বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

জর্দানঃ ধর্মঘটের প্রস্তুতি

ব্লগারদের মতানুযায়ী জর্দান ৪ঠা মে ধর্মঘটের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং জীবনযাপনের মান বৃদ্ধির দাবীতে আহুত ধর্মঘটের সংবাদ ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছিল, ঠিক মিশরের মত, পরবর্তীতে যা ব্লগাররা তুলে ধরেন।

জর্দানিয়ান ইস্যুজ (আরবী) বলেছেন, মিশরে আহুত ধর্মঘট কাকতালীয়ভাবে একই দিনে পালিত হবে। পোস্টটির ভাষ্য অনুযায়ীঃ

فيه دعوة متداولة على “الفيس بوك” لإضراب عام في الاردن يوم 4 ايار. منه اعتراض على الوضع في البلاد ومنه عموما تضامن مع اضراب مماثل يجري في مصر في نفس اليوم. وانا اعتبرها صرخة شجاعة ومبادرة ضرورية. الا انني لا اعرف من وراء هذه الدعوة، وما هي نقاط ارتكازها. انا ايضا مع روح التضامن مع الشعب المصري وتوطيد التناغم الشعبي في المنطقة العربية عموما، لكن ليس بالضرورة ان ينسحب الوضع في مصر مكانيكيا على الاردن، لذلك رأيت ان انوه لبعض الاشكالات المرافقة لدعوة على هذا المستوى بالاردن، رغم تعاطفي المبدأي مع اي مبادرة ديمقراطية وسلمية كهذه.

৪ঠা মে জর্দানে সাধারণ ধর্মঘট পালনের আহবান ফেসবুকে প্রচারিত হচ্ছে। সাধারণভাবে এটা দেশে বিদ্যমান অবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদসরূপ এবং মিশরে একই দিনে পালিত ধর্মঘটের প্রতি একাত্মতামুলক। একটা সাহসী ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। অবশ্য, জানি না, কারা এই ধর্মঘটের পেছনে এবং কি এর লক্ষ্য। মিশরের জনগনের সাথে সংহতি জ্ঞাপন সমর্থন করি এবং সাধারণভাবে আরব দেশগুলোর জনসাধারণের মধ্যে একাত্মতার সম্পর্ক বোধ করি। কিন্তু জর্দানের অবস্থাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিশরের উদ্ভুত অবস্থার সাথে মিলিয়ে ফেলাকে প্রয়োজনীয় মনে করি না। যারজন্য জর্দানে এই আহবানের সাথে সম্পর্কযুক্ত সমস্যার দিকে মনযোগ প্রদানে বেশী আগ্রহী এবং তা গনতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ উদ্যোগের সাথে আমার সহানুভূতি অক্ষুন্ন রেখেই।



আল জাজিরা টক
-এ আম্মান থেকে ইবাহীম সাফা (আরবীতে) লিখেছেনঃ

كانت المفاجأة عندما رأيت مجموعة على الموقع المشهور فايس بوك (Facebook) مجموعة عنوانها “إضراب النشامى والرجالة”، “التغيير القادم من الشرق: مصري فلسطيني أردني، وهذا الإضراب بحسب ما يقولون ” لعيون الأردن، ولعيون مصر … تضامناً مع أنفسنا ومع أشقائنا المضربين في مصر … دعونا نضرب في الأردن يوم 4 / 5 / 2008م إضراب عام عن العمل وعن الخروج من المنازل حتى الساعة 11:00 صباحا لا حزبية ولا سياسية…شعبية شعبية شعبية” بل وأيضا” .
ويبدو أن الإضراب التضامني بين الشعبين المصري والأردني انضم إليه أيضا إضراب فلسطيني وبالتالي قد أصبح عبارة عن سلسلة إضرابات في المنطقة من أجل كما قلنا الغلاء الذي يتفشى في العالم العربي.

ফেসবুকের একটা গ্রুপ দেখে আমি অবাক হয়েছি, দ্যা স্ট্রাইক অব মেনঃ পূর্ব থেকে পরিবর্তনের ঠেউঃ মিশরী, ফিলিস্তীনী ও জর্দানী নামে। ধর্মঘট সন্বন্ধে তারা যা বলে, জর্দানী ও মিশরীদের দৃষ্টিতে, এই ধর্মঘট আমাদের এবং মিশরে আমাদের ভাইদের সাথে একাত্মতাসরূপ। চলুন জর্দানে ৪ঠা মে আমরা ধর্মঘট পালন করি। কাজ থেকে বিরতি পালন এবং সকাল এগারোটা পর্যন্তে ঘরে অবস্থান হবে এর প্রকৃতি। কোন রাজনৈতিক ধর্মঘট নয়, বা কোন দলের আহবানেও নয়; এটা একদম সাধারণের। দেখে মনে হচ্ছে জর্দানী ও মিশরীদের একাত্মতাবোধক ধর্মঘট ফিলিস্তীনীদেরও আকৃষ্ট করেছে এবং আরববিশ্বে ক্রমবর্ধমান দ্রবমূল্যের প্রতিবাদসরূপ পুরো অঞ্চলব্যাপী ধর্মঘট পালনের প্ররোচনা দিয়েছে।

ما سبب الإضراب؟
سبب الإضراب هو إيصال رسالة بأن الشعب الأردني لم يعد قادرا على تحمل المزيد.

ধর্মঘটের কি কারণ?
এই সংবাদটা দেয়া যে জর্দানের জনগনের জন্য মূল্যবৃদ্ধি অসহনীয় হয়ে উঠেছে।

মিশর থেকে, যেখানে ৪ঠা মে ধর্মঘট পালনের প্রস্তুতি চলছে, জেনোবিয়া লিখেছেনঃ

ওহে আমার জর্দানী বন্ধুরা! এটা কি সত্য যে জর্দানেও ৪ঠা মে ফেসবুকের মাধ্যমে ধর্মঘট আহবান করা হয়েছে? দ্রব্যমুল্যের বৃদ্ধির কারণে?

ওয়াও! আমাদের রাষ্ট্রপতি মুবারকের জন্মদিন তো অত্র আঞ্চলের হয়ে গেলো, যদি তাই হয় তাহলে দুই দেশের এটা হবে সত্যিকারের একটা ঐতিহাসিক ধর্মঘট!

জর্দানের আভ্যন্তরীন বিষয় সন্বন্ধে আমি তেমন জানি না কিন্তু একটা বিষয় জানি যে মিশর আসলেই আরব বিশ্বের নেতা।

অগ্রগতিঃ জর্দানী ফেসবুক গ্রুপ যারা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে তাদের দাবী হচ্ছেঃ

• সরকারকে মূল্যবৃদ্ধির রাশ টেনে ধরতে হবে
• বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্য স্থির করা
• জনসম্পত্তির ব্যক্তিমালিকায়ন বন্ধ
• প্রাইভেট সেক্টরে বেতন বৃদ্ধি

মিশর ও জর্দানে পালিত ধর্মঘটের মধ্যে কিছু সমিল খুঁজে পাওয়া গেলেও প্রধান মিল হচ্ছে অর্থনৈতিক চিত্র।

প্রতিবাদের জন্য নয়, স্রেফ ঘরে বসে থাকার জন্য ডাকছে।

শুধু মিশরই পাল্টে যাচ্ছে না; বাকী আরববিশ্বও পাল্টাচ্ছে ক্রমশ!

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .