বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

জাপান: অদ্যাবধি অমীমাংসিত একটা ইস্যুর প্রতি কমফোর্ট উইমেন ভিডিও-এর দৃষ্টি আকর্ষণ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ষাট বছর অতিবাহিত হয়েছে কিন্তু এখনও সেইসব নারী, যারা দাবি করেছেন যে জাপানী সেনাবাহিনীর নির্দেশে সৈন্যদের ‘কমফোর্ট স্টেশনে(বিশ্রামের স্থানে)” তাদেরকে যৌনদাসীর কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছে, অপেক্ষার প্রহর গুনছেন সরকার কর্তৃক জনসম্মুখে ক্ষমা প্রার্থনার এবং বস্তুগত খেসারত প্রাপ্তির; যদিও সরকার এমন অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে যে এই গণিকালয় স্থাপনের পেছনে তাদের ভূমিকা ছিল। যুদ্ধ শেষে সেনাবাহিনীর মনোরঞ্জনের জন্য বাধ্য করা এসব নারীদের বিদেশী কোন রাষ্ট্রে চালান করে নিগৃহিত ও শৃংখলিত এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে হত্যাও করা হয়েছে। উক্ত অনলাইন ভিডিওর মাধ্যমে এর সাথে আরো জানা যাবে “সেনাবাহিনী কমফোর্ট উইমেনদের” দুর্দশা এবং এই বিষয়টি আলোতে নিয়ে আসার জন্য অন্যান্য প্রচেষ্টার কথা।

উইটনেস দ্যা হাব ওয়েবসাইটে সবচেয়ে বেশী বার প্রদর্শিত জাপানের কমফোর্ট উইমেন নিয়ে নির্মিত ভিডিওতে দেখানো হয়েছে যে এই মহিলাদের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে জাপানী সৈন্যবাহিনীর মনোরঞ্জনের জন্য কখনও অপহরণ বা বল প্রয়োগ করে গণিকা বানানো হয়েছে । জাপানী মহিলাদের সাথে তৎকালীন জাপান সাম্রাজ্যের অধিভূক্ত চীন, কোরিয়া সহ অন্যান্য অঞ্চলের নারীদেরও বাধ্য করা হয়েছে জাপানী সেনাবাহিনীর গণিকালয়ে কাজ করতে। এ সকল নারীদের দুর্বিষহ অবস্থা তুলে ধরার জন্য আলোচ্য ভিডিওতে ফটোগ্রাফ, চিঠির লেখা এবং চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে। ভিডিওটি এখানে দেখতে পারেন অথবা হাভ-এ দেখার জন্য এখানে ক্লিক করতে পারেন

জাপানী সরকার কর্তৃক উক্ত অভিযোগ গ্রহণ ও অস্বীকার বিষয়ে দোটানা থাকায় এখনও বিষয়টি বিতর্কিত। সাধারণ মানুষও তর্ক করছ এ নিয়ে যে এমন ঘটনা সত্যিই ঘটেছে কিনা এবং সত্যিই যদি ঘটে থাকে তবে সেনাবাহিনীকে অভিযুক্ত করা যাবে কিনা। এমনেস্টি ইন্ট্যারন্যশনাল বর্তমানে একটা ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে জাপানী সরকার কর্তৃক ক্ষমা প্রার্থনা ও ভুক্তভোগী নারীদের খেসারত প্রদানে বাধ্য করতে। লন্ডনে, ইভ এনসলারের দ্যা ভ্যাজাইনা মনলোগসের উপর একটা উপস্থাপনার আয়োজন করা হয়েছিল চীনের কমফোর্ট উইমেনদের পক্ষে জন সচেতনতা সংগঠিত করতে। লিউচুনহা উক্ত উপস্থাপনার একটি অংশ তুলে ধরেছেন যা আপনারা এই লিংকে ক্লিক করে দেখতে পারেন

ব্রাজিল থেকে ফলব্লুস্কাই নিচের ভিডিওটি আপলোড করেছে। সরকারের ভুল স্বীকার এবং এই নারীদের দুর্ভোগের জন্য তাদের ভূমিকা প্রমানের জন্য কমফোর্ট উইমেনদের বর্তমান সময়ের কিছু ফুটেজসহ ভিডিওটিতে অবিরামভাবে উক্ত দুর্ভাগাদের দুর্দশার কাহিনী বিধৃত হয়েছে:

জাপানের স্প্রাইটজুন কমিক বুক স্টাইলে একটি মানগা ভিডিও প্রকাশ করেছে যেখানে লিখিত ইংরেজী কথোপকথন সহ কমফোর্ট উইমেনদের দুর্দশার কাহিনী উঠে এসেছে। বর্ন এগেইন এ্যাজ এ ফ্লাওয়ার (কমফোর্ট উইমেনদের জন্য) নামে উক্ত ভিডিওটির দুটি খন্ড রয়েছে যেখানে প্রদর্শিত হয় কারখানার কাজে যোগ দেবার সাথে সাথে মুখ্য চরিত্রটিকে গণিকালয়ে তুলে নেয়ার দৃশ্য থেকে জাপানী দূতাবাসের সম্মুখে বুধবারের প্রতিবাদ বিক্ষোভ পর্যন্ত। এই নির্যাতিত নারীরা ১৯৯২ সালের ৮ই নভেম্বর, বুধবার, থেকে এই বিক্ষোভ করে আসছেন নিজেদের নির্যাতিত হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং সে কাহিনী ইতিহাসের পাঠ্য বইয়ে অন্যান্য বিষয়ের সাথে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য। নিচে প্রথম দ্বিতীয় খন্ড দেয়া হলো।

ফিউচারএটলাস ডট কম থেকে জাপানি নৌবাহিনীর পতাকা ব্যবহার করা হয়েছে ক্ষুদ্র চিত্র হিসেবে

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .