বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

নাইজেরিয়া: দুজন বীর নাইজেরিয়ান পুলিশ, বর্ডার ছাড়া অফিস

এই সপ্তাহের ব্লগ রাউন্ড আপ শুরু হচ্ছে নাইজেরিয়া থেকে যেখানে ব্লগার ইওমি সেইজ একটি সাম্প্রতিক ঘটনার সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন যেখানে দুই সাহসী নাইজেরিয়ান পুলিশ ৩০ জন সশস্ত্র ব্যান্ক ডাকাতের সাথে লড়েছে। তারা তাদের ডাকাতি করতে রুখে দিতে পারলেও একজন আর বেঁচে থাকতে পারেননি।

এটি পড়লে মনে হয় যেন এটি একটি আর্নল্ড শোয়ার্টজনেগারের ছবি, কিন্তু এটি একটি সত্যি ঘটনা যা নাইজেরিয়ার একটি রাস্তায় ঘটেছে।

ফার্স্ট জেনারেশন ব্যান্কের ওবা, এনসুক্কা ব্রান্চে হামলা করে প্রায় ৩০ জন সশস্ত্র ডাকাত। তারা ফাঁকা গুলি করে মানুষকে ভয় দেখিয়ে ব্যান্কে ঢোকার জন্যে আগায়। এটি ছিল প্রকাশ্য দিবালোকে, ঠিক দুপুর একটায়।

ডিউটিতে থাকা দুইজন পুলিশ আশ্চর্যজনকভাবে সাহসের সাথে তাদের মোকাবেলা করে। মিনিটে মিনিটে তারা অব্যর্থভাবে ডাকাতদের দিকে গুলিবর্ষন করে, আহত (অথবা নিহত?) হয়ে পরে যায় একজন, দুইজন, তিনজন, চারজন… ডাকাত।

আরও পুলিশ আসে অনেক দেরিতে, আধা ঘন্টা পরে। এই জীবন-মৃত্যু পরিস্থিতিতে অনেক সময় পরে। ঘটনাটি এভাবে শেষ হয়:

ব্যান্কের কর্মচারীরা পরে এসে পান একজন মৃত পুলিশকে বুকে গুলি লাগা অব্স্থায়। অপরজন ছিলেন অজ্ঞান অবস্থায়, বন্দুকের ট্রিগারে আঙুল রাখা এবং ম্যাগাজিন খালি।

এই ব্লগার নাইজেরিয়ান সরকারের কাছে আবেদন করেছেন যে পুলিশদের দু:খকষ্টের ব্যাপারটি দেখতে যারা কম বেতন পাচ্ছেন। তাই তাদের অনেকেই যথেষ্ট উদ্বুদ্ধ নয় এমনভাবে তাদের জীবন বাজী রেখে দেশকে রক্ষা করার ব্যাপারে।

কল্পনা করেন কি হত যদি আরও পুলিশ আধা ঘন্টা পরে নয় ঘটনা ঘটার সাথে সাথেই আসত! সরকারের কেউ কি শুনছেন? এই সমস্ত পুলিশদের ভালমন্দের জন্যে কারা লড়বে? সরকারের কে তাদের বিবেকের কথা শুনবে এবং এইসব পুলিশকে পর্যাপ্তভাবে সজ্জিত করবে?

আমি এই দুই সাহসী যোদ্ধাকে স্যালুট করি। আমদের এই রকম সাহসী লোকের আরও দরকার, দরকার এরকম অনুপ্রানিত হওয়ার মত ঘটনার।

ব্যবসা ও প্রযুক্তির দিকে তাকালে: ওরো ব্লগস একটি আর্টিকেল লিখেছেন “কর্মস্থান ২.০: নাইজেরিয়ান ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য সতর্কবানী” । তিনি তার লেখায় উল্লেখ করেছেন কিভাবে প্রযুক্তি পাল্টে দিয়েছে আমাদের লেখার ধরন এবং আমাদের আজকের অফিসের বাউন্ডারী (যদি থাকে) :

কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ইন-ফ্লাইট ইমেইল এক্সেস, টেলিকন্ফারেন্সিং, ব্লাকবেরী, আইফোন এবং অন্যান্য নতুন প্রযুক্তি আমাদের কর্মস্থানের গতি বদলে দিয়েছে। আগেকার উৎপাদনের ফ্যাক্টরগুলো (যেমন জমি এবং শ্রম ) থেকে আমরা এগিয়ে গেছি নতুন ফ্যাক্টরে (যেমন প্রযুক্তি এবং জ্ঞান )। এটি এখন আর কোন আশ্চর্য বিষয় নয় যে সোমবার সকালের রিপোর্টটি দুরবর্তী স্থান থেকে মোবাইল যন্ত্রের মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে। এখন বিমানে আপনার ২২এ উইন্ডো সিট থেকে কয়েক সিট দুরের এরুপ কথোপকথন শুনলেও অবাক হবেন না “আমি এখন মুম্বাইয়ের পথে কিন্তু আমাদের সিএফও আপনাকে ৭ মিনিটের মধ্যে সাইনড ডকুমেন্টটি পাঠিয়ে দেবে। আমি এখনই ওটি সাইন করে তাকে পাঠিয়ে দিয়েছি।” পাচ বছর আগে আপনি যদি আপনার সহকর্মীকে কাচের দেয়ালের পাশে (বর্তমানে এই বর্ডার দেখা যায় না) কয়েক মিনিট হেটে এবং নিজের সাথে কথা বলে কয়েকটি লাফ দিতে তাহলে আপনি নিশ্চয়ই আপনার ম্যানেজারকে ডাকতেন তার মানসিক সমস্যার কথা জানাতে। কিন্তু আজ আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারবেন যে সে চার মহাদেশ দুরের কোন কোম্পানির সাথে কোন চুক্তি পাকা করছে তার ব্লুটুথ এনাবলড হেডসেটের মাধ্যমে।

-ডেভিড আজাও

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .