বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইরানি ব্লগাররা বলছেন যে রাশিয়া ইরানকে ঠকাচ্ছে

বেশ কয়েকজন রাশিয়ান ব্লগার তাদের দুশ্চিন্তা জানিয়েছেন যে কাস্পিয়ান সাগরের মূল্যবান সব সম্পদের একটি ক্ষুদ্র অংশ রাশিয়া তাদের সাথে ভাগ করতে রাজি হচ্ছে। সোভিয়াত ইউনিয়নের পতনের আগে ইরান কাস্পিয়ান সাগরের ৫০% সম্পদ আহরন করতো।

অক্টোবর ১৬ তারিখ মঙ্গলবারে তেহরানে অনুষ্ঠিত কাস্পিয়ান সামিটে ৫টি কাস্পিয়ান তীরের দেশ – আজারবাইজান, কাজাখস্তান, ইরান, রাশিয়া আর তুর্কমেনিস্তানের রাষ্ট্রপ্রধানরা মিলিত হয়েছেন। সাগরের সম্পদ যার মধ্যে মাছ, গ্যাস আর বিশেষ করে তেল আছে এই ৫টি দেশের মধ্যে কি করে ভাগ হবে তা নিয়ে তারা কোন সিদ্ধান্তে পৌছাতে পারেনি।

মোহাম্মদ মঈনি একটি কার্টুন ছাপিয়েছেন যেখানে পুতিনকে স্টালিনের সাথে তুলনা করা হয়েছে। তার লেখার নাম তিনি দিয়েছেন, ”দূর হও পুতিন” আর তিনি ইরান, রাশিয়া আর পুর্বের সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার দ্বন্দ নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি আরো বলেছেন যে ইরান তার ভুমির কিছু অংশ বিগত ২০০ বছরে এই সব দ্বন্দের জন্য হারিয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি লিখেছেনঃ

রাশিয়া বিভিন্ন অজুহাত খুঁজে পায় (ইরানে) বুশার নিউক্লিয়ার রিএক্টর তৈরিতে বা অন্য কোন নতুন সুবিধা দিতে দেরী করার জন্য। রাশিয়া এটা বলছে না যে তারা এর মধ্যে (কারিগরি সহায়তায়) আছে কি নেই। কাস্পিয়ান সাগরের আইনগত অবস্থা নিয়ে রাশিয়া ইরানের স্বার্থ বিরোধী অবস্থান নিয়েছে। তাই একজন ইরানী হিসাবে আমার অধিকার আছে খুব আস্তে করে হলেও বলা যে পুতিন দূর হও।

ইয়েক ইয়াঘি (মানে বিপ্লবী) বলেছেন যে ১৭৯ বছর আগে রাশিয়া তুর্কমেঞ্চায় চুক্তি (ফারসী ভাষায়) তাদের উপর চাপিয়ে দিয়েছিল যার ফলে ইরানীরা কাস্পিয়ান সাগরে জাহাজ চালানোর অধিকার হারিয়েছিল আর বেশ কিছু অন্চল হারিয়েছিল। তিনি জিজ্ঞেস করেছেন যে আর একটা তুর্কমেঞ্চায় চুক্তি তাদের জন্য অপেক্ষা করছে কি না? তিনি বলেছেন যে পুতিন ইরানী জাতির উপর বিশ্বাস রাখে না আর ইরানী সরকারকে সমর্থন করেনা, যদিও আহমাদিনেজাদের দিকে তাকিয়ে ক্যামেরার সামনে হাসে। কে নেকড়ে আর ভেড়ার বন্ধুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারে?

কাঘজ পারেহ (মানে একটুকরো কাগজ) বলেছেন (ফারসী ভাষায়) যে পারমানবিক প্রযুক্তির ব্যাপারে রাশিয়ার সমর্থনের জন্য সরকার ইরানকে বিক্রির জন্য তুলে ধরেছে। সে বলেছে যে পরবর্তী বংশ আজকের ঘটনার জন্য ভুগবে।

রাজেনো বলেছেন যে রাশিয়া কাস্পিয়ান সাগরের মাত্র ১১% ইরানের ব্যবহারের জন্য দিতে চায়। সে বলেছে যে ইরানী সরকার তাদেরকে অনেক বেশি ছাড় দিচ্ছে শুধুমাত্র পারমানবিক বিষয়ে তাদের দুর্বল সমর্থনের জন্য।

# উপরের কার্টুনটি বাদবান ব্লগের সৌজন্যে

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .