বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

জাপান ফুলে ভরা

জাপানে বসন্ত এসেছে বছরের প্রথম চেরী ব্লসম (ফুল ফোটা) এর সাথে। জাপানীরা অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষা করে থাকে আবহাওয়া পরিদপ্তরের ফুল ফোটার পূর্বাভাস এর জন্যে যা দেখে তারা চেরী ফুল ফোটার শ্রেষ্ঠ দিনটি (হানামি) ক্যালেন্ডারে চিহ্নিত করে রাখে। চেরী ব্লসমের অন্চল (সাকুরাজেনসেন) আস্তে আস্তে উত্তরের দিকে চলে যাচ্ছে। এবারে শিযুওকা, কুমামোটো এবং টোকিওতে চেরী ফুল ফোটা শুরু করেছে মার্চের ২২ তারিখ থেকে, সাধারণত যে সময় হয় তার কয়েকদিন আগেই। অনেক জাপানী ব্লগারই চেরী ব্লসমসের ছবি তুলেছেন এবং তাদের ব্লগে দেখিয়েছেন।

ওয়ান ড্রপ রুম উইথ ফ্লাওয়ার্স ফটো ব্লগের রিকো কইজুমী, যিনি তার প্রাত্যহিক জীবনে দেখা ফুলের ছবি তুলে ব্লগে দেন, অফিশিয়াল চেরী ঋতু শুরু হওয়ার আগেই একটি চেরী ফুলের ছবি তুলেছেন:

(ছবি: রিকো কইজুমী -ক্রিয়েটিভ কমন্সের আওতায় ব্যবহৃত)

夕方近く、遠くから、濃い目のピンクが目に付いて近寄ってみると
ひっそり咲いていました。

আজ বিকেলে আমি হঠাৎ করেই গোলাপী ও লাল কিছু একটা দুর থেকে দেখে থমকে যাই। আমি কাছে যাই এবং এই (উপরের) ফুলটি নি:শব্দে ফুটে থাকতে দেখি।

আরেকটি ফটোব্লগ স্কাইসিকারের সৌজন্যে আরও কয়েকটি চেরী ফুলের ছবি:

(ছবি: স্কাইসিকার -ক্রিয়েটিভ কমন্সের আওতায় ব্যবহৃত)

桜木町駅と新港地区とを結ぶプロムナード「汽車道」の桜並木。
その美しさと言ったら、なんとも形容し難く、いい言葉が見つからないですね。

‘কিশামিচি'র চেরী গাছের সারি, সাকুরাগিচো স্টেশন এবং নতুন পোর্ট এলাকা যাওয়ার পথে। এই সৌন্দর্য বলে বোঝানো যাবে না। আমার বলার কোন ভাষা নেই।

(ছবি: ড্যানি চু -ক্রিয়েটিভ কমন্সের আওতায় ব্যবহৃত)

ব্লগার এ ব্লু সোয়ান জানাচ্ছেন কেন চেরী ব্লসম জাপানী সংস্কৃতিতে এত গুরুত্বপূর্ণ:

চেরী গাছগুলো এখন ফোটা ফুলে ছেয়ে আছে। যখন এর ফুলে ফুটে থাকে না তখন কিন্তু এ গাছ দেখতে তেমন সুন্দর নয়, এতে পোকা হয়, এটি দিয়ে কিছু বানানো যায় না, এর ফল খাওয়া যায় না, এর ফুল এত দ্রুত ঝরে পরে। হ্যা এটি খুব কাজের গাছ নয়। কিন্তু ঐতিহ্যগতভাবেই জাপানীরা চেরী ফুলকে ভালবেসে এসেছে। কারন প্রাচীন কাল থেকেই জাপানীদের জীবন সম্পর্কে একটি অস্থায়ী ও ক্ষয়িষ্ণু ভাবনা আছে যা এই ফুলের ক্ষনস্থায়ী জীবনের সাথে খুব মিলে যায়। এরা (জাপানীরা) এক নিমেষে মরে যাওয়া মানুষের ছবিকে কল্পনা করে নেয় নিমেষে পরে যাওয়া চেরী ফুলের পাপড়িতে। এবং তখন তারা এর মর্ম বুঝতে পারে।

(ছবি: স্পুটনিক -ক্রিয়েটিভ কমন্সের আওতায় ব্যবহৃত)

স্পুটনিক ব্লগ তাদের হানামি (চেরী ফুল ফোটা দেখা) ভ্রমণে সর্ষেক্ষেতে চেরী ব্লসমের ছবি পোস্ট করেছে উপেরর ছবিটি সহ এবং লিখছে:

今年も行ってきました。去年と同じ場所に花見。やっぱりきれい、来て良かった。去年は昼過ぎに行って大混雑だったので、今年は朝駆けっていうか、早朝7時 前には着いてました。それなのに結構人が来ていたのにはびっくりしたけれど・・・。しかし、おかげでのんびりと眺めることができました。淡いピンクの桜の 花とのんびりした黄色い菜の花、この優しい色合いの景色はまるで天国ってこんな感じなんじゃないかと思わせるものがある

এ বছর আবার বের হলা। গত বছরও ঠিক এই যায়গায় হানামিতে এসেছিলাম। আমি খুশি যে এবারও এসেছি। কারন গত বার দুপরের ঠিক পর আসায় খুব ভীড় হয়েছিল। তাই এ বছর সকাল সাতটার আগেই হাজির হয়েছি। তবে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু লোক দেখে অবাকই হচ্ছি।.. তবে সকালে আসায় আরামে ফুলগুলো দেখতে পাচ্ছি। চেরী ফুলের বিষন্ন গোলাপী রং আর সর্ষে ফুলের ঝিম ধরানো হলুদ রং, হাল্কা রংয়ের এই অপূর্ব চিত্র দেখে মনে হচ্ছে স্বর্গ মনে হয় এমনই দেখতে।

1 টি মন্তব্য

  • Nayan Chakraborty

    Its a nice article about the cherry flower of Japan. And I came to know the beauty of Japan. Really this world is so beautiful for which we feel the happines of heaven in this world.

    Nayan Chakraborty
    Chittagong, Bangladesh
    Email: nayan_net@yahoo.com

আলোচনায় যোগ দিন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .