বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ভারতঃ রাজনৈতিক পরিবার

গণতন্ত্র কি বেচে আছে? এই উপমহাদেশে বংশানুক্রমিক রাজনৈতিক জুয়া খেলায় এটি একটি বার বার উচ্চারিত প্রশ্ন। আমাদের রাজা ছিল, রানী ছিল আর আমরা এখনো নতুন রাজনৈতিক রাজা আর তাদের পরিবার কে খোজা থেকে বিরত হতে পারছি না। পাকিস্তানে একজন নেত্রীকে হত্যা করা হল ২০০৭ এর ডিসেম্বরের ২৭ তারিখে আর তার শারীরিক আর রাজনৈতিক জীবন থেকে বিদায় নেয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যে তার ছেলেকে তার উত্তরসুরি নির্বাচন করা হল। ফিরিঙ্গিঃ দ্যা ইন্ডিয়া ডায়রি এর সাইরেনসং প্রশ্ন করেছেন:

“কখন গণতন্ত্র গণতন্ত্র না? যখন নেতাদের অগণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত করা হয় তখন। যখন আইনে ৯/১০ এ বংশানুক্রমিক ভাবে উত্তরসুরি নির্বাচিত হয় আর হ্যা, এই একই পন্থা ভারতের গান্ধি- নেহেরু , ঠাকারে সহ অনেকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।”

সাইরেনসং  ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন,”দক্ষিন এশিয়াতে রাজতন্ত্রকে গণতন্ত্রতে রূপান্তরিত করা হয়েছে। রাজতন্ত্রের দিকে পিঠ করে আমরা নিজেদের রিপাব্লিকান হিসাবে খুঁজে পাই। কিন্তু এটি একটি ভঙ্গুর আর কষ্টসাধ্য রিপাব্লিকানিজম, কারন আমাদের এখানের রাজনৈতিক দলেরা তাদের নিজেদের রাজ পরিবারের মধ্যে এক একটি ক্ষুদ্র রাজ্য,” এর সাথে তিনি নিজের ব্যক্তিগত মতামত দিয়েছেন।

ইন্ডিয়া ভিউতে এস ভেনিকার দক্ষিন এশিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদাসীন, কিন্তু রাজপুত্র ‘বিলাওয়াল’ এবং তার উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া নেতৃত্বের প্রতি তিনি সমবেদনা জানিয়েছেন।

“যদি দেশের রাজনৈতিক নেতারা উইল করে তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি দিয়ে যান তাতে কোন প্রশ্ন নেই, যদিও যে কোন শেষ উইল বৈধ দাবি আছে এমন কেঊ চ্যালেঞ্জ করতে পারে। ২১ শতকে রাজা রানী যদি সিংহাসনে তাদের উত্তরসুরি নির্বাচিত করে সেটা বোঝা যায়।”

রাজনৈতিক দলে এমন একটা ব্যাপার থাকার কোন ধারা বা সাংবিধানিক আইনে কোন নিয়ম নেই। পরিবারকে তোষামোদ রাজনৈতিক নেতাদের জীবন কালে তাদের অনুসারীরা গ্রহণ করে। সুদূর ভবিষ্যতে বিলাওয়াল ভূট্টো, রাহুল গান্ধি আর পন্কজ সিং তাদের নিজ নিজ দলের সম্ভাব্য নেতার জায়গা নিতে পারে বলে ধরে নেয়া যায়।

বিলাওয়ালের উদ্ধত বাক্য যে সে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে আর তার মার হত্যার বিচার নেবে গণতান্ত্রিক উপায়ে একজন শোকাতুর তরুণের স্বাভাবিক কথা কিন্তু সে খেয়াল করে নি যা তার দলে কিভাবে গণতন্ত্র অপহৃত হয়েছে।”

ডিমোনার্কি অফ ইন্ডিয়া‘ নামে আগের এক লেখায় ভেনিকার বলেছিলেন যে ভারতের গণতন্ত্রতে প্রধান বিপদ হয়েছে বর্তমানের নতুন ধারার রাজনীতিবিদ রা যারা গণতন্ত্রর সুযোগ নিয়ে পরিবার তন্ত্র তৈরি করছে।

প্যাট্রিক প্রিঙ্গেল ভীত ভুট্টোর ছেলে বিলাওয়াল আর গান্ধীর মিল দেখে। সে লন্ডন থেকে এই দীর্ঘ বিষয় নিয়ে তার ব্লগ প্যাট্রিক্সের সাউথ এশিয়া ডায়রিতে লিখেছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .