলায় তাদের সংবাদপত্রকে অনলাইনে প্রকাশ করছে। আরব বিশ্বও এর ব্যতিক্রম নয়। তবে মরোক্কোর ব্লগার এম এস জিউইজ তার ব্লগের এক লেখায় তার দেশের নামকরা এক সংবাদপত্রের ওয়েবসাইটের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

তিনি বলছেন:

لو أردت أن أتحدث عن الإنترنت المغربي فلن أنتهي أبدًا، وأنتم تعرفون ولعي بالتركيز على أنصاف الأكواب الفارغة. سأكتفي هذه المرة بفقرة واحدة:

طيلة ساعات وأنا أحاول الوصول إلى موقع جريدة المساء المغربية التي تعتبر الأكثر شعبية على الإطلاق في المغرب. لكن بدون فائدة. الموقع كأنه مقبرة سيارة أو مزبلة خردة. قد نقبل أن تكون مواقع الجرائد الأخرى التي لا يقرأها حتى صحفيوها سيئة ورديئة وغير قابلة للوصول. لكن أن يكون موقع الجريدة الأكثر مبيعا، والأكثر دخلا، كوجه إمرأة مصاب بالجذام، وفوق ذلك تتواصل الأعطاب التقنية بشكل شبه دائم فإن الأمر لا يطاق. وفي الأخير تنشر الجريدة بكل فخر أن عدد زوار موقعها يحطم الأرقام القياسية! طبعا هو يحطم الأرقام القياسية لأنه المستخدم يواصل تحديث الصفحة مئة مرة حتى يظهر له نص المقال كاملا

মরোক্কোর ইন্টারনেট প্রকাশনাগুলোর কথা যদি বলা শুরু করি তবে তা কোনদিন শেষ হবে না। আপনারা জানেন আমি একটু নেতিবাচক ভাবেই সমালোচনা করি। এবার আমি এক প্যারাগ্রাফেই শেষ করব:

আল মাসা'র ওয়েবসাইটে ঢোকার জন্যে আমি কয়েক ঘন্টা যাবৎ চেষ্টা করছি। মরোক্কোতে এই পত্রিকাকেই সবচেয়ে জনপ্রিয় হিসেবে ধরা হয়। আমি তা পড়তে পারি নি। এই সাইটটিকে একটি ময়লা ফেলার স্থান হিসেবে ভ্রম হয়। এরকম পরিস্থিতি অন্য ছোট পত্রিকার হলে হয়ত ক্ষমা করা যেত কারন তাদের সাংবাদিকরাও হয়ত পত্রিকাটি পড়ে না। কিন্তু সর্বাধিক পাঠক সংখ্যা যে পত্রিকার তার এরকম কারিগরী ত্রুটি মানা যায় না। তার পরে কি তামাশা! এই পত্রিকার অনলাইন পাঠকের সংখ্যা নাকি পূর্বের রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। পত্রিকার হিট সংখ্যা এখন তো বাড়বেই কারন একটি আর্টিকেল পড়তে একজন পাঠককে পাতাটিকে ১০০ বার রিফ্রেশ করতে হচ্ছে!

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .