বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

গ্লোবাল ভয়েসেস সিটিজেন মিডিয়া সামিট ২০০৮ ঘোষণা

গ্লোবাল ভয়েসেস আর গ্লোবাল ভয়েসেস এডভোকেসী গ্লোবাল ভয়েসেস সিটিজেন মিডিয়া সামিট ২০০৮ এর ঘোষণা করছে যা হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে ২৭-২৮ জুন, ২০০৮ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাকরমিক ট্রিবিঊন ফাউন্ডেশন, বার্কম্যান সেন্টার ফর ইন্টারনেট এন্ড সোসাইটি, আর মিডিয়াহাঙ্গেরিয়ার সহযোগিতায়।

এই সম্মিলনে গ্লোবাল ভয়েসেস সিটিজেন মিডিয়া প্রকল্পের সদস্য আর এর বর্ধিত কমিউনিটি একত্র হবেন যাদের মধ্যে থাকবে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা বিভিন্ন ধরনের ব্লগার, কর্মী, প্রযুক্তিবিদ, সাংবাদিক আর অন্যান্য ব্যক্তি। তারা দুই দিন ব্যাপী সাধারণ আলোচনা আর কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন যার মূল বিষয় হবে “সিটিজেন মিডিয়া এন্ড সিটিজেনহুড (নাগরিক প্রচার মাধ্যম এবং নাগরিক)।”

(ছবিতে দিল্লী, ভারতে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল ভয়েসেস সামিট ২০০৬ এর কিছু মুহুর্ত )

গ্লোবাল ভয়েস সামিট আমাদের সুযোগ করে দেয় ব্লগার, কর্মী, ছাত্র আর মিডিয়া ব্যক্তিত্বের মধ্যে তাদের অর্জিত জ্ঞানের আদান প্রদানের। এই মিটিং এ পর্যালোচনা করা হবে উত্তর আমেরিকা আর পশ্চিম ইউরোপের বাইরের ব্যক্তি দ্বারা সিটিজেন মিডিয়ায় কি ধরনের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সাধিত হয়েছে আর একই সাথে এটাও দেখা যে অধিক সংখ্যক লোক বিশ্বব্যাপী তথ্য বিতরণের ফলে কি ধরনের দীর্ঘ মেয়াদী সামাজিক পরিবর্তন আসতে পারে।

সম্মেলনের প্রথম দিন, গ্লোবাল ভয়েসেস এডভোকেসির আমন্ত্রণে যেটা হবে, সেখানে আলোচনা হবে সেন্সরশীপ আর অনলাইনে মুক্তভাবে মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে বাধাগুলো নিয়ে। দ্বিতীয় দিনে আলোচনা হবে নতুন গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনের প্রচারের ক্ষেত্রে ওয়েব ২.০ এর প্রয়োগ কিভাবে করা যায়; অনবাদের বিভিন্ন বিষয় আর ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বহু ভাষার স্থান হিসাবে ব্যবহারের ধারণা; এবং জরুরী অবস্থায় সিটিজেন মিডিয়া কিভাবে সমাধান দিতে পারে তা নিয়ে। দুই দিনের এই প্রোগামে হাতে কলমে শেখাবে সক্রিয়ভাবে কাজ করার উপায় তৈরিতে বিনামূল্যের ওয়েবে পাওয়া যায় এমন প্রযুক্তি যেমন গুগুল ম্যাপ, টুইটার আর অনলাইন ভিডিও কি করে ব্যবহার করা যায়।

সামিটের প্রোগ্রাম এই লেখার শেষে দেয়া হয়েছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের তথ্য আর আপডেট প্রোগ্রাম পাওয়া যাবে সামিটের ওয়েব সাইটে, কিন্তু আমার সাথেও বিনা দ্বিধায় যোগাযোগ করতে পারেন georgiap@globalvoicesonline.org এই ঠিকানায় যদি আপনাদের আরো প্রশ্ন থাকে বা স্পন্সরশীপ নিয়ে কোন তথ্য জানতে চান।

আপনার ক্যালান্ডারে গ্লোবাল ভয়েসেস সিটিজেন মিডিয়া সামিট এর বিষয়টি লিখে রাখুন। আমরা আশা করছি যে আপনারা বুদাপেস্টে আমাদের সাথে যোগদান করবেন!

গ্লোবাল ভয়েস সিটিজেন মিডিয়া সামিট
বুদাপেস্ট, হাঙ্গারি- জুন ২৭-২৮, ২০০৮

খসড়া প্রোগ্রাম

জুন ২৭, ২০০৮

সেশন ১: “ বিশ্বব্যাপী সেন্সরশীপ বিরোধী নেটওয়ার্কের দিকে”
আমাদের কেন বিশ্বব্যাপী সেন্সরশীপ বিরোধী নেটওয়ার্কের প্রয়োজন? আমরা কি করে প্রযুক্তি বিতরণ করতে পারি? অনলাইন বাক স্বাধীনতা রক্ষায় সব থেকে ভালো উপায় আর অভিজ্ঞতা কি?

সেশন ২: “ সিটিজেন মিডিয়া আর অনলাইনে মুক্ত ভাষ্য”
সিটিজেন মিডিয়া সেন্সরশীপ আর দমনের ভীতির সম্মুখীন হচ্ছে। কেনিয়া, বার্মা, মিশর আর হংকং এর কিছু কেস স্টাডি থাকবে।

সেশন ৩: “সেস্নরশীপের সাথে বসবাস”
যে সব দেশে সরকারি সেন্সরশীপ বাস্তবতা সেখানে বসবাসের অভিজ্ঞতার কথা বলবেন অংশগ্রহনকারিরা আর এটি প্রতিরোধ করার জন্যে তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার কথাও জানাবেন।

সেশন ৪: “ সম্মুখসারির কর্মীরা একাডেমির সাথে মিলিত হচ্ছে: কৌশল আর জ্ঞান”

ওয়েব ফিল্টারিং আর অনলাইন সেন্সরশীপকে বোকা বানানোর কৌশল আছে, কিন্তু তা সব সময় যাদের প্রয়োজন তাদের কাছে সহজে পৌঁছায় না। আমরা কি করে আরও উন্নত সমন্বয় ঘটাতে পারি প্রযুক্তি নির্মাতাদের এবং সেন্সরশীপ বিরোধী অভিযানের কাছে তা পৌঁছানো যেটি তাদের বেশী প্রয়োজন? আর কি করে নির্মাতা থেকে কর্মী হয়ে আবার নির্মাতা পর্যন্ত তথ্যের প্রবাহ সহজে সম্ভব হতে পারে সেটা দেখতে হবে যার ফলে আরও উন্নত প্রযুক্তি তৈরি করা সম্ভব হবে।

সেশন ৫: “ এন জি ও এবং মাঠ কর্মীঃ কন্ঠ প্রতিরোধ করা”

এনজিওরা কি করে মুক্ত কন্ঠের মাঠ কর্মীদের সাথে কাজ করতে পারে সেন্সরশীপ প্রতিরোধ করতে?

জুন ২৮, ২০০৮

সেশন ১: “ওয়েব ২.০ এর বিশ্বায়ন”

ইন্টারনেটের দ্বিতীয় পুন:জন্ম মানে স্যোশাল ট্যাগিং, আর এস এস ফিড আর ট্রাকব্যাক এর চেয়েও বেশী। উন্নয়নশীল দেশে ব্রডব্যান্ডের সংযোগের নিরন্তর বিস্তৃতির ফলে আর আন্তর্জাতিক ওয়েব ব্যবসায়ীদের নতুন উদ্ভাবিত প্রযুক্তির ফলে সব থেকে আকর্ষনীয় অনলাইন কিছু কাজ এমন সব জায়গায় হচ্ছে যেখানে এক দশক আগেও ইন্টারনেট সংযোগ বিরল ছিল। এই প্যানেলে বলিভিয়া, বতসোয়ানা, কলম্বিয়া আর কঙ্গোর কিছু ওয়েব ২.০ এর উদ্যোক্তারা থাকবেন।

সেশন ২: “ যান্ত্রিক নির্বাচন পদ্ধতি সম্ভাব্য গনতন্ত্রে”

ব্লগিং এর বিস্তার, সামাজিক নেটওয়ার্কিং আর মাইক্রো ব্লগিং সার্ভিস যেমন ফেসবুক আর টিউটার, ভিডিও আর ছবি ভাগ করার সাইট যেমন ইউটিউব আর ফ্লিকার আর মোবাইলের বিস্তার সাধারন নাগরিকদের সুযোগ দিয়েছে আরো সম্পূর্ণভাবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহনের। এই সেশনে দেখা হবে যে এইসব প্রযুক্তি সাম্প্রতিক কেনিয়া, আর্মেনিয়া আর ইরানের নির্বাচনে কি অবদান রেখেছে আর সাথে সাথে এই প্রশ্ন উঠে আসে: সিটিজেন মিডিয়া কি আসলে কোন ছাপ রাখছে গনতন্ত্রে যাওয়ার পথে?

সেশন ৩: “ ডিজিটাল এক্টিভিজম কর্মশালা”

আপনার ব্লগোস্ফিয়ারে পরবর্তী জরুরি অবস্থার জন্য আপনি কি প্রস্তুত? এই সেশনে আমরা দলভিত্তিক কর্মশালার জন্য ভাগ হয়ে কিছু হাতে কলমে প্রশিক্ষন নেয়া হবে কর্মীদের কাছ থেকে যারা এই সব প্রয়ুক্তি ব্যবহার করেছে।  যেমন এক্সেস ডিনাইড ম্যাপ, যেখানে ওয়েব ২.০ এর সেন্সরশীপ তুলে ধরা হয়েছে, উশাহিদি.কম যেখানে কেনিয়ার নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ও বিক্ষোভ তুলে ধরা হয়েছে, আর তা ছাড়া যে কোন সংকটের রিপোর্ট করার জন্য ব্যবহৃত এসএমএস বা টুইটার।

গ্রুপ এ) গুগল ম্যাপ ম্যাসআপস

গ্রুপ বি) এস এম এস গ্রুপ এবং ফ্লাসমবিং

গ্রুপ সি) গ্রেফতারকৃত ব্লগারদের জন্যে ক্যাম্পেইন

গ্রুপ ডি) ভিডিও বিতরণ

গ্রুপ ই) মাইক্রো ব্লগিং প্রযুক্তি দিয়ে রিপোর্টিং

সেশন ৪: “অনুবাদ এবং বহুভাষাভাষী ওয়েব”

বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যোগাযোগের ক্ষুদ্র ইতিহাসে অগণিত চিন্তাবিদ, বিশেষজ্ঞ, সমালোচক, সামাজিক কর্মী এবং লেখক ইন্টারনেটকে আপন করে নিয়েছে একটি বাধাহীন ফোরাম হিসেবে যার মাধ্যমে তথ্য, জ্ঞান এবং চিন্তা-ভাবনাকে আন্তর্জাতিক এবং আন্ত:সংস্কৃতিক একটি জগতে নিয়ে যাওয়া যায়। তবে কার্যক্ষেত্রে অনলাইন সমাজগুলো এখনও তাদের ভাষা অনুযায়ী বিভক্ত। অনলাইনে এই ভাষাগত বিভক্তি কি প্রযুক্তিগত না সংস্কৃতিগত সমস্যা? গুগল ট্রান্সলেটের মত মেশিন অনুবাদ প্রযুক্তি কি বহুভাষাভাষী ওয়েবের প্রতিস্রুতি পূরণ করবে না বিভিন্ন ভাষাভাষী অনলাইন বলয়ের মধ্যে সেতু রচনা করবে মানব স্বেচ্ছাসেবী অনুবাদ?

সেসন ৫: “ত্রাতা হিসেবে সিটিজেন  মিডিয়া”

রাজনৈতিক সংকটের সময় সাধারণত: সরকার প্রচার মাধ্যমগুলোকে আইনের মাধ্যমে বা ভয় ভীতি প্রদর্শন করে চুপ করাতে চেষ্টা করে। এই সংকটপূর্ণ সময়ে শুধুমাত্র সাধারণ নাগরিকই পারে তাদের নিজের দেখা ঘটনা গুলো ছবি বা রিপোর্ট আকারে বিশ্বকে জানাতে। এই সেশনে আমরা আলোচনা করব মায়ানমার (বার্মা), পাকিস্তান এবং চীনে নাগরিক মিডিয়া সংকটময় মুহুর্তগুলোতে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে কি ভূমিকা রেখেছে তার উপর।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .